Mountain View

এবারের আ’লীগের সম্মেলনে এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত হবে

প্রকাশিতঃ অক্টোবর ১২, ২০১৬ at ৭:২২ অপরাহ্ণ

images

আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনকে ঐতিহাসিক হবে বলে মন্তব্য করেছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

তিনি বলেন, এবারের সম্মেলন হবে ঐতিহাসিক সম্মেলন। এই সম্মেলনে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা হবে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত।

আজ (বুধবার) ১২ অক্টোবর দুপুরে আন্তর্জাতিক কনভেশন সিটি, বসুন্ধরা-২ এ ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

আগামী ২২ ও ২৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে এ বর্ধিত সভার আয়োজন করা হয়। এ সময় সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সম্মেলনকে সফল করার জন্য দলের নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।

সভায় সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগের কাউন্সিল সারা দেশকে, সারা জাতিকে নাড়া দেয়। কারণ আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে যে সিদ্ধান্ত হবে সেটা হবে ঐতিহাসিক।

আওয়ামী লীগের কাউন্সিলের সিদ্ধান্তই পাকিস্তান রাষ্ট্রের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিলো। কাউন্সিলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিলো বাংলাদেশকে স্বাধীন করা, সেই সিদ্ধান্ত বস্তবায়ন হয়। আশা করি, আগামী সম্মেলনও ঐতিহাসিক হবে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের এ কাউন্সিল যাতে উৎসবমুখর হয়, সুষ্ঠু হয় সেটাই আমরা নিশ্চিত করতে চাই। কাউন্সিলকে উৎসবমুখর করতে বিশাল আয়োজন করা হয়েছে। কাউন্সিলের প্রস্তুতি নিয়ে সবাই আমরা ব্যস্ত।

এছাড়া আরেকটি বিষয় দিয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট রাষ্ট্রীয় অতিথি হিসেবে ঢাকায় আসবেন। এই দুইটা বিষয় নিয়েই আমরা ব্যস্ত। প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রীয় অতিথি হিসেবে বাংলাদেশে আসছেন চীনের প্রেসিডেন্ট।

সভায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেন, শুধু দলের নেতা-কর্মীরাই নয়, সারাদেশের মানুষও মুখিয়ে আছেন সম্মেলন থেকে কী ঘোষণা আসে তা জানতে। আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে এসেছেন। এ দেশকে আরও উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে একমাত্র শেখ হাসিনাই পারবেন। সে কারণেই এ সম্মেলনে দেশের মানুষের আগ্রহ রয়েছে।

হানিফ বলেন, আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ আমরা গড়বোই। এই মহা উন্নয়ন কর্মকাণ্ড যেটা আওয়ামী লীগের ঘোষণাপত্রে থাকবে। সে অনুযায়ী ঘোষণাপত্রের খসড়া তৈরি করা হয়েছে।

এ সময় হানিফ বিএনপি নেতাদের সমালোচনা করে বলেন, জঙ্গিদের জন্য কেন এত মায়াকান্না করে বিএনপি নেতারা? তারা যুদ্ধাপরাধীদের নিয়েও এ রকম মায়াকান্না করেছিলেন। তাদের এ মায়াকান্নায় প্রমাণ হয় তারা জঙ্গিবাদ নির্মূল চান না। জঙ্গিদের সঙ্গে তাদের গভীর সম্পর্ক আছে।

ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম রহমতউল্লাহ সভায় সভাপতিত্ব করেন।

সভাপতির বক্তব্যে রহমতউল্লাহ বসুন্ধরা কনভেনশন সিটিতে সভা করতে দেওয়ার জন্য বন্ধুসন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যানকে ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, আমি বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান শাহ আলম সাহেবকে (আহমেদ আকবর সোবহান) ধন্যবাদ জানাই। তিনি আমাদের এখানে সভা করার সুযোগ দিয়েছেন। এজন্য কোনো চার্জ নেননি। বিনা খরচে সভা করতে দেওয়ায় তাকে ধন্যবাদ।

সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক কর্নেল (অব.) ফারুক খান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক, আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. বদিউজ্জামান ডাবলু, মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান, এম এ মান্নান কচি ও আব্দুল কাদের খান প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরও

Mountain View