ঢাকা : ২৩ মে, ২০১৭, মঙ্গলবার, ৯:০৭ পূর্বাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

রাশিয়া বর্জ্য নিয়ে যাবে বলেই এই শর্তেই চুক্তি হয়েছে

ruppur-bg20161008163232

দেশের মেগা প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব রাশিয়ার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রকল্পের বর্জ্য নিয়ে যাওয়ার শর্তেই রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি হয়েছে বলেও জানান তিনি।আজ (সোমবার) ১০ অক্টোবর মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

বৈঠক শেষে একাধিক মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে। সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বৈঠকে আলোচনা প্রসঙ্গে রাশিয়ার সহযোগিতা ও তত্ত্বাবধানে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে কথা ওঠে। বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ রূপপুরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্টের কথা উল্লেখ করে প্রসঙ্গটি বৈঠকে তোলেন।

সূত্র আরও জানায়, এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের বিষয়ে রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনার শুরুতেই এর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে আমাদের কথা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমি পরিষ্কারভাবে তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। তাদের আমি স্পষ্টভাবে বলেছি বর্জ্য নিয়ে যেতে হবে।

আমি বলেছি, যেহেতু আমাদের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বিষয়ে কোনো অভিজ্ঞতা নেই, তাই বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব আমরা নিতে পারবো না। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব রাশিয়াকে নিতে হবে। এই বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব তারা নিয়েছে। প্রকল্পের বর্জ্য রাশিয়া নিয়ে যাবে সেই অনুযায়ীই চুক্তি হয়েছে। তবে বর্জ্য পরিবহনের খরচ আমরা দিয়ে দেবো।

আলোচনায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমানসহ মন্ত্রিসভার সিনিয়র সদস্যরাও অংশ নেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী রাশিয়ার সঙ্গে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের চুক্তির বিষয়গুলো বৈঠকে তুলে ধরেন।

পারমাণকি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ, নির্মাণ ব্যয়, নির্মাণের পর প্রকল্পের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও পরিচালনার সার্বিক তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে থাকবে রাশিয়া। এই প্রকল্পের আয়ুষ্কাল পর্যন্ত রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীল থাকতে হবে বলে সংবাদপত্রে প্রকাশিত রিপোর্টের বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে।

সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিষয়টি সম্পর্কে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রস্তাব তোলা হয়েছিলো। তখন একমাত্র রাশিয়া বাংলাদেশের পক্ষ নিয়ে ওই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভেটো দিয়েছিলো। রাশিয়া তখন বাংলাদেশের পক্ষ নেওয়ায় আমাদের ভালো লেগেছিলো।

এখন একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীল হওয়া ভালো লাগছে না! এ নিয়ে সমালোচনা হয়। তাও হয় একজন সাবেক রাশিয়াপন্থির পত্রিকায়।

রাশিয়ার অর্থায়ন, প্রযুক্তি এবং সার্বিক তত্ত্বাবধানে পাবনার রূপপুরে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই প্রকল্পের ব্যয়ের ৯০ ভাগ অর্থ ঋণ দেবে রাশিয়া। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ২৪শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে।

এ সম্পর্কিত আরও

Best free WordPress theme

Check Also

সন্ধ্যা বেলায় কোন ধরনের কার্য গুলো নিষিদ্ধ ?

কয়েক দশক আগেও, হিন্দু পরিবার গুলোতে প্রবীণরা সন্ধ্যার নেতিবাচক প্রভাবের ব্যাপারে সচেতন ছিলেন। শাস্ত্র অনুযায়ী …

আপনার-মন্তব্য