ঢাকা : ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, শুক্রবার, ৭:৫৫ পূর্বাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

সাকিবের পর তামিম, মিরাজের পর শান্ত

miraz-shanto

বিডি টুয়েন্টিফোর টাইমস: সাকিব আল হাসানের ওয়ানডে অভিষেক ২০০৬ সালে। পরের বছর জাতীয় দলের জার্সি পান তামিম ইকবাল। বয়সভিত্তিক দল থেকেই দুজন খুব কাছের বন্ধু। ক্রিকেটের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যারা মিরপুর হোম অব ক্রিকেটে যাতায়াত করেন তারা প্রায়ই শুনে থাকেন যুব ক্রিকেটে তামিম-সাকিবদের ব্যাচটি নিয়ে আজও আলোচনা হয় বিসিবিতে।

শুধু সাফল্যের বিচারেই সেরা হয়েছিলেন তারা। দুই বন্ধু যুব ক্রিকেটে একসঙ্গে ১৮টি ম্যাচ খেললেও একসঙ্গে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিলেন মাত্র ৪ ম্যাচে। ৪ ম্যাচে দুজনের সংগ্রহ ২৩০ রান। এরপর তারা একে একে এলেন জাতীয় দলে। দ্যুতি ছড়িয়ে নিজেদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সমানতালে প্রতিষ্ঠিত করেছেন দুজন। দেশ, দেশের বাইরে বিভিন্ন টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশকে বিশ্বদরবারে উপস্থাপন করছেন সাকিব-তামিম।

ঠিক এমন পথেই হাঁটছেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও নাজমুল হোসেন শান্ত। মিরাজের অভিষেক হয়েছে ইংল্যান্ড সিরিজে। বন্ধু শান্তর অভিষেক হয়ে যেতে পারে নিউজিল্যান্ড সিরিজে। বাঁহাতি টপ অর্ডার এ ব্যাটসম্যান প্রথমবারের মতো জাতীয় দলের প্রস্তুতি ক্যাম্পে ডাক পেয়েছেন। দলের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ায় ক্যাম্প করবেন শান্ত। সেখানে নজরকাড়তে পারলেই বাজিমাত। মিরাজ-শান্ত দুজন মিলে যুব দলে ২১ ম্যাচে করেছেন ৮৬৩ রান। তাদের হাত ধরেই বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো যুব বিশ্বকাপে তৃতীয় হয়। বন্ধুর সঙ্গে জাতীয় দলে খেলার রোমাঞ্চ ছুঁয়ে যাচ্ছে শান্তকে।

রোববার রাইজিংবিডি’র সঙ্গে আলাপকালে শান্ত বলেন,‘দু‘জন অনেকদিন একসঙ্গে ক্যাম্প করেছি, খেলেছি। বন্ধুত্বটা আমাদের পুরনো, অনেকদিনের। দুজন যদি একই সঙ্গে আবার খেলতে পারি অবশ্যই দারুণ লাগবে।’ মিরাজ খুব অল্পতেই লাইমলাইটে চলে এসেছেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১৯ উইকেট নিয়ে মিরাজ এখন জাতীয় দলে ভরসার নাম। মিরাজের সাফল্যে ঈর্ষান্বিত নন শান্ত বরং অনুপ্রেরণা পাচ্ছেন বাঁহাতি এ ব্যাটসম্যান। তার ভাষ্য,‘মিরাজ সুযোগ পেয়েই ভালো করেছে। এটা আমার জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক। সামনেসুযোগপেলেআমিওভালোকরতেপারব, এমনএকটাআত্মবিশ্বাসনিজেরমনেতৈরিহয়েছে।’

১০ বছর বয়স থেকে ক্রিকেটের সঙ্গে বেড়ে উঠা শান্তর। রাজশাহীর ক্লেমন একাডেমি থেকে শুরু হয়ে বিসিবিতে এসে পৌঁছানো পর্যন্ত শান্তকে অনেক বাঁধার সম্মুখীন হতে হয়েছে। কিন্তু অদম্য প্রচেষ্টা ও নিরলস পরিশ্রম তাকে সাফল্য দিতে শুরু করে বিভিন্ন স্তরে। অনূর্ধ্ব-১৪ এর পর ১৫, ১৭ তে ক্রিকেট খেলে যুব ক্রিকেটে আসেন শান্ত। এরপর আর তাকে পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ২০১৩ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত ৫৮ ম্যাচে ৩৭.৯১ গড়ে শান্তর ব্যাট থেকে এসেছেন ১ হাজার ৮২০ রান যা যুব ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান।

যুব ক্রিকেটের পর এইচপি ক্যাম্পে দীক্ষা নিয়েছেন শান্ত। পাশাপাশি বিসিবি একাদশের হয়ে ম্যাচও খেলছেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বিসিবি একাদশের হয়ে দুটি দুইদিনের প্রস্তুতি ম্যাচে ভালো খেলেছেন বাঁহাতি টপঅর্ডার ব্যাটসম্যান।প্রথম ম্যাচে একই নিংসে ১৭রানে নটআউট থাকার পর দ্বিতীয় ম্যাচে ৭২রানের নজরকাড়া ইনিংস খেলেছিলেন শান্ত। নিজের ব্যাটিং নিয়ে শান্তর ভাষ্য,‘ধারাবাহিকভাবে সব সময়ই ভালো খেলার চেষ্টা করি। এখন শটের পরিধিও বেড়েছে। আগের থেকে দ্রুত রানও তুলতে পারছি।’-কার্টসি রাইজিং বিডি

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

বিপিএলের ফাইনালের সময়সূচিতে পরিবর্তন

দেখতে দেখতে শেষ হয়ে গেল বিপিএলের এলিমিনেটর ও কোয়ালিফায়ার ম্যাচ। বিপিএলের পর্দা নামার মাঝে দাঁড়িয়ে …

Mountain View

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *