ঢাকা : ২৩ মার্চ, ২০১৭, বৃহস্পতিবার, ৬:২২ অপরাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

ওয়ার্ডভিত্তিক জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র হবে

jela-porsi

দেশে প্রথমবারের মতো জেলা পরিষদ নির্বাচনের উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় নির্বাচনটির বিধিমালাও প্রস্তুত করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ নির্বাচনে ওয়ার্ডভিত্তিক ভোটকেন্দ্র স্থাপন করে ভোটগ্রহণের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি।

আজ (মঙ্গলবার) ১৮ অক্টোবর এ সংক্রান্ত কমিশন বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে। জানা গেছে, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে এ নির্বাচনের লক্ষ্য নিয়ে এগুচ্ছে ইসি। এ ক্ষেত্রে প্রথমবারের অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা নেওয়ার বিধানটিও যুক্ত করা হচ্ছে বিধিমালায়।

অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীকে প্রথমে ফরম পূরণে করে স্ক্যান করে তা রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর অনলাইনে দাখিল করতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মূলকপিসহ বাছাইয়ের দিন স্বশরীরে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হতে হবে।

২০১৫ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত নবম পৌরসভা নির্বাচনের সময় প্রতিপক্ষের কর্মী-সমর্থকদের ভয় ভীতির কারণে অনেক প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেননি বলে ইসিতে অভিযোগ করেছিল। সে সময় অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার বিধান আনার জন্য পরিকল্পনা করে নির্বাচন কমিশন।

এরপর চলতি বছর নবম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও অনেক প্রার্থী ও দল এমন অভিযোগ আনলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ অনলাইনে মনোনয়পত্র জমা নেওয়ার পরিকল্পনার কথা গণমাধ্যমে জানান। এক্ষেত্রে জেলা পরিষদ নির্বাচনেই এ ব্যবস্থাটি প্রথম চালু হচ্ছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোর মধ্যে জেলা পরিষদই ব্যতিক্রম। এক্ষেত্রে সরাসরি ভোটাররা ভোট দিয়ে প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন না। এক্ষেত্রে একটি জেলার অধীনে যতগুলোর স্থানীয় সরকার রয়েছে, সেগুলোর সদস্যরাই হবেন ভোটার। অর্থাৎ উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেয়র এবং কাউন্সিলররা বা সদস্যরা ভোট দিয়ে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ১৫ জন সদস্য ও ৫ জন সংরক্ষিত সদস্য নির্বাচিত করবেন।

এজন্য নির্বাচন কমিশন প্রতিটি জেলাকে ১৫টি ভাগ করে ১৫টি ওয়ার্ড করবে। আর ভোটকেন্দ্র হবে ওয়ার্ডভিত্তিক। এক্ষেত্রে কোনো জেলায় যদি ৭টি উপজেলা থাকে। তবে প্রতিটি উপজেলায় সদরে হবে ২টি করে ভোটকেন্দ্র। আর যদি উপজেলার সংখ্যা ৩টি হয় তবে ভোটকেন্দ্র হবে ৫টি করে। অর্থাৎ ওয়ার্ডভিত্তিক ভোটকেন্দ্র হলেও উপজেলার সংখ্যার ওপর অনুপাত নির্ভর করবে।

ইসির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন দায়িত্বশীল উপ-সচিব  বলেন, ওয়ার্ড ভিত্তিকই হবে ভোটকেন্দ্র। কেননা, অনেক প্রত্যন্ত ইউনিয়ন আছে, যেখান থেকে জেলা সদরে এসে ভোট দেওয়া কষ্টকর। তাই উপজেলা সদরে ওয়ার্ডভিত্তিক ভোটকেন্দ্র স্থাপন করে ভোটগ্রহণ করা হবে। তবে কিভাবে তা স্থাপন করা হবে এ নিয়ে বিস্তারিত নীতিমালা আরও পরে হবে।

এদিকে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর সর্বোচ্চ নির্বাচনী ব্যয় রাখা হচ্ছে ৫ লাখ টাকা। আর সদস্যদের জন্য ব্যয়সীমা রাখা হচ্ছে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা।

ইসির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার উপ-সচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান বলেন, বিধিমালা প্রস্তুতের কাজ খুব শিগগিরই শেষ হবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ডিসেম্বরেই এ নির্বাচন করার পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে বিধিমালার খসড়া চূড়ান্তের কাজ চলছে। এরপর তা আইন মন্ত্রণালয় থেকে ভেটিং হয়ে আসলেও গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে।

২০০০ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার নতুন করে জেলা পরিষদ আইন প্রণয়ন করে। এরপর জোট সরকারের আমলে এ নিয়ে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর ২০১১ সালে প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে জেলা পরিষদ পরিচালনা করছে। সম্প্রতি সরকার ঘোষণা দিয়েছে ডিসেম্বরে এ স্থানীয় সরকারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

এ সম্পর্কিত আরও

Best free WordPress theme

Check Also

ওয়ানডে সিরিজের আগে বড় যে ধাক্কা খেল শ্রীলঙ্কা

আর মাত্র দুদিন পরেই শুরু হবে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার ওয়ানডে সিরিজ। এ সিরিজের আগেই বড় ধাক্কা খেলো …