ঢাকা : ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬, বৃহস্পতিবার, ২:১০ অপরাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

পিরোজপুরে এবার ৪৫৭টি মণ্ডপে চলছে শারদীয় দুর্গোৎসব

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা সমাগত। দুর্গাপূজা উপলক্ষে পিরোজপুর জেলায় হিন্দু ধর্মাবলম্বী সকল মানুষের মধ্যে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। সদর উপজেলাসহ জেলার ৭টি উপজেলায় পূজামণ্ডপগুলোতে চলছে দেবীমূর্তি তৈরিসহ ব্যাপক প্রস্তুতি। তাই আসন্ন দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে ব্যস্ত সময় পার করছেন পার্শ্ববর্তী জেলাগুলো থেকে আগত ও স্থানীয় প্রতিমাশিল্পীরা। full_351999331_1475840712
শুক্রবার ৭ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মধ্যদিয়ে শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু হয়। ১১ অক্টোবর দশমী তিথিতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যদিয়ে শেষ হবে শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসব। এবার পিরোজপুর জেলায় ৪৫৭টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ বছর সবচেয়ে বেশি পূজামণ্ডপ হবে জেলার নাজিরপুর উপজেলায়। এখানে মণ্ডপের সংখ্যা ১১৩টি। এছাড়া পিরোজপুর সদর উপজেলায় ৬০টি, মঠবাড়িয়ায় ৭৭টি, ভান্ডারিয়ায় ৪৪টি, কাউখালীতে ৩৪টি ও স্বরুপকাঠী উপজেলায় ১০৫টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, জেলা সদরসহ উপজেলার শহর-গ্রামে প্রতিমা তৈরি ও পূজার ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। প্রতিমা নির্মাণ এখন শেষ, এখন চলছে দুর্গা প্রতিমায় রং-তুলির আঁচড়।

জেলার বেশ কয়েকটি মণ্ডপের প্রতিমাশিল্পীরা জানান, প্রতিমা তৈরিতে ব্যবসার কথা না ভেবে সবাই মনের মাধুরী মিশিয়েই প্রতিমাগুলো প্রস্তুত করার দিকে নজর দিচ্ছেন বেশি। কার চেয়ে কার প্রতিমা বেশি সুন্দর হবে এটাই এখন তাদের দেখার বিষয়। যাতে করে আগামীতে আরও বেশী অর্ডার পাওয়া যায়।

আগামী ৫ অক্টোবর প্রতিমা তৈরি ও পূজা মণ্ডপগুলোর সাজসজ্জার কাজ শেষ হবে। আর মন্দিরের পর্দা উঠবে ৬ অক্টোবর পঞ্চমী তিথিতে বোধন পূজার মাধ্যমে। আর সে কারণে মন্দিরগুলোয় চলছে ধোয়ামোছা ও সাজসজ্জার কাজ। পিরোজপুর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সমীর কুমার দাস জানান, জেলার কোথাও কোন রকম অপ্রীতিকর ঘটনার সম্ভাবনা নেই।

তিনি বলেন, তারপরও পুলিশ প্রশাসনের সাথে আমাদের নিজেদের কর্মীরা সার্বক্ষণিক পূজা মন্ডপগুলো দেখভাল করবে।

এদিকে পিরোজপুর জেলায় সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা উদযাপনে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নেয়া হচ্ছে ব্যাপক প্রস্তুতি। আইন-শৃঙ্খলাসহ নিরাপত্তা রক্ষায় বিভিন্ন এলাকায় তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখছে প্রশাসন। র‌্যাব, পুলিশ, আনসার বাহিনীর সদস্যরা ছাড়াও সার্বক্ষণিক সাদা পোশাকে নিরাপত্তায় নিয়োজিত সদস্যরা টহলে ছিল।

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

বান্দরবানে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’প্লাস ক্যাম্পইন ২০১৬ উপলক্ষে সাংবাদিক ওরিয়েন্টশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত

বি.কে বিচিত্র। বান্দরবান প্রতিনিধিঃ বান্দরবানে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’প্লাস ক্যাম্পইন ১০ ডিসেম্বর ২০১৬ উপলক্ষে বান্দরবান স্বাস্থ্য বিভাগের …

Mountain View

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *