Mountain View

গোপালপুরে প্রেমিকের প্রতারণা নির্যাতনের শিকার হয়ে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা

প্রকাশিতঃ অক্টোবর ৩০, ২০১৬ at ৯:২৮ অপরাহ্ণ

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি : টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হাদিরা ইউনিয়নের ইউপি মেম্বার ও তার দলবলের শারীরিক নির্যাতন এবং প্রেমিকের প্রতারণায় ক্ষুব্দ হয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে নবম শ্রেণীর মেধাবী ছাত্রী সামিয়া আক্তার সাথী। সে হাদিরা ইউনিয়নের ভাদুড়িচর গ্রামের নূরুল ইসলামের মেয়ে।148861

গোপালপুর থানা পুলিশ জানায়, হাদিরা হাতেম আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী সামিয়া আক্তার সাথীর সাথে একই স্কুলের দশম শ্রেণীর ছাত্র সেলিম হোসেনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। সাথীর বাবা মা দুজনই ঢাকায় গামের্ন্টসে চাকরি করে। গত শুক্রবার রাতে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে সাথীর ঘরে রাত কাটায় প্রেমিক সেলিম।

গত শনিবার ভোরে গ্রামবাসিরা টের পেয়ে সেলিমকে আটক করে। বাবা আবুল হোসেন ও মা সালমা বেগমকে খবর দিয়ে সেলিমের সাথে সাথীর বিয়ের জন্য চাপ দেয়। সেলিমের বাবামা টাকা পয়সা দিয়ে বিষয়টি মিমাংসার প্রস্তাব দেয়। সবার উপস্থিতিতে সেলিম ও সাথীকে বিয়ে করতে অস্বীকার করে। সাথী ও তার নানী টাকাপয়সা নিয়ে বিষয়টি সূরাহা করতে রাজি না হলে সেলিমের বাবামা ফিরে যান। তারা দ্বারস্থ হন এলাকার সন্ত্রাসী হিসাবে পরিচিত ইউপি মেম্বার সবুর হোসেনের।

ইউপি মেম্বার সবুর হোসেন একদল সন্ত্রাসী সাথে নিয়ে গত শনিবার বিকেলে সাথীর বাড়িতে হামলা চালায়। তারা সাথী ও তার নানীকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে। পরে তাদেরকে বেদম পিটুনি দিয়ে আটক সেলিমকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায়। প্রেমিকের প্রতারণা ও শারীরিক লাঞ্জনার ক্ষোভে সাথী গত শনিবার ফাঁসি দিয়ে আত্ম হত্যা করে। আজ রবিবার সকালে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল মর্গে পাঠায়। ওসি আব্দুল জলিল ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন জানান, আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেয়ার অভিযোগে প্রেমিক সেলিম, ইউপি মেম্বার সবুর হোসেন সহ ছয় জনকে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ সম্পর্কিত আরও

Mountain View