ঢাকা : ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, শুক্রবার, ৭:৫৩ পূর্বাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

ফিফার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করল বাংলাদেশি নাদিম

আগামী ২০২২ সালে কাতারে হতে যাওয়া ওই ফুটবল বিশ্বকাপের বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পে কাজ করার সময় জঘন্যভাবে তার অধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ বাংলাদেশি শ্রমিক নাদিম শরীফুল আলমের।রয়টার্স জানায়, নেদারল্যান্ডসভিত্তিক সবচেয়ে বড় শ্রম ইউনিয়নের সহায়তায় নাদিম সোমবার এই মামলা করেন সুইটজারল্যান্ডের জুরিখে, যে শহরে রয়েছে ফিফার সদর দপ্তর।

জুরিখ ট্রেড কোর্টে দায়ের করা মামলার সঙ্গে এক খসড়া চিঠিতে নাদিম অভিযোগ করেছেন, কাতারে যাওয়ার পরপরই তার পাসপোর্ট নিয়ে নেওয়া হয়। একইসঙ্গে খুবই বাজে পরিবেশে দেড় বছরের চুক্তিতে কাজ করতে তাকে বাধ্য করা হয়।

সেখানে নির্মাণ উপাদান বোঝাই জাহাজ খালি করার কাজের বিনিময়ে তাকে শুধু পারিশ্রমিক হিসেবে খাবারের টাকা দেওয়া হতো; থাকার জায়গা দেওয়া হয়েছিল বড় একটি শ্রমিক ক্যাম্পে, যেখানে তিনি ছিলেন কার্যত বন্দি।এক পর্যায়ে তাকে চাকরিচ্যুত করে বিতাড়িত করা হয় অভিযোগ করে নাদিম বলছেন, এমনকি তিনি এতো অল্প আয় করেছেন, যাতে কার্যত নিয়োগ ফি বাবদ যে অর্থ তাকে দিতে হয়েছে তাই উঠে আসে না।

বিদেশি শ্রমিকদের সঙ্গে যথাযথ আচরণ না করার জন্য ইতোমধ্যেই উপসাগরীয় দেশ কাতারের সমালোচনা করেছে মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং ভবন ও কাঠ শ্রমিকদের আন্তর্জাতিক সংস্থাসহ বিভিন্ন সংগঠন।

কিন্তু ২১ বছর বয়সী নাদিমের করা মামলায় প্রথমবাবের মতো ফুটবলের আন্তর্জাতিক সংস্থা ফিফারপ্রতি অভিযোগ আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।মামলায় এই বাংলাদেশি শ্রমিক একটি চুক্তির জন্য ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রায় সাড়ে ১১ হাজার ডলার দাবি করেছেন, যার চার হাজার ডলার তিনি নিয়োগকারীদের দিয়েছিলেন।

এছাড়া অভিবাসী শ্রমিকদের নিজেদের ইচ্ছেমতো চাকরি পরিবর্তন বা কাতার ছাড়ার ন্যূনতম অধিকারসহ বিশ্বকাপ ঘিরে কাজ করা শ্রমিকদের ‘ন্যূনতম শ্রম মান’ নিশ্চিতে দেশটিকে চাপ দেওয়ার জন্য ফিফার প্রতি আহ্বান জানানো হয়।নাদিমের কাজ থেকে আইনি নোটিস পাওয়ার বিষয়টি ফিফার একজন মুখপাত্র স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

তবে অভিযোগের বিষয়ে কাতার সরকারের এক মুখপাত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেন নি বলে জানিয়ে তারা বলছে, দেশটি এর আগেও শ্রমিকদের কাজে বাধ্য করার বিষয়টি অস্বীকার করেছে; বলেছে তারা শ্রম আইন বাস্তবায়ন করছে।

দেশটির ‘কাফালা’ ব্যব্স্থা অনুযায়ী, বিদেশি শ্রমিকদেরকে তাদের নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ চাকরি পরিবর্তনের অনুমতি দিলেই তারা নতুন কোনো চাকরিতে যোগ দেওয়া বা কাতার ছাড়তে পারবে।

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

সুলতান সুলেমান দেখব না কেন?

২০১৫ সালের নভেম্বরে প্রচারে এসেছে দীপ্ত টিভি। শুরুর দিন থেকেই প্রচার করছে তুরস্কে নির্মিত টেলিভিশন …

Mountain View

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *