ঢাকা : ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬, বৃহস্পতিবার, ৮:০৫ পূর্বাহ্ণ
সর্বশেষ
ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি কার্যক্রম বন্ধে আইনি নোটিশ ‘রোহিঙ্গাদের অবারিত আসার সুযোগ দিতে পারি না’প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে ২১ হাজার রোহিঙ্গা মুসলিম দেশে এইচআইভি আক্রান্ত ৪ হাজার ৭২১ জন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানাজায় লাখো মানুষের ঢল,শেষ শ্রদ্ধায় শাকিলের দাফন সম্পন্ন ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপে ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ৯৭ সংসদে রোহিঙ্গা ইস্যুতে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী বগুড়ায় জাতীয় বিদ্যুৎ ও জ্বালানী সপ্তাহ ২০১৬ উদ্বোধন ও র‌্যালী অনুষ্ঠিত অভিনয়েই নয় এবার শিক্ষার দিক দিয়েও সেরা মিথিলা শিশুদের ওজনের ১০ শতাংশের বেশি ভারী স্কুলব্যাগ নয়
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

জেনেনিন বাংলাদেশ-ইংল্যান্ডের শক্তি ও দুর্বলতা

e5759c6cf6f0347375f62907cd904268x479x249x26

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শুরু হচ্ছে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। বাংলাদেশের জন্য এই সিরিজটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই সিরিজে কেম করবে বাংলাদেশ। কেমনই বা করবে ইংল্যান্ড। দু’দলের শক্তি এবং দুর্বলতার জায়গা কোনগুলো। সেসব নিয়েই এই বিশ্লেষণ।

বাংলাদেশের শক্তি

১.  হোম কন্ডিশন : ঘরের মাঠে খেলা। হোম কন্ডিশনে টানা ৬টি সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ। হারিয়েছে ভারত, পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকার মত দলকে। ঘরের মাঠে বাংলাদেশ এখন অপ্রতিরোধ্য। গ্যালারির দর্শকরাও বাংলাদেশ দলের একটা বড় শক্তি।

২.  তামিম-ইমরুল-মাহমুদউল্লাহ-শফিউল: ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সব সময়ই বাংলাদেশের হয়ে সেরা পারফরমার তামিম ইকবাল, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, ইমরুল কায়েস এবং শফিউল ইসলাম। ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই সেঞ্চুরি রয়েছে তামিম এবং মাহমুদউল্লাহর। গত বিশ্বকাপে মাহমুদউল্লাহর ব্যাটেই হেরেছিলো ইংল্যান্ড। ইমরুল সব সময়ই বিগ ইনিংস খেলেন ইংল্যান্ডকে পেলে। শফিউলও সেরা পারফরমার। এবারও রয়েছেন ইংল্যান্ড সিরিজে।

৩.  স্পিন : ঘরের মাঠে বাংলাদেশ সব সময়ই ছিল স্পিন নির্ভর দল। মাঝে পেস নির্ভর হলেও আফগানিস্তান সিরিজে আবার স্পিনে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছে। ইংলিশরা বরাবরই স্পিনে দুর্বল। তাদেরকে ঘায়েল করতে হলে স্পিনই কাজে লাগাতে হবে। তারওপর এখানকার উইকেট পেস বান্ধব না হওয়ার কারণে স্পিনাররাই হতে পারেন তুরুপের তাস।

বাংলাদেশের দুর্বলতা

১.   টপ অর্ডার : বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় চিন্তার নাম এখন টপ অর্ডার। আফগানিস্তানের বিপক্ষে তামিমছাড়া টপ অর্ডারে অন্যদের বেশ হাস-ফাঁস করতে হয়েছে। সৌম্য একেবারে অফ ফর্মে। তিন নম্বরে তিন ম্যাচে খেলেছেন তিনজন। যদিও শেষ ম্যাচে এসে সাব্বিরকে তিনে এসে কিছুটা সফল টিম বাংলাদেশ। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এই ধারাবাহিকতা থাকবে কি না সেটাই চিন্তার বিষয়।

২.   শেষ ১০ ওভার : শেষ ১০ ওভারেই বার বার পিছিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। যে স্কোরটা হওয়ার কথা ৩০০’র কাছাকাছি কিংবা ৩০০ প্লাস, সেই স্কোর আড়াইশও পার হতে কষ্ট হচ্ছে শেষ ১০ ওভারে ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায়। দ্রুত উইকেট হারাতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। দেখা গেলো শেষ ১০ ওভারেই হারাচ্ছে ৬ থেকে ৭টি উইকেট। রান উঠছে খুব কম।

 

৩.   মুশফিকের অফ ফর্ম : ২০১৫ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাহমুদউল্লাহ সেঞ্চুরি করলেও, দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন মুশফিকুর রহীমও। ৮৯ রান করেছিলেন তিনি। দারুন জুটি গড়েছিলেন মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে। সেই মুশফিক এবার পুরোপুরি অফফর্মে। একে তো তার ব্যাটে রান নেই, তারওপর গ্লাভস হাতেও সেরা কিপিং করতে পারছেন না। মিডল অর্ডারে মুশফিক দাঁড়াতে না পারলে বাংলাদেশের ইনিংসই যে বড় হতে পারে না!

 

বাংলাদেশ স্কোয়াড

মাশরাফি বিন মর্তুজা, তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, ইমরুল কায়েস, সাব্বির রহমান, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, মুশফিকুর রহীম, সাকিব আল হাসান, মেসোদ্দেক সৈকত, নাসির হোসেন, মোশাররফ রুবেল, তাসকিন আহমেদ, শফিউল ইসলাম ও আল-আমিন হোসেন।

ইংল্যান্ডের শক্তি

১.  ফর্মে ব্যাটসম্যানরা : সদ্য সমাপ্ত ঘরের মাঠে পাকিস্তান সিরিজে দুর্দান্ত পারফর্ম করেছে ইংল্যান্ড। ওয়ানডে ক্রিকেটে সর্বোচ্চ দলীয় স্কোরের রেকর্ডও গড়েছে তারা। যদিও সেই স্কোরের কারিগর আলেক্স হেলস বাংলাদেশে আসেননি। ইয়ন মরগ্যানও নেই, জো রুটও নেই। তবে জস বাটলার, মঈন আলি, জেসন রয় কিংবা জনি ব্যারেস্টরা আছেন দারুণ ফর্মে। ফতুল্লায় প্রস্তুতি ম্যাচে সেটার প্রমাণও দিয়েছেন তারা।

 

২.  ধারাবাহিকতা : ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল অসাধারণ পেশাদার এবং দারুণ ধারাবাহিক একটি দল। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ওয়ানডে সিরিজ হার ছাড়া গত কয়েকটি সিরিজে দারুণ পারফরম্যান্স করে আসছে ইংলিশরা। সর্বশেষ শ্রীলংকাকে ৩-০ এবং পাকিস্তানকে হারিয়েছে ৪-১ ব্যবধানে। তার ওপর বেশ পেশাদার ক্রিকেট দল ইংল্যান্ড। যারা, শেষ বল পর্যন্ত লড়াই থেকে সরে দাঁড়ায় না।

 

৩.  স্পিন : উপমহাদেশের উইকেটে কিভাবে স্পিন দিয়ে সাফল্য তুলে আনা যায় সেটা সম্ভবত রপ্ত করে নিয়েছে ইংলিশরা। আদিল রশিদ আর মঈন আলির স্পিন এখন বিশ্বমানের। যে কোন দলের ব্যাটিং লাইনআপে ধ্বস নামানোর আসল কাজটা করতে ওস্তাদ তারা। বাংলাদেশেও আদিল রশিদ আর মঈন আলি হয়ে উঠতে পারেন ইংলিশদের তুরুপের তাস।

 ইংল্যান্ডের দুর্বলতা

 ১.  হেলস-রুটের অভাব : ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলে নিঃসন্দেহে সেরা দুই ব্যাটসম্যান হচ্ছেন আলেক্স হেলস আর জো রুট। ইয়ন মরগ্যানও দারুণ ব্যাটসম্যান। অথচ বাংলাদেশ সফরে তাদেরকে ছাড়াই আসতে হয়েছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলকে। নিরাপত্তার অজুহাতে আসেননি মরগ্যান আর হেলস। জো রুটকে বিশ্রাম দিয়েছে ইংলিশ টিম ম্যানেজমেন্ট।

২. স্পিনে দুর্বলতা : উপমহাদেশের মাটিতে সবসময়ই ইংলিশ ব্যাটসম্যানদের সবচেয়ে বড় দুর্বলতার নাম স্পিন। এখানকার স্লো এবং লো উইকেটে ইংলিশ ব্যাটসম্যানরা সেটই হতে পারে। শুধু বাংলাদেশই নয়, ভারতেও স্পিনিং ট্র্যাকে তাদের বড় দুর্বলতা ব্যাটিং নিয়ে। এ কারণেই দেখা গেছে, বাংলাদেশে এসে স্পি

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

বিরল এক রেকর্ড গড়লেন সাকিব

স্পোর্টস ডেস্ক: বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাট টি-টোয়েন্টিতে আরও একটি বিরল রেকর্ডে …

Mountain View

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *