ঢাকা : ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, শুক্রবার, ৬:০১ পূর্বাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

হাবিবুল, আশরাফুলদের দলে যোগদানের অপেক্ষায় মুশফিক

%e0%a6%86-%e0%a6%b9-%e0%a6%aeহাবিবুল বাশার এবং মোহাম্মদ আশরাফুল। বাংলাদেশ ক্রিকেটের দুই উজ্জল নক্ষত্র। এদেশের ক্রিকেটের জন্য হাবিবুল বাশারের অবদান যতটা স্মরণীয়, ঠিক ততটাই বিস্মৃত আশরাফুলের অবদান। বিপিএলের ফিক্সিং কেলেঙ্কারি শেষ করে দিয়েছে বাংলাদেশের ‘লিটল মাস্টার’-এর ক্যারিয়ার। সেই সঙ্গে সম্মান। আরকেজন বাংলাদেশ টেস্ট দলের অধিনায়ক ‘মি. ডিপেন্ডেবল’ মুশফিকুর রহিম। আর দুই দিন পর এই তিনজন একই দলের অন্তর্ভূক্ত হবে। কারণ বাংলাদেশে পঞ্চাশোর্ধ টেস্ট খেলা ক্রিকেটার এই তিনজনই।

গত ১৬ বছরে মাত্র ৯৪টি টেস্ট খেলেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে মাত্র ৭টি জয়। গত ৪৯টি টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশ দলের অন্যতম আস্থার নাম বর্তমানে অফফর্মে থাকা মুশফিক। মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে সিরিজের শেষ টেস্ট হবে মুশফিকের ক্যারিয়ারের ৫০তম টেস্ট ম্যাচ। যার নেতৃত্বে মুশি টেস্ট খেলতে নেমেছিলেন সেই হাবিবুল বাশার সুমন ২০০৮ সালে নিজের ৫০তম এবং শেষ টেস্ট ম্যাচটি খেলেছিলেন। যিনি বর্তমানে বাংলাদেশ দলের নির্বাচক। ৯৯ ইনিংসে ২৪ হাফসেঞ্চুরি এবং ৩ সেঞ্চুরিসহ ৩০.৮৭ গড়ে হাবিবুলের টেস্ট রান সংখ্যা ৩০২৬। সর্বোচ্চ স্কোর ১১৩।

রানসংখ্যায় হাবিবুল বাশারের আগে আছেন শুধু তামিম ইকবাল। ৪৩ ম্যাচে ৩৯.৫৬ গড়ে তামিমের রান ৩২০৫। ১৯টি হাফসেঞ্চুরি এবং ৭টি সেঞ্চুরির মালিক তামিমের বেস্ট স্কোর ২০৬। আবার ম্যাচের সংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ টেস্ট খেলেছেন মোহাম্মদ আশরাফুল। ৬১ টেস্টের ১১৯ ইনিংস ব্যাট করে ২৪.০০ গড়ে অ্যাশের রান ২৭৩৭। এর মধ্যে ৮টি হাফসেঞ্চুরি এবং ৬টি সেঞ্চুরি। বেস্ট স্কোর ১৯০ এবং বোলিং করে ৬০.৫২ গড়ে উইকেট নিয়েছেন ২২টি।

আগামী পরশু ৫০তম টেস্ট খেলোয়াড়দের ক্লাবে নাম লেখাতে যাওয়া মুশির পরিসংখ্যানের দিকে একটু নজর দেওয়া যাক। ২০০৫ সালে ১৭ বছর বয়সে অভিষেকের পর ৪৯টেস্টের ৯০ ইনিংসে ৬ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ৩২.৫৮ গড়ে ২৭৩৭ রান করেছেন মুশফিক। ১৫টি হাফসেঞ্চুরি এবং ৩টি সেঞ্চুরিসহ মুশির বেস্ট স্কোর ২০০। উইকেটের পেছনে দাঁড়িয়ে ৭৯টি ক্যাচ নিয়েছেন। তিনি আজ বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক।

যে কোনো ক্রিকেটারের জন্য টেস্ট ম্যাচই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। টেস্ট ম্যাচ মানেই ক্রিকেটারের দক্ষতার ‘টেস্ট’। ৫০টি টেস্ট খেলা এক্ষেত্রে তাই বেশ গুরুত্বপূর্ণ। তাই ঢাকা টেস্ট মুশির জন্য আলাদা। এই টেস্টকে নিজের জন্য স্মরণীয় করে রাখতে পারেন দারুণ এক ইনিংস খেলে। সামনে থেকে পারফর্মেন্স করে দলকে এনে দিতে পারেন দারুণ এক বিজয়। এসবই নিশ্চয়ই ভাবছেন মুশফিক। তারই নেতৃত্বে আরও একটি জমজমাট টেস্ট ম্যাচ দেখার অপেক্ষায় ক্রিকেটপ্রেমীরা।

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

স্মিথদের বাংলাদেশ সফরে আসা নিয়ে যা লিখলো টেলিগ্রাফ

স্পোর্টস ডেস্ক: জমছে নাকি বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট লড়াই। এর নানা খবর অস্ট্রেলিয়ার প্রভাবশালী দৈনিক …

Mountain View

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *