ঢাকা : ২৩ জুলাই, ২০১৭, রবিবার, ১০:৪১ অপরাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

শ্বশুরবাড়িতে দাফন সম্পন্ন জেএমবি নেতা আরিফের

bagerhat-bn20160810132227

জেএমবি নেতা আসাদুল ইসলাম ওরফে আরিফের লাশ বাগেরহাটের উদয়পুরের শ্বশুর বাড়িতে দাফন করা হয়েছে। জানাজা শেষে রবিবার দিনগত রাত দেড়টার দিকে তার দাফন সম্পন্ন হয়েছে। মোল্লাহাট থানার ওসি আ ক ম খায়রুল আনাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ওসি আরও জানান, দাফনের আগে আরিফের ২০ থেকে ৩০ জন স্বজন জানাজায় অংশ নেন। পুলিশের পাহারায় জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়।

ঝালকাঠিতে দুই বিচারক হত্যার দায়ে জামাআ’তুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) নেতা আসাদুল ইসলাম ওরফে আরিফের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় রবিবার রাত ১০টা ৩০ মিনিটে। খুলনা জেলা কারাগারে ফাঁসির রশিতে তার ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর আরিফের লাশ বাগেরহাটের উদয়পুরে তার শ্বশুর বাড়িতে পাঠানো হয়। শ্বশুর কাউসার মোল্লার বাড়ির কাছেই এক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে। স্ত্রীর ইচ্ছানুযায়ীই তাকে সেখানে দাফন করা হলো।

উল্লেখ্য, ২০০৫ সালের ১৪ নভেম্বর ঝালকাঠী জেলার সিনিয়র সহকারী জজ সোহেল আহম্মেদ ও জগন্নাথ পাঁড়ের গাড়িতে বোমা হামলা চালিয়ে তাদের হত্যা করে জেএমবি। ২০০৬ সালের ২৯ মে এ হত্যা মামলার রায়ে ঝালকাঠীর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ রেজা তারিক আহম্মেদ সাতজনের ফাঁসির আদেশ দেন। ছয়জনের ফাঁসি কার্যকর হলেও আরিফ পলাতক ছিলেন। ২০০৭ সালের ১০ জুলাই ময়মনসিংহ থেকে তাকে গ্রেফতার হয়। এরপর আপিল করেন তিনি।
গত ২৮ আগস্ট প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ জেএমবি নেতা আসাদুল ইসলাম ওরফে আরিফের রিভিউ আবেদন খারিজ করে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। জেএমবি নেতা আসাদুল ইসলাম আরিফ ২০০৮ সাল থেকে খুলনা জেলা কারাগারে ছিলেন।

এ সম্পর্কিত আরও

আপনার-মন্তব্য