ঢাকা : ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬, বৃহস্পতিবার, ৮:০৯ অপরাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

ম্যাথিউর ধ্বংসযজ্ঞের পর হাইতিতে এবার ছড়িয়ে পড়ছে কলেরা

full_1089836956_1476008815

ভয়ংকর হারিকেন ম্যাথিউ-এর আঘাতে হাইতির দক্ষিণাঞ্চল কার্যত ধ্বংস হয়ে পড়ার পর সেখানে ছড়িয়ে পড়েছে কলেরা। ইতোমধ্যে কলেরা আক্রান্ত হয়ে কয়েকজনের মৃত্যর খবরও পাওয়া গেছে।

বুধবার হাইতির উপকূলে আঘাত করা ওই ঝড়ে প্রায় ৯০০ মানুষ নিহত হয়েছেন। দক্ষিণ উপকূলের কয়েকটি শহর মিশে গেছে মাটির সঙ্গে। সেখানকার ৯০ শতাংশ স্থাপনা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। কোনও কোনও এলাকায় সকল স্থাপনাই ধসে পড়েছে। এছাড়া পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাপনা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে বানের পানি, দূষিত করে তুলেছে পানীয় জলের উৎস। এ ধরনের জলোচ্ছ্বাসের পর পানিবাহিত রোগগুলো দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে দেখা যায়। আর তার জন্য বেশ অনুকূল পরিবেশ ইতোমধ্যে তৈরি হয়ে গেছে।

এই বিশাল ধ্বংসযজ্ঞের পরও ভবিষ্যত দিনগুলোতে সম্ভাব্য আরও বহু মৃত্যুর শঙ্কা নিয়ে কাটছে হাইতিবাসীর দিন। হারিকেনের পর বেশ কিছু মানুষের কলেরায় আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আক্রান্তদের মধ্যে অন্তত ১৩ জন মারা গেছেন বলে সরকারি কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন। মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

হাইতির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালইয়ের কলেরা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ম্যাথিউ পরবর্তী সময়ে অন্তত ৬২ জন ওই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। বেশকিছু অঞ্চলে নতুন করে কলেরা ছড়িয়ে পড়েছে।

২০১০ সালের ভূমিকম্পের আগে হাইতি ছিল কলেরামুক্ত। তখন থেকে এ পর্যন্ত কলেরায় আক্রান্ত হয়ে নয় হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গণস্বাস্থ্য বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংগঠন পার্টনার্স ইন হেলথের পক্ষ থেকে আশঙ্কা করা হচ্ছে, হাইতিতে কলেরা সংক্রমণ এবার বহুগুণে প্রকট হয়ে উঠতে পারে। সংস্থাটি এক প্রতিবেদনে জানায়, ২০১২ সালের হারিকেন স্যান্ডির পর হাইতিতে কলেরার যে প্রকোপ দেখা দিয়েছিল তা আজ অব্দি বজায় আছে। এক্ষেত্রে নতুন করে ম্যাথিউর আক্রমণে রোগের সংক্রমণ আরও বেড়ে যেতে পারে।

২০১০ সালে ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর থেকে যে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষীরা হাইতিতে রয়েছেন, তাদের জন্যও কলেরা হুমকি হিসেবে দেখা দিতে পারে বলে সেলেস্টিন মনে করছেন।

বন্যার পানিতে খাবার পানি দূষিত হওয়াটাই কেবল নয়, পুরো পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাটাই এতে ভেঙে পড়েছে। যা বর্ষা মৌসুমে চলনসই করাটাও সম্ভব নয়। আগামী বছরের শুরুতেই কেবল সেই কাজ শুরু করা যাবে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্থা প্যান আমেরিকান অর্গানাইজেশন। এক বিবৃতিতে সংস্থাটি এসব কথা জানিয়েছে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, রয়টার্স।

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপে ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ৯৭

ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের বান্দ আচেহ প্রদেশে আঘাত হানা ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা বাড়ছেই। সবশেষ এতে ৯৭ …

Mountain View

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *