ঢাকা : ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬, রবিবার, ১:৫৬ অপরাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

মৃত্যুর দুয়ার থেকে আফ্রিদির ফিরে আসা

20161018140243

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি : মৃত্যু ছুঁয়ে গেছে তাকে। প্রায় ৫০ গজ দূরত্বে যখন যমদূত ট্রেন তখনই লাইনের পাশে লাফিয়ে পড়ে সে। দু-রেলপথের মধ্যে পড়ে বেঁচে যায় জীবন। কিন্তু রক্ষা পায়নি তার তিন সাথী। ট্রেনে কাটায় কুটিকুটি হয় তাদের দেহ। এরপর বাড়ি ছুটে গিয়ে খবর দেয় সে।
রোববারের ট্রেন দুর্ঘটনায় ভাগ্যক্রমে বেঁচে যাওয়া আপন হাসান আফ্রিদি (৯) এখন আলোচিত এক শিশু। ভাদুঘর ও শহরতলীর বিরাশার গ্রামে আলোচনা তাকে নিয়েই। বিরাশার গ্রামে আফ্রিদিকে নিয়ে আসার পর দলে দলে লোক ভিড় করে তাকে দেখার জন্য। তবে ঘটনার পর রোববার রাতে ঘুমাতে পারেনি সে। চিৎকার করে বলে- আমারে হেরা মাইরা ফালাইবো। ভয়াবহ ঘটনা বারবার চোখের সামনে ভেসে উঠে তার।স্থানীয় এক ডাক্তার তাকে ঘুমের ওষুধ দেন। কিন্তু ওষুধ খাওয়ার পরও ঘুম হয়নি। চিৎকার করে উঠে। কাপতে থাকে ভয়ে। মা সন্তানকে বুকে ঝাপটে ধরে রাত পার করেন।
গতকাল সন্ধ্যায় আফ্রিদির বিরাশার গ্রামের বাড়িতে গিয়ে খোঁজ করলে জানানো হয় সে মক্তবে গেছে। চাচা দানিছ মিয়া সেখান থেকে ডেকে নিয়ে আসেন তাকে। আফ্রিদি জানান, ফুফাতো ভাই মোনায়েমকে নিয়ে ট্রেন রাস্তায় ঘুরতে গিয়েছিল সে। সেখানে আরো দুজনের সঙ্গে দেখা হয়। বাড়ি ফিরে যেতে চেয়েছিল সে। কিন্তু একজন বলে ১৫ মিনিট পরে যাবে। এরমধ্যে সোনার বাংলা ট্রেন আসে। সেই ট্রেনের ছবি তোলার সময়ই ঘটে দুর্ঘটনা।
আফ্রিদি জানায়- হেডফোন লাগিয়ে হেরা ছবি তুলছিল। সে জন্য কানে তারা শুনে না। মোনায়েম বসেছিল। আরেকটি ট্রেন আসতে দেখে আমি মোনায়েমকে ডাক দেই। বলি মোনায়েম এমেদা আ (এদিক)। আর হেরাতো হুনেই না। কানে হেডফোন লাগাইয়া ছবি তুলতাছে। হাতের ইশারায় সে ৫০ গজ দূরত্ব দেখিয়ে বলে ঐখানে ট্রেন থাকতেই সে একপাশে লাফিয়ে পড়ে। এরপর দেহি ট্রেন পট (ধাক্কা) মারছে মোনায়েমরে। ট্রেন গেছে পড়ে হেরারে আমি বিছারছি। চাইয়া দেহি একজনের হাত গেছেগা,পাও গেছেগা। আমরা ছিলাম ৪ জন। এরমধ্যে ৩ জন মারা গেছে। আফ্রিদি বলে এরপর আমারে একটা লোক বলে হেরার বাড়ি কই চিনাইয়া দিতে। এরপর আমি বাড়িতে যায়।
আফ্রিদি বলে সারারাতই সে দৃশ্য চোখে ভাসে। মনে হয় আমারে শুদ্ধা মাইরা লাইবো হেরা।শুক্রবার ভাদুঘরে ফুফুর বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল আফ্রিদি। রোববার সকালে মামাতো ভাই মোনায়েম সঙ্গে গিয়েছিল ভয়াল রেলপথে। আফ্রিদির মা শাকিলা বেগম জানান-খবর পেয়ে তিনি প্রথম হাসপাতালে যান। সেখানে না পেয়ে ছুটে যান ভাদুঘরে। দেখতে পান তা

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

টাঙ্গাইল মুক্তদিবস আজ

আজ ১১ ডিসেম্বর। টাঙ্গাইলের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে বংলার সূর্যসেনারা পাকিস্তানি …

Mountain View

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *