ঢাকা : ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬, বৃহস্পতিবার, ৫:৫৯ অপরাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

২৭৬ কোটি টাকার মালিক সাকিব!

ক্রিকেটে যখন গ্ল্যামার আর সম্পদের কথা আসে তখন সবার আগে চলে আসে ভারতীয় ক্রিকেটারের নাম। ক্রিকেটপ্রেমী ভারতের ক্রিকেটারদের বিপুল ধন-সম্পদের কথা সবারই জানা। তবে বাংলাদেশের একজন ক্রিকেটারও সবার অলক্ষ্যে উঠে এসেছেন এই তালিকায়।

sakib

তিনি বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকট্র্যাকার ২১ জানুয়ারি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানায়, সাকিবের আর্থিক সম্পদের পরিমাণ ৩৫ মিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ ২৭৫ কোটি ৬১ লাখ ৭৮ হাজার ২৫০ টাকা।

ক্রিকট্র্যাকারের মতে, বাংলাদেশের সবচেয়ে উপার্জনকারী ক্রিকেটার হচ্ছেন সাকিব আল হাসান।

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের পেছনে অর্থের ছোটাছুটি করাটাই স্বাভাবিক। বাংলাদেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন তিনি। তার আয় সবচেয়ে বেশি হবে, তা অনুমেয়। বেতন, পারিশ্রমিক, বিজ্ঞাপন, কসমেটিকস, রেস্তোরাঁ ও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট থেকে অর্জিত অর্থ দিয়েই সাকিবের অর্থের পরিমাণ প্রায় ২৭৬ কোটি টাকা।

গত বছর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) থেকে বেতন হিসেবে প্রতি মাসে সাকিব আল হাসান পেয়েছেন ২ লাখ ১০ হাজার টাকা করে। এ বছর ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা করা হচ্ছে তার বেতন। পারিশ্রমিক হিসেবে প্রতি ম্যাচে ফি পেয়েছেন লাখ টাকার উপরে। এ ছাড়া দৈনিক ভাতা তো আছেই। এই ক্রিকেটার নিয়মিত দেশ-বিদেশে বিভিন্ন লিগে খেলে যাচ্ছেন।

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) থেকে সবচেয়ে বেশি আয় করেছেন সাকিব। ২০১১ সালে আইপিএলে সাকিবকে ৪ লাখ ২৫ হাজার ডলারে কিনে নেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স। ২০১৬ সালেও কলকাতায় খেলবেন বাঁহাতি এ অলরাউন্ডার। সাকিবকে রেখে দেওয়ায় ২ কোটি ৮০ হাজার রূপি দিতে হচ্ছে কেকেআরকে। এ ছাড়া বাংলাদেশে বিপিএলেও সাকিবের আয় হয়েছে সবচেয়ে বেশি। বিপিএলের দ্বিতীয় আসরে ৩ লাখ ৬৫ হাজার ডলারে বিক্রি হয়েছিলেন সাকিব। সর্বশেষ আসরে রংপুর রাইডার্স থেকে পেয়েছেন ৩৫ লাখ টাকা।

আইপিএল ও বিপিএলের মতো পাকিস্তানের সুপার লিগেও সাকিব এগিয়ে। পিএসএলে প্লাটিনাম গ্রুপে সাকিব খেলবেন করাচি কিংসে। এজন্য পাবেন ১ লাখ ৪০ হাজার ডলার। এ ছাড়া বিগ ব্যাশ, ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ, শ্রীলঙ্কান প্রিমিয়ার লিগ ও কাউন্টি ক্রিকেট থেকে হাজারো ডলার আয় করেছেন সাকিব। ২০০৯ সালে উইজডেন ম্যাগাজিনের সেরা টেস্ট ক্রিকেটার নির্বাচিত হন সাকিব। সে সময় বড় অঙ্কের অর্থ সাকিবের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হয়।

ক্রিকেটের বাইরেও সাকিবের আয় আকাশচুম্বি। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পণ্যদূত হয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করছেন সাকিব। পেপসি, ক্যাসট্রল, নর্টন এন্টিভাইরাস, বুস্ট, লাইফবয়, লা রিভ, লেনেভো, স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক, বাংলালিংক, রানার মোটরসাইকেল, জ্যানএনজি আইসক্রিম, টিফিন বিস্কুটস, সিঙ্গার ইলেকট্রনিকসের বিজ্ঞাপণী দূত হিসেবে মোটা অঙ্কের অর্থ পেয়েছেন সাকিব।

ব্যক্তিগত ব্যবসাতেও সাকিব সফল। যমুনা ফিউচার পার্কে সাকিবের নিজস্ব কসমেটিকসের দোকান কসমিক জোভিয়ান, বনানীতে নিজের রেস্টুরেস্ট সাকিবস ডাইন এরই মধ্যে লাভের মুখ দেখেছে। প্রচুর আয় হচ্ছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দুটি থেকে। গত বছর ‘ফিয়েস্তা ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান খুলেছেন বিশ্বসেরা এ অলরাউন্ডার। কিন্তু বেশি দিন সেটির সঙ্গে যুক্ত থাকেননি তিনি।

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

ইরাকি বাহিনীর ভুল হামলায় ৫২ বেসামরিক মানুষ নিহত

ইরাকের আল-কায়েম শহরে ভুল করে চালানো এক বিমান হামলায় ৫২ জন বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। …

Mountain View

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *