ঢাকা : ২২ আগস্ট, ২০১৭, মঙ্গলবার, ৭:৪৪ পূর্বাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

নিজেকে বাঁচাতে এবার মিথ্যাচারে মেতেছেন সুশান্ত পাল

shushanto-paul

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিডি টুয়ন্টিফোর টাইমস : প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে হেয় করে অপপ্রচারের দায়ে কঠিণ শাস্তি আঁচ করতে পেরে এবার মিথ্যাচারে মেতেছেন সেই সুশান্ত পাল। সাময়িকভাবে ফেসবুক ডিএকটিভেট করে ফের রবিবার ফেসবুকে ঝড় তুলেন বিতর্কিত এই কাস্টমস কর্মকর্তা ।

ফেসবুকে এসেই স্ট্যাটাস দেন যেখানে লিখা ছিলো- পর্বতসম কাজের চাপে দম ফেলানোর ফুরসতও নেই তার! কত বড় মিথ্যাচার । অথচ এই সেই সুশান্ত পাল যিনি বছরের বেশির ভাগ সময়ই আলদিনের সেই আশ্চর্য চেরাগ নিয়ে সারা দেশে  বিভিন্ন সেমিনারে অংশ নেন।

ফেসবুকে মেয়েদের সাথে অশ্লীল কথোপকথনেও মেতে থাকেন। সেসবের প্রমাণও দাখিল করেছেন বিক্ষুব্ধ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। মামলা হয়ে গেলে তার পায়ের নিচ থেকে যে মাটি সরে যাবে সেটা খুব ভালোভাবই জানেন। তাই এবার মিথ্যার আশ্রয় নিচ্ছেন। ঠিক যেন ভাজা মাছ টা উল্টে খেতে জানেন না। এমনটাই অভিযোগ করলেন মিসবাহ ‍উদ্দিন। কোনভাবেই তাকে পার পেতে দেয়া হবে না। আমার ৪০ হাজারের এক বিশাল পরিবার আছি তার সাজা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত থাকব। ফলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে হেয় করার পরিণতি হিসেবে  ভয়াবহ শাস্তির মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন সুশান্ত পাল। শনিবার বিকেলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন যেকোনভাবেই হউক মানহানির মামলা করা হবেই। ইতোমধ্যে প্রক্টরের কাছ লিখিত অভিযোগ ও ৩ দফা দাবিও পেশ করা হয়েছে।  যার অর্থ দাঁড়াচ্ছে – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বনাম সুশান্ত পাল আইনি লড়াই হতে যাচ্ছে। সেখানে যে নিশ্চিতভাবেই কোনঠাসা হয়ে যাবেন দাম্ভিক এই বিসিএস ক্যাডার তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

কারণ বাংলাদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে হেয় করে কেউ পার পেয়ে যাবেন প্রশ্নই আসে না। মামলটা যদি অার দশটা ব্যাক্তি টু ব্যাক্তি মামলা হতো তাতেও নিজেকে বাঁচিয়ে নিতে পারতেন। কিন্তু এটাতো আর নিছক কোন মামলা নয়। মামলটি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য আর গৌরবের সাথে একজন বিকারগ্রস্থ মানুষের। বুঝতেই পারেন কি হতে যাচ্ছে। নিজেকে মহাজ্ঞ্যানী ভেবে অপদার্থের মত করে মনের মাধূরী মিশিয়ে যে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে লিখেছেন- সেই প্রতিষ্ঠিানটিই বাংলাদেশের অস্তিত্ব, বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য অার গৌরব।

 

এ সম্পর্কিত আরও

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *