Mountain View

ইন্টারনেটের আইপি টিভি বন্ধে বিটিআরসির অযৌক্তিক নির্দেশনা

প্রকাশিতঃ অক্টোবর ১১, ২০১৬ at ১২:৩৫ পূর্বাহ্ণ

সম্প্রতি বিটিআরসির এক নির্দেশনায় আইপি টিভি বন্ধ করতে বলা হয় ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে।

এতে বলা হয়, “কিছু আইএসপি লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠান অনুমোদনবিহীন ও নিয়ম বহির্ভূতভাবে সম্পূর্ণ নিজেদের ইচ্ছায় গ্রাহক পর্যায়ে আইপি টিভি এবং ‘ভিডিও অন ডিমান্ড (ভিওডি)’ সেবা দিয়ে যাচ্ছে।

“বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০১ এবং জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা-২০১৪ অনুযায়ী আইএসপি অপারেটর কর্তৃক গ্রাহক পর্যায়ে আইপি টিভি বা সম্প্রচারসেবা অথবা ভিডিও অন ডিমান্ড সেবা দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।”

নিয়ন্ত্রক সংস্থার এই নির্দেশনার প্রতিক্রিয়ায় আইএসপি অ‌্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি এম এ হাকিম (সোমবার)  বলেন, “সরকারের শীর্ষমহলের বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের অজ্ঞাতেই বিটিআরসি এধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে আমাদের ধারণা।

“এভাবে যদি দিনে দিনে এত সেন্সর দেওয়া হয়, তাহলে ইন্টারনেট শিল্পের বিকাশ হবে কীভাবে?”আইপি টিভি রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে নেতিবাচক কোনো প্রভাব ফেলছে না দাবি করে হাকিম বলেন, “আইপিটিভিটা দেশের অর্থনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষতিও হচ্ছে না। শুধু শুধু একটা এপ্লিকেশন বন্ধ করাটা অযৌক্তিক।”

তিনি বলেন, ‘ভিডিও অন ডিম্যান্ড’ বলতে ইউটিউব, থার্ডবেল ও এধরনের ভিডিও প্রদর্শনের ওয়েবসাইটকে বোঝায়। আইপি টিভি বলতে জাগোবিডি কিংবা ইউটিউব বা অন্য কোনো মাধ্যমে টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর লাইভ স্ট্রিমিংকে বোঝায়।

বিটিআরসির নির্দেশনায় বলা হয়, কিছু আইএসপি প্রতিষ্ঠান বিটিআরসির কাছে এই সেবা দেওয়ার সুযোগ চেয়ে আবেদন করেছে আবার অনেকে আবেদন করা ছাড়াই সেবাগুলো দিয়ে যাচ্ছে।

“যেসব অপারেটর গ্রাহক পর্যায়ে এই সেবা দিচ্ছে তা অবিলম্বে বন্ধ করে বিটিআরসিকে জানাতে হবে। অন্যথায় কমিশন আইনি ব্যবস্থা নেবে,” বলা হয় চিঠিতে।

বিটিআরসির সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে চাইছেন আইএসপি ব্যবসায়ীরা।হাকিম বলেন, “আগামী বৃহস্পতিবার আমরা বিটিআরসির কাছে সময় চাইব। আশা করছি আগামী রোববার বা সোমবার তাদের সঙ্গে বসতে পারব।”

এ সম্পর্কিত আরও