Mountain View

রাজনীতি নিজের জন্য না, মানুষের কল্যাণে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিতঃ নভেম্বর ৯, ২০১৬ at ৮:১৯ অপরাহ্ণ

shakh-hasina

দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রাজনীতি নিজের জন্য না, করতে হবে পরের জন্য; দেশের জন্য, মানুষের জন্য, মানুষের কল্যাণে। দেশের মানুষের জন্য কাজ করাই আওয়ামী লীগের একমাত্র লক্ষ্য বলেও উল্লেখ করেন তিনি।আজ বুধবার সন্ধ্যায় গণভবনে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদ ও উপদেষ্টা পরিষদের যৌথসভায় শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের উন্নয়নটা হবে তৃণমূল পর্যায় থেকে, একেবারে গ্রামের মানুষ আমাদের কাছে প্রাধান্য পাচ্ছে এবং পাবে। বাংলাদেশের একটা মানুষও গৃহহারা থাকবে না, ক্ষুধার্ত থাকবে না। একটা মানুষও বিনা চিকিৎসায় রোগে ধুঁকবে না। কোনো মানুষ নিরক্ষর থাকবে না। বাংলাদেশকে আমরা সেইভাবে গড়ে তুলব। বিশ্বসভায় বাংলাদেশ যেন মাথা উঁচু করতে চলতে পারে, জনগণকে আমরা সেইভাবেই গড়ে তুলব। দেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধ করব। ইনশা আল্লাহ জাতির পিতার স্বপ্ন আমরা পূরণ করব।’

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের উদ্দেশ করে বলেন, ‘এই দেশে কোনো সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের স্থান হবে না। এর জন্য জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে এবং গণজাগরণ সৃষ্টি করতে হবে। তবে এরই মধ্যে মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করতে পেরেছি বলেই জঙ্গি দমন করতে পেরেছি। কিন্তু এটা অব্যাহত রাখতে হবে। কারণ, বিভিন্ন সময়ে নানা ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছে বাংলাদেশের মানুষ।’ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও মাদকাসক্তি দূর করার আহ্বান জানান তিনি। বিএনপির নেতাদের উদ্দেশ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আজকে কাদের মুখে গণতন্ত্রের কথা শুনি? যাদের জন্ম হয়েছে ক্যান্টনমেন্টের মধ্যে…। ,আজ তাদের মুখেই গণতন্ত্রের কথা শুনলে হাসিই পায়। এর বেশি কিছু বলব না।’

যারা মানুষ পুড়িয়েছে তাদের বিচার হবে—উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি নেতাদের নামে কোনো মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়নি। শত শত নিরীহ মানুষকে তারা আগুন দিয়ে পুড়িয়েছে। ট্রেনে সাধারণ মানুষ গেছে, তাদের আগুন দিয়ে পুড়িয়েছে। সিএনজি-রিকশা পুড়িয়েছে। প্রাইভেটকার থেকে ড্রাইভারকে নামিয়ে তার গায়ে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। এভাবে তারা মানুষ মেরেছে, সারা দেশে তাণ্ডব চালিয়েছে। তিনি বলেন, যারা এ ধরনের হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তাদের বিচার অবশ্যই বাংলাদেশের মাটিতে হবে। তাদের বিচার হতেই হবে। কারণ, এটা এক ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। বিএনপি-জামায়াতের যারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে, তাদের বিচার বাংলার মাটিতে হবেই। কারও বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়নি।

যৌথসভায় আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদ ও উপদেষ্টা পরিষদের বেশির ভাগ সদস্যই উপস্থিত রয়েছেন

এ সম্পর্কিত আরও