ঢাকা : ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬, বৃহস্পতিবার, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

এক ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা

813c527fe2fb0474aefa37d1b98f8971-jessor

যশোর সদর উপজেলার চূড়ামনকাঠি এলাকায় এজাজ হোসেন (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে মাথায় গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। আজ সোমবার সকাল আটটার দিকে চূড়ামনকাঠি মল্লিকপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত এজাজ সদর উপজেলার ঝাউদিয়া গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, পূর্ববিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের লোকজন এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশের ভাষ্যমতে, এজাজ ও তাঁর সহযোগী আন্তাজ আলী মোল্লা একটি মোটরসাইকেলে করে চূড়ামনকাঠি বাজার থেকে বাড়িতে ফিরছিলেন। তাঁরা মল্লিকপাড়া এলাকায় পৌঁছালে অপর একটি মোটরসাইকেলে করে দুজন লোক খুব কাছাকাছি এসে এজাজের মাথায় গুলি করে পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন এজাজকে উদ্ধার করে রক্তাক্ত অবস্থায় যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, এজাজের মাথার পেছনের দিকে গভীর ক্ষত রয়েছে।

হত্যাকাণ্ডের সময় এজাজ হোসেনের সঙ্গে থাকা আন্তাজ আলী প্রথম আলোকে বলেন, খেতের মুলা বিক্রি করতে তাঁরা সকালে চূড়ামনকাঠি বাজারে যান। বিক্রি শেষে মোটরসাইকেলে করে দুজন বাড়িতে ফিরছিলেন। মল্লিকপাড়া এলাকায় পৌঁছালে অন্য একটি মোটরসাইকেল তাঁদের মোটরসাইকেলের পাশে এসে গতি কমিয়ে দেয়। ওই মোটরসাইকেলে হেলমেটপরা অবস্থায় দুজন লোক ছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেলের পেছনে থাকা ব্যক্তি এজাজের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি করে পালিয়ে যান। এ সময় তাঁরা দুজনেই পড়ে যান। পরে তিনি তাঁর কাছে থাকা গামছা দিয়ে এজাজের মাথা জড়িয়ে দেন। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় এজাজকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

এজাজের ভাই বাদল হোসেন মর্গের সামনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘যে মোটরসাইকেল থেকে গুলি করা হয়েছে ওই মোটরসাইকেলের দুজন হলেন ঝাউদিয়া গ্রামের মেহের ও সবুজ। মেহের মোটরসাইকেলটি চালাচ্ছিল আর সবুজ গুলি করে। আমরা অনেকে এ ঘটনা দেখেছি।’

বাদল হোসেন আরও অভিযোগ করেন, ‘বছর দেড়েক আগে ওই সবুজসহ কয়েকজন আমার বড় ভাই শহিদুল ইসলামকে স্থানীয় গ্যাড়াদাহের বিলে কুপিয়ে হত্যা করে। সবুজকে প্রধান করে মোট ১১ জনকে আসামি করে আদালতে মামলা করা হয়। কিন্তু পুলিশ সবুজকে আজও গ্রেপ্তার করেনি। মূলত গ্যাড়াদাহের বিলের দখল নিয়ে শহিদুল ভাইয়ের সঙ্গে সবুজদের দ্বন্দ্ব ছিল। ভাইকে হত্যা করে ওরা বিলের দখল নিয়েছে। সেই থেকে আমাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছে।’

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াস হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রতিপক্ষের লোকজন গুলি করে এজাজ হোসেনকে হত্যা করেছে বলে শোনা গেছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

ঠাকুরগাঁওয়ে নারীদের প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে মানববন্ধন

এস. এম. মনিরুজ্জামান মিলন, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ বিশ্ব জনসংখ্যার অর্ধেকই নারী, নারীরা অর্ধাঙ্গিনী। বর্তমান প্রেক্ষাপটে শিশুদের …

Mountain View

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *