ঢাকা : ২৩ মে, ২০১৭, মঙ্গলবার, ১:০৬ পূর্বাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

ইংল্যান্ড বধের এই তো অস্ত্র

3a481a13e997622ac641d21e976c0fda-shakib-miraj

সিরিজের প্রথম টেস্ট শেষ হলো কাল। সিরিজ শুরুর আগেই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জেতার টোটকাটি জানা ছিল বাংলাদেশের। নিজেদের মাঠের সুবিধা নিয়ে স্পিনারদের লেলিয়ে দিলেই হবে। ব্যস, ম্যাচ নিজেদের পকেটে। কিন্তু টোটকা জেনে বাংলাদেশের কোনো লাভ হয়নি, স্পিনাররা তাদের কাজ করলেও ব্যাটসম্যানরা পারেননি সেটা কাজে লাগাতে। তবে আশা হারালে চলবে না, ঢাকা টেস্টেও এই অস্ত্র দিয়েই বধ করতে হবে সফরকারীদের।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোনো টেস্ট জেতা যে বাংলাদেশের জন্য বোনাস হবে, সেটা নিজেই স্বীকার করে নিয়েছেন কোচ চন্দ্রিকা হাথুরেসিংহে। কেন, সেটা দলের বোলিং আক্রমণের দিকে তাকালেই বোঝা যাচ্ছিল। দুই বাঁহাতি স্পিনার সাকিব আল হাসান ও তাইজুল ইসলামে ভরসা করেই নেমেছিল বাংলাদেশ। চমক জাগিয়ে মেহেদী হাসান ৭ উইকেট পাইয়ে নতুন আশা জাগিয়েছেন। এই তিন স্পিনারই প্রথম টেস্টে কোণঠাসা করে দিয়েছিল ইংল্যান্ডকে।

অথচ ২০১৫ সাল থেকে বাংলাদেশ সিরিজের আগ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে যেসব বোলাররা সফল হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে একটি মিলই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে—তাঁরা সবাই সত্যিকারের ফাস্ট বোলার । কিন্তু ফাস্ট বোলার যে নেই দলে!

২০১৫ সালের পর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেরা সাফল্য ফাস্ট বোলার কাগিসো রাবাদার। ৩ টেস্টে ২১.৯০ গড়ে ২২ উইকেট তাঁর। সবচেয়ে বড় কথা, একটি উইকেট পেতে ৩০ বলেরও কম খরচ হয়েছে তাঁর। এ ছাড়া মিচেল স্টার্ক পেয়েছেন ১৮ উইকেট (৫ টেস্টে), জস হ্যাজলউড ১৬ উইকেট (৪ টেস্টে), মরনে মরকেল ১৫ উইকেট (৪ টেস্টে)। ট্রেন্ট বোল্ট তো ১৩ উইকেট পেয়েছেন মাত্র ২ ম্যাচে।

দ্বিতীয় টেস্টের বাংলাদেশ স্কোয়াডেই আছেন দুজন পেসার। প্রথমজন কামরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম টেস্টে যিনি উইকেট পেলেও তাঁর বলে ইংলিশ ব্যাটসম্যানদের কখনো অস্বস্তিতে পড়তে হয়নি। আর দ্বিতীয়জন শুভাশিস রায়, যাঁর আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়নি এখনো। এ দুজনকে সমর্থকের আবেগ দিয়েও ফাস্ট বোলার বলা যাচ্ছে না।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সবচেয়ে দুর্দান্ত ইয়াসির শাহ। লেগ স্পিনের ফাঁদে ৬ টেস্টে ৩৪ উইকেট পেয়েছেন ইয়াসির। পাকিস্তানি লেগ স্পিনার দুটি সিরিজেই ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছেন। প্রস্তুতি ম্যাচে বিসিবি একাদশের তানভীর হায়দারের চার উইকেট প্রাপ্তিও লেগ স্পিনে ইংল্যান্ডের সমস্যার কথা জানিয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ দলে যে লেগ স্পিনার বলতে সাব্বির রহমান। প্রথম টেস্টে তাঁকে খুব একটা ব্যবহার করেনি বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের মূল ভরসা দুই বাঁহাতি স্পিনার সাকিব-তাইজুল। বাঁহাতি স্পিনে এর আগে ইংলিশ ব্যাটসম্যানরা ভালো করলেও চট্টগ্রামে মোট ১১টি উইকেট ভাগাভাগি করে নিয়েছেন বাংলাদেশের দুই বাঁহাতি স্পিনার।

সে তুলনায় অফ-স্পিনাররা ভালোই করেছেন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। নাথান লায়ন ৫ টেস্টে ১৬ উইকেট পেয়েছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার ডেন পিটও ৩ টেস্টে ১০ উইকেট পেয়েছেন। আমাদের নবাগত মেহেদী হাসান মিরাজ যেমন অভিষেকেই পেলেন ৭ উইকেট! স্কোয়াডে আরও আছেন শুভাগত হোম, মাহমুদউল্লাহ, মোসাদ্দেক হোসেন। কে জানে ঢাকা টেস্টে অভিষেক হয়েও যেতে পারে মোসাদ্দেকের। কার্যকর অফস্পিন ও পরিপূর্ণ এক ব্যাটসম্যানের প্যাকেজ যে তাঁর মধ্যে পাচ্ছে বাংলাদেশ।
জহুর আহমেদ স্টেডিয়ামের মতো মিরপুরের উইকেটও যদি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়, তাহলে তো প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ড বধের আশা করতেই পারে বাংলাদেশ!

এ সম্পর্কিত আরও

Best free WordPress theme

Check Also

ঢাকা প্রিমিয়ার লীগে সেরা পাঁচ ব্যাটসম্যান

১. লীগের প্রথম পর্ব শেষে রান সংগ্রহের দিক দিয়ে সবার উপরে আছেন জাতীয় দল থেকে …

আপনার-মন্তব্য