দুবার প্রতিপক্ষকে অলআউট করে কখনোই হারেনি বাংলাদেশ

প্রকাশিতঃ অক্টোবর ২৩, ২০১৬ at ১২:২৫ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রাম টেস্টে ইংল্যান্ডের ১৯ উইকেট তুলে নিয়েছেন বাংলাদেশের বোলাররা। ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসে স্টুয়ার্ট ব্রডকেই শুধু বাংলাদেশের বোলাররা আউট করতে পারেননি। কারণ আজ শুরুতেই রানআউট হয়ে ফিরেছেন ইংলিশ পেসার। full_452582582_1477203232

এখন এই টেস্ট জিততে হলে আজ ধৈর্য্যের পরীক্ষা দিতে হবে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের। লক্ষ্য এখনও বহুদূর, করতে হবে ২৮৬ রান। এই রিপোর্ট লেখার সময় লাঞ্চ বিরতি পর্যন্ত টাইগারদের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৮৬ রান। জয়ের জন্য করতে হবে আর ২০০টি রান।

তবে একটি পরিসংখ্যান ভীষণ আশাবাদী করবে বাংলাদেশের সমর্থকদের। যে কয়বার প্রতিপক্ষকে অলআউট করেছে টাইগাররা, কোনটিতেই হারেনি বাংলাদেশ। এর মধ্যে সাতটি জয় আর একটিতে ড্র। চট্টগ্রাম টেস্টে বাংলাদেশকে পারবে অতীতের পুনরাবৃত্তি করতে? অবশ্য সেটি করতে হলে তাদের ইতিহাসই গড়তে হবে। চতুর্থ ইনিংসে সর্বোচ্চ ২১৫ রান তাড়া করার রেকর্ড আছে বাংলাদেশের। ২০০৯ সালের জুলাইয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের গ্রেনাডা টেস্টে ৪ উইকেটে জিতেছিল বাংলাদেশ।

দুইবার অলআউট করা প্রতিপক্ষের ছয়টি জিম্বাবুয়ে আর দুটি ২০০৯ সালের খর্ব শক্তির ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বাংলাদেশের বিপক্ষে শক্তিশালী দলগুলোর মধ্যে দুবার অলআউট হওয়া প্রথম দল ইংল্যান্ডই।

হাথুরু বলেছিলেন, তার দলে ২০ উইকেট তুলে নেওয়ার বোলার নেই। সাকিব আল হাসান সরাসরি না বললেও কোচের এই ভাবনার সঙ্গে যে একমত নন, সেটি জানিয়ে দিয়েছিলেন টেস্টের আগেই, ‘যদি কখনো স্পিনার কিংবা পেসারদের সুযোগ দেওয়া হয়, মনে হয়, আমাদের বোলারদের ২০ উইকেট নেওয়ার যোগ্যতা আছে।’

সাকিবরা সেটি প্রমাণও করেছেন। স্পিনবান্ধব উইকেট কাজে লাগিয়ে সফল হয়েছেন বাংলাদেশের স্পিনাররা। ইংল্যান্ডের ১৮ উইকেটই স্পিনারদের। এর মধ্যে সাকিবের ৭টি, মেহেদী হাসান মিরাজের ৭টি, বাকি ৪টি তাইজুল ইসলামের।

এ সম্পর্কিত আরও