ঢাকা : ১৭ জানুয়ারি, ২০১৭, মঙ্গলবার, ৩:৫০ পূর্বাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

কাজ দ্রুত শেষ করুন,লাল ফিতার দৌরাত্ম্য থেকে মুক্তি পেতে চাই

shajahan

কর্ণফুলী নদীর বিষয়ে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় হাতে পেলে নদীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে নদী খনন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান। পূর্ণাঙ্গ রায় হাতে পাওয়ার আগ পর্যন্ত নতুন করে দখল রোধ করতে বন্দর কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেন তিনি।

আজ(শুক্রবার) দেশের গুরুত্বপূর্ণ নদ-নদীর নাব্যতা  এবং নদীর গতি স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ অব্যাহত রাখা সংক্রান্ত টাস্কফোর্সের সাইট ইভেন্ট সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

বিকেল চারটায় বন্দর প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় অন্যদের মধ্যে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, সাংসদ এম এ লতিফ, বিভাগীয় কমিশনার রুহল আমিন, পুলিশের ডিআইজি শফিকুল ইসলাম, বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম খালেদ ইকবাল, জেলা প্রশাসক সামসুল আরেফিন, পুলিশ সুপার নুরে আলম মিনা, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) দেবদাস ভট্টাচার্যসহ বিভিন্ন পর্ষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় কর্ণফুলী নদীর দূষণ ঠেকাতে এখন পর্যন্ত সুয়ারেজ বাস্তবায়নেরে বিষয়ে মাস্টারপ্লান এখনও তৈরি না হওয়ায়দুই মন্ত্রী ও সিটি মেয়রের তোপের মুখে পড়েন চট্টগ্রাম ওয়াসার এক কর্মকর্তা।

এ বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে নৌমন্ত্রী চট্টগ্রামে এখনও সুয়ারেজ না থাকা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন।সভায় উপস্থিত চট্টগ্রাম ওয়াসার কর্মকর্তার কাছে তিনি এ বিষয়ে জানতে চান।

মন্ত্রীর প্রশ্নের জবাবে ওয়াসা কর্মকর্তা বলেন, সুয়ারেজ ব্যবস্থাপনা নিয়ে একটি মহাপরিকল্পনা (ডিটেইল মাস্টারপ্ল্যান) তৈরির কাজ করছি আমরা। আমরা আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যে এই পরিকল্পানাটি তৈরি করতে পারবো।

তার এই বক্তব্যের পর পরেই সিটি মেয়র বলেন, আপনারা (ওয়াসা কর্তৃপক্ষ) প্রথমে বলেছিলেন এ বছরের অগাস্টের মধ্যে পরিকল্পনা তৈরি হবে, পরে বলেছিলেন অক্টোবরের মধ্যে। এখন আবার বলছেন আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যে।

একই বিষয়ে ফ্লোর নিয়ে গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেন, মাস্টারপ্ল্যান হচ্ছে বললে হবে না। দ্রুত বাস্তবায়ন করেন।

এর পর পরেই সভার সভাপতি নৌ মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা লাল ফিতার দৌরাত্ম্য থেকে মুক্তি পেতে চাই। দ্রুত করুন।’

কর্ণফুলী নদীর বিষয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘কর্ণফুলী নদীর পাড়ে এখনও আমরা হাঁটতে পারি। কোনো গন্ধ আসে না। কিন্তু ঢাকার বালি কিংবা বহ্মপুত্র নদীর পাড়ে হাঁটা যায় না দুগন্ধের কারণে। সেদিক দিয়ে আমাদের কর্ণফুলী নদী এখনও অনেক ভালো আছে, কারণ এটি জোয়ার-ভাটাপ্রবণ নদী। তাই এ নদীকে রক্ষা করতে দূষণ রোধ ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে হবে।’

সিটি মেয়র বলেন, নদী রক্ষার বিষয়ে জেলা প্রশাসন যে ব্যবস্থা নেবে তার প্রতি আমার পূর্ণ সহযোগীতা থাকবে।

সাংসদ এমএ লতিফ তার বক্তব্যে বলেন, কর্ণফুলী নদী যে অবস্থায় ছিরো সে অবস্থায় নদীকে ফিরিয়ে দিতে আমরাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

এ সম্পর্কিত আরও

Best free WordPress theme

কম খরচে আপনার বিজ্ঞাপণ দিন। প্রতিদিন ১ লাখ ভিজিটর। মাত্র ২০০০* টাকা থেকে শুরু। কল 016873284356

Check Also

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি প্রমাণিত

নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের ম‍ামলার রায়ের মধ্য দিয়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি প্রমাণিত …