ঢাকা : ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬, মঙ্গলবার, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

পাকিস্তানের নতুন হুমকি

55d1ecc3c7c05পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রদেশ বেলুচিস্তান নিয়ে ভারত নাক গলানো বন্ধ না করলে এবার খলিস্তান, উত্তর-পূর্ব এবং মাওবাদী ইস্যু নিয়ে মুখ খুলবে পাকিস্তান। জঙ্গি মদদ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রশ্নে মার্কিন চাপের মুখে এমন হুমকি দিল ইসলামাবাদ।

পরিস্থিতি এমনই যে, কাশ্মীর সমস্যায় আমেরিকার সমর্থন আদায়ের জন্য বিশেষ দুই দূত মুশাহিদ হুসেন সাঈদ এবং শেজরা মনসবকে ওয়াশিংটনে পাঠিয়েছে পাকিস্তান। উদ্দেশ্য, কাশ্মীর ইস্যুতে মার্কিনিদের সমর্থন নিয়ে ভারতকে উল্টো চাপে রাখা।

 

কাশ্মীর সমস্যা সমাধানে আমেরিকা হস্তক্ষেপ না করলে আফগানিস্তানে শান্তি ফেরানোর উদ্যোগে আমেরিকা ও ভারতের সঙ্গে হাত মেলাবে না পাকিস্তান। সে ক্ষেত্রে চীন-রাশিয়া-ইরানের মিলিত শিবিরে যোগ দেওয়া ছাড়া তাদের কোন বিকল্প পথ খোলা থাকবে না। ওয়াশিংটনে পৌঁছে এমনই পাল্টা চাপ দেওয়ার চেষ্টা করেন দুই পাকিস্তান দূত। বৃহস্পতিবার স্টিমসন সেন্টারের এক সমাবেশে সাঈদ বলেন, ‘কাবুলে শান্তি স্থাপনের রাস্তা কাশ্মীরের ওপর দিয়ে গেছে। অর্থাত্‍ শান্তি নিয়ে কথা বলতে চাইলে তা সীমাবদ্ধ করা উচিত নয়। আপনারা কাবুলে শান্তি স্থাপন করে কাশ্মীরের আগুন নজর করছেন না। এই নীতি আমরা মেনে নেব না।’

পাকিস্তান পরমাণু চুক্তি সম্পর্কে বলতে গিয়ে শেজরা মনসবও বলেন, ‘এবার আমাদের আলোচনার প্রধান বিষয় কাশ্মীর। ওই সমস্যার সমাধান এড়িয়ে গিয়ে শান্তি নিয়ে কথা বলা অর্থহীন। ভারত ও পাকিস্তান উভয়েই যেহেতু দুই পরমাণু শক্তিধর প্রতিবেশী, তাই কাশ্মীরে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত জরুরি।’

আমেরিকার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য পাকিস্তানের হুমকি, অনুনয় এবং তর্কের জবাবে স্টিমসন সেন্টারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা তথা দক্ষিণ এশিয়া বিশারদ মাইকেল ক্রেপন প্রশ্ন করেন, ‘সিরিয়া সমস্যা নিয়ে ইচ্ছে থাকলেও যেখানে আমেরিকার জড়িয়ে পড়তে ব্যর্থ, সেখানে কাশ্মীরের কাজিয়া নিয়ে কেন সময় নষ্ট করবে ওয়াশিংটন?’

জবাবে মিনমিন করে সাঈদ জানান, ‘ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক কাজে লাগিয়ে কাশ্মীরে শান্তি স্থাপনের ব্যাপারে আমেরিকা যাতে চাপ দেয়, আমরা সেই অনুরোধ জানাচ্ছি। উপত্যকায় জাতিসংঘ নির্দেশিত মানবাধিকার সীমা রক্ষা করা হচ্ছে কি না, তা দেখার অনুরোধ জানাচ্ছি।’

প্রসঙ্গত, গত বুধবার গিলগিট-বেলুচিস্তানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রশ্নে পাকিস্তান দূতেদের রীতিমতো আক্রমণ করেন আমেরিকা প্রবাসী পাকিস্তান বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। বেলুচিস্তান ও পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে পাকিস্তান মানবাধিকার নীতির কী নমুনা দেখা যাচ্ছে, সেই প্রশ্নে তাদের চেপে ধরা হয়। বলা হয়, তুলনায় কাশ্মীরের অবস্থা অনেক ভালো।

কোণঠাসা সাঈদ বৃহস্পতিবার মরিয়া হয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বেলুচিস্তান ইস্যুতে উস্কানি দেওয়ার প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি জানান, এমন চলতে থাকলে বাধ্য হয়ে ভারতের খলিস্তান, ত্রিপুরা, নাগাল্যান্ড, অসম, সিকিম অথবা মাওবাদী সমস্যা নিয়ে পাকিস্তানও মুখ খুলতে শুরু করবে। একই সঙ্গে জুড়ে দেন, ‘আমরা তা করছি না কারণ তাহলে প্রতিবেশী দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলানো হবে। কিন্তু ভারত তো খেলার নিয়মই পাল্টে দিতে চাইছে! তবে ইটের বদলে পাটকেল তো ছুঁড়তে হবেই।’ বিডি-প্রতিদিন-

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

23cac260e0e06efa81849ba8495e00cfx236x157x8

মোদীকে খতমের হুঁশিয়ারি পাক নেতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সিন্ধু নদের জলবণ্টন ইস্যুতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাম্প্রতিক বক্তব্যের বিরোধিতা করে চরম …

Mountain View

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *