ঢাকা : ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬, বৃহস্পতিবার, ৪:২৯ পূর্বাহ্ণ
সর্বশেষ
ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি কার্যক্রম বন্ধে আইনি নোটিশ ‘রোহিঙ্গাদের অবারিত আসার সুযোগ দিতে পারি না’প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে ২১ হাজার রোহিঙ্গা মুসলিম দেশে এইচআইভি আক্রান্ত ৪ হাজার ৭২১ জন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানাজায় লাখো মানুষের ঢল,শেষ শ্রদ্ধায় শাকিলের দাফন সম্পন্ন ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপে ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ৯৭ সংসদে রোহিঙ্গা ইস্যুতে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী বগুড়ায় জাতীয় বিদ্যুৎ ও জ্বালানী সপ্তাহ ২০১৬ উদ্বোধন ও র‌্যালী অনুষ্ঠিত অভিনয়েই নয় এবার শিক্ষার দিক দিয়েও সেরা মিথিলা শিশুদের ওজনের ১০ শতাংশের বেশি ভারী স্কুলব্যাগ নয়
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

যশোরে আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি করে হত্যা

jessore-md20161010114544যশোরে বাওড় নিয়ে বিরোধের জের ধরে এক আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি করে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। সোমবার সকালে ছাতিয়ানতলা মল্লিকপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত এজাজ আহমেদ (৪৫) যশোর সদর উপজেলার ঝাউদিয়া গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এজাজ সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি বাজার থেকে মোটরসাইকেলযোগে ঝাউদিয়ায় ফিরছিলেন। পথিমধ্যে ছাতিয়ানতলা মল্লিকপাড়া এলাকায় দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়।

পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক আব্দুর রশিদ তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ডা. আব্দুর রশিদ জানান, মাথার পেছনের দিকে গুলিবিদ্ধ হওয়ায় হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য নিহত এজাজের লাশ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিহত এজাজের চাচাতো ভাই রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, গেড়াদিয়া-শালকের বাওড় ইজারা নিয়ে তারা ঘের করে মাছ চাষ করে আসছিলেন। এ নিয়ে ওই এলাকায় মোস্তফা ও তার লোকজনের সঙ্গে বিরোধ ছিল।

তিনি আরো বলেন, মোস্তফা তার লোকজন নিয়ে ওই ঘের দখলের চেষ্টা করে আসছিল। এই বিরোধের জের ধরেই এজাজকে হত্যা করা হয়েছে। এর আগে ২০১৪ সালের ১৭ নভেম্বর এজাজের বড় ভাই আওয়ামী লীগ কর্মী শহিদুল ইসলামকে (৫০) একই প্রতিপক্ষ কুপিয়ে হত্যা করে।

শহিদুল হত্যাকাণ্ডের পর এই এজাজ আহমেদ সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, গেড়াদিয়া-শালকের বাওড় নিয়ে তাদের সঙ্গে স্থানীয় আওয়ামী লীগের একটি অংশের দ্বন্দ্ব ছিল। সে সময় সবুজ, আবুল কালাম, ইকবাল হোসেন, মোস্তফা, ইউনুস আলীসহ কয়েকজন তাদের হুমকি দিয়ে বাওড় ছেড়ে দিতে বলেছিল। কিন্তু না দেয়ায় তার ভাইকে (শহিদুল) হত্যা করা হয়েছে।

এজাজ হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াছ হোসেন জানিয়েছেন, পুলিশ ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে।

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

নবাবগঞ্জে হানাদারমুক্ত দিবস পালিত

মোঃ আরিফ জাওয়াদ, দিনাজপুর, বিডি টুয়েন্টিফোর টাইমস :- ১৯৭১ সালের ৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানী হানাদারদের কবল …

Mountain View

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *