Mountain View

জেএমবি নেতা আসাদুল আরিফের দাফন সম্পন্ন

প্রকাশিতঃ অক্টোবর ১৭, ২০১৬ at ১০:৪৯ পূর্বাহ্ণ

cymera_20161017_104413

ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া জেএমবি নেতা আসাদুল ইসলাম আরিফের (৪৫) দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

(রোববার) ১৭ অক্টোবর দিনগত রাত দেড়টার দিকে বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলার উদয়পুর ইউনিয়নের উদয়পুর উত্তর কান্দী কেন্দ্রীয় কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়।

এর আগে কড়া নিরাপত্তায় রাত পৌনে ১টার দিকে আসাদুলের মরদেহ তার শশুর বাড়ি মোল্লাহাট উপজেলার উদয়পুর উত্তর কান্দী গ্রামে আনা হয়।

উদয়পুর ইউনিয়নের ২নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মো. কামরুজ্জামান মোল্লা বলেন, মরদেহ গ্রামে আনার পর কবরস্থান প্রাঙ্গণে আরিফের নামাজে জানাজা শেষে পুলিশ প্রহরায় উদয়পুর উত্তর কান্দী কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়।

উত্তর কান্দী গ্রামের কাওসার মোল্লার মেয়ে খাদিজা বেগমের সঙ্গে ৯ থেকে ১০ বছর আগে আরিফের বিয়ে হয়। সেই সূত্রে তার শশুরের আবেদনে ও আরিফের শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী এ গ্রামে দাফন করা হয়েছে।

২০০৫ সালের ১৪ নভেম্বর ঝালকাঠি জেলার সিনিয়র সহকারী জজ সোহেল আহম্মেদ ও জগন্নাথ পাঁড়ের গাড়িতে বোমা হামলা চালিয়ে তাদের হত্যা করা হয়। ২০০৬ সালের ২৯ মে এ হত্যা মামলার রায়ে ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ রেজা তারিক আহম্মেদ ৭ জনের ফাঁসির আদেশ দেন। ইতোমধ্যে ৬ জনের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে।

একই মামলার রায়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত জেএমবি নেতা আরিফ ২০০৭ সালের ১০ জুলাই ময়মনসিংহ থেকে গ্রেফতার হন। এরপর আপিল করেন আরিফ। গত ২৮ আগস্ট প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতিরবেঞ্চ জেএমবি নেতা আসাদুল ইসলাম ওরফে আরিফের রিভিউ আবেদন খারিজ করে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন।

গতকাল (রোববার) ৬ অক্টোবর রাত সাড়ে ১০টায় খুলনা জেলা কারাগারে দণ্ডিত আসাদুলের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। পরে ময়নাতদন্ত শেষে কারা কর্তৃপক্ষ আসাদুলের স্ত্রী খাদিজা বেগমের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করেন।

মোল্লাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ স ম খায়রুল আনাম জানান, আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কড়া পাহারায় মরদেহ পৌছানোর পর জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

২০০৭ সালের ২৯ মার্চ ওই মামলার আসামি জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) তৎকালীন শীর্ষ নেতা শায়খ আবদুর রহমান, সিদ্দিকুল ইসলাম ওরফে বাংলা ভাই, শায়খ আবদুর রহমানের ভাই আতাউর রহমান সানি, জামাতা আবদুল আউয়াল, ইফতেখার হোসেন মামুন, খালেদ সাইফুল্লাহ ওরফে ফারুকের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও

Mountain View