ঢাকা : ৭ ডিসেম্বর, ২০১৬, বুধবার, ১২:০২ পূর্বাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

খাদিজার বেঁচে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়েছে

2ccf2ca939fac9bd666dcc9d2065776d-16

সিলেটে ছাত্রলীগ নেতার চাপাতির কোপে আহত খাদিজা বেগম নার্গিসের বেঁচে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়েছে। গত সোমবার থেকে অচেতন খাদিজা ব্যথা পেলে সাড়া দিচ্ছেন। এটি জ্ঞান ফিরে আসার লক্ষণ।

আজ শনিবার দুপুরে স্কয়ার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ কথা জানিয়েছে। স্কয়ার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ খাদিজা বেগমের শারীরিক অবস্থার সবশেষ খবর জানাতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

সংবাদ সম্মেলনে হাসপাতালের উপপরিচালক এবং ইন্টারনাল মেডিসিন ও ক্রিটিক্যাল কেয়ার বিভাগের পরামর্শক মির্জা নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘খাদিজা বেগম যখন স্কয়ার হাসপাতালে আসেন, তখন তিনি অচেতন ছিলেন। তাঁকে বাঁচিয়ে রাখাটা ছিল আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আজ ৯৬ ঘণ্টা পর এসে আমরা বলছি, খাদিজা বেগমের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বেড়েছে। আপনারা তাঁর জন্য দোয়া করুন।’ তিনি আরও বলেন, তবে খাদিজার জ্ঞান পুরোপুরি ফিরে আসতে কয়েক সপ্তাহ বা মাসও লেগে যেতে পারে। বেঁচে থাকলেও তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ-স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারবেন কি না, তা শিগগিরই জানা যাবে না।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন স্কয়ার হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের পরামর্শক রেজাউস সাত্তার। তিনি বলেন, ‘গতকাল (শুক্রবার) আমরা ঘুমের ওষুধের মাত্রা কমিয়ে দিয়েছিলাম। এরপর তাঁকে ডান হাত ও ডান পা কিছুটা নাড়তে দেখেছি। তিনি ব্যথা পেলে সাড়া দিচ্ছেন। তিনি এখনো ভেন্টিলেশনে আছেন। মস্তিষ্কে চাপ কমানোর জন্য তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে।’

চিকিৎসকেরা বলেন, মস্তিষ্ক কতটুকু কাজ করছে, সেটি বোঝার জন্য গ্লাসগো কোমা স্কেল ব্যবহার করা হয়। আগে খাদিজার স্কোর ছিল ১৫–তে ৬। অবস্থার উন্নতি হয়ে সেটি এখন ১০–এ ৬ হয়েছে। চোখ মেলা, ডাকে সাড়া দেওয়া ও স্পর্শ করলে বা ব্যথা পেলে সাড়া দেওয়া—এই তিন নির্ণায়কের ভিত্তিতে স্কোর নির্ধারণ করা হয়। খাদিজা এখনো চোখ মেলে তাকাননি, ডাকে সাড়া দেননি। তবে ব্যথায় সাড়া দিচ্ছেন। চিকিৎসকেরা এই লক্ষণকে অগ্রগতি বলে দেখছেন।

রেজাউস সাত্তার বলেন, এমন আঘাতের পর রোগী খুব দ্রুত উঠে বসবেন বা কথা বলবেন এমনটা আশা করা যায় না। তবে খাদিজার বয়স ১৯ বছর। ফলে তাঁর সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

এ সময় স্কয়ার হাসপাতালের চিকিৎসকেরা সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজের চিকিৎসকদের প্রশংসা করেন।

রেজাউস সাত্তার বলেন, ‘এ ধরনের আঘাতের চার ঘণ্টার মধ্যে চিকিৎসা শুরু করা প্রয়োজন। এ সময়টিকে বলা হয় গোল্ডেন ফোর আওয়ারস। আরও আগে খাদিজার চিকিৎসা শুরু হলে হয়তো আরও ভালো হতো। সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজে চিকিৎসা হয়েছিল। ফলে ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা পর সিলেট থেকে খাদিজা স্কয়ার হাসপাতালে এসে পৌঁছালেও আমরা অস্ত্রোপচারের ৯৬ ঘণ্টা পর বলতে পারছি খাদিজা বেঁচে আছেন।’

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

tmp_11418-tarana-halim256271885

বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনে বাংলাদেশের সহায়তা চেয়েছে মালয়েশিয়া

বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনে বাংলাদেশের কাছে সহায়তা চেয়েছে পূর্ব এশিয়ান দেশ মালয়েশিয়া। আজ (মঙ্গলবার) ৬ …

Mountain View

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *