ঢাকা : ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬, রবিবার, ২:২৫ পূর্বাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

আহত নার্গিসের পাশে দাঁড়িয়ে সেলফির জন্য কোহেলীর দুঃখপ্রকাশ

10494111_kalerkantho_pic

ছাত্রলীগ নেতার চাপাতির আঘাতে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা নার্গিসের পাশে দাঁড়িয়ে সেলফি তোলার ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেছেন যুব মহিলা লীগের যুগ্ম সম্পাদক কোহেলী কুদ্দুস। ফেসবুকে ওই সেলফি শেয়ার দেওয়ার পর সমালোচনার মুখে পড়েন কোহেলীসহ সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিন ও যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক অপু উকিল।

গতকাল (বুধবার) স্কয়ার হাসপাতালে নার্গিসকে দেখতে গিয়ে সেলফি তুলে ফেসবুকে শেয়ার করেন সাবিনা আক্তার তুহিন। ওই সেলফিতে তার পাশে অপু উকিল ও কোহেলী কুদ্দুসকেও দেখা গেছে। শেয়ার দেওয়ার পরপরই ফেসবুকে তিনজনকে নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। এর একপর্যায়ে নিজের ফেসবুক পেইজে দুঃখ প্রকাশ করে একটি স্টেটাস দেন কোহেলী কুদ্দুস।

তাতে তিনি লেখেন, অপু দিদি, তুহিনসহ আমার একটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। আসলে খাদিজাকে দেখতে যেয়ে তার অবস্থার কিছু তথ্য সবাইকে জানানোর অংশ হিসেবে যোগাযোগ মাধ্যমে ছবিটি পোস্ট করা হয়েছিল। তবে ছবিটা দেখে অনেকেই ভুল বার্তা পেয়েছেন।

অনেকে ছবিটি দেখে মর্মাহত হয়েছেন…। আমি খুবই দুঃখিত! সবাই বিষয়টা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন; দয়া করে ভুল ব্যাখা দিবেন না। আমাদের উদ্দেশ্য আসলে সে রকম কিছু ছিল না।

আমরা চেষ্টা করেছিলাম মানুষকে তার সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে জানানোর। কারণ খাদিজাকে নিয়ে নানা জায়গা থেকে গুজব ছড়াতে থাকে, খাদিজা মারা গেছেন এই বলে।

কিন্তু মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অসীম করুণাময়ের কৃপায় বোনটি এখনও আমাদের আশার আলো দেখিয়ে বেঁচে আছে। সৃষ্টিকর্তা বোনটিকে সুস্থ করে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিক এটাই একমাত্র প্রার্থনা। আমরা মানবতার পক্ষে আর দোষী সন্ত্রাসীদের বিপক্ষে। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

এদিকে ওই সেলফি নিয়ে যে সমালোচনা হচ্ছে, তার পাল্টা সমালোচনা করে একটি স্টেটাস দিয়েছেন সাবিনা আক্তার তুহিন। তিনি লিখেছেন, আমাদের ছবি নিয়ে যে মাতামাতি হচ্ছে, এতে মনে হচ্ছে খাদিজা ইস্যু রেখে আমরা মুখ্য হয়ে গেলাম।

মনে হচ্ছে কত ক্ষতি করে ফেলেছি। পারিবারিক সহিংসতা বেড়েছে, এ ধরনের নারী নির্যাতন প্রায়ই হচ্ছে। এর জন্য সবার উচিত সন্তানদের প্রতি নজর দেওয়া। ছেলে মেয়েরা কী করছে, তা খেয়াল করা। এখন সবকিছু সরকারের কাঁধে দিয়েই সবার দায়িত্ব যেন শেষ হয়ে যায়। বেডরুমে কিছু হলেও সরকারের দোষ।

দেশে এত ধনী আছে কেউ ১০ পয়সা দিয়ে সাহায্য করবে না, পাশে দাঁড়াবে কেবল সরকারের তহবিলের প্রতি নির্ভরশীল হবে আর কিছু হলে সরকার কে গালি দিয়ে কর্তব্য শেষ।

রাজনীতিবিদদের এত দোষ কিন্তু সাহায্যের হাত রাজনীতিবিদরাই বাড়ায় সব সময়। আমার ২১ দিনের বাচ্চা রেখে বেদম মেরে জেলখানায় পাঠায় তখন ধিক্কার জানানোর জন্য কেবল আওয়ামী লীগকেই পাই আর সুশীল সমাজ নাক ডেকে ঘুমান।

সাবেক ছাত্রলীগ নেতা, যে ছাত্রলীগ করে না, তার দোষ ছাত্রলীগকেই নিতে হবে অথচ তাঁরাই খাদিজাকে রক্ত দেয়, তাঁরাই গণধোলাই দিয়ে পুলিশে দেয়। ইমরানের কথা শুধু আমরাই বলবো। সুশীলদের মানা, কারণ ও যে ছাত্রলীগ। শেখ হাসিনা দেশরত্ন আর উনার দল ব্যতীত কাউকে খাদিজার পাশে দেখা যাবে না, এটাই সত্যি।

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

‍‘আগামী দিনে উন্নত বাংলাদেশ গড়বে এদেশের মেধাবী সন্তানেরা’

আমাদের মেধাবী সন্তানেরা আগামী দিনে বাংলাদেশ কে মধ্যম আয়ের দেশ থেকে উন্নত বাংলাদেশে এগিয়ে নিয়ে …

Mountain View

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *