ঢাকা : ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, মঙ্গলবার, ১০:২১ অপরাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site
প্রচ্ছদ > জাতীয় > বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তার-রিমান্ড: নীতিমালা দিল আপিল বিভাগ

বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তার-রিমান্ড: নীতিমালা দিল আপিল বিভাগ

arrest54ফৌজদারি কার্যবিধির বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তার (৫৪ ধারা) ও হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের ধারা (১৬৭ ধারা) প্রয়োগের ক্ষেত্রে একটি নীতিমালা করে দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত।
এ দুই ধারা নিয়ে হাই কোর্টের রায় বহাল রেখে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের দেওয়া পূর্ণাঙ্গ রায়ে দশ দফার এই নীতিমালা এসেছে। পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব পালনের বিষয়েও সাত দফা নির্দেশনা দিয়েছে আপিল বিভাগ।

হাই কোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার (বিচার ও প্রশাসন) সাব্বির ফয়েজ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাসহ আপিল বিভাগের চার বিচারকের স্বাক্ষরের পর পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়। ৩৯৬ পৃষ্ঠার ওই রায় সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটেও দেওয়া হয়েছে।

২০০৩ সালের ৭ এপ্রিল হাই কোর্ট এক রায়ে ৫৪ ও ১৬৭ ধারার কিছু বিষয় সংবিধানের কয়েকটি অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করে। ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার ও হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে প্রচলিত বিধি ছয় মাসের মধ্যে সংশোধন করার পাশাপাশি ওই ধারা সংশোধনের আগে কয়েক দফা নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলা হয় সরকারকে।

এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিল গত ২৪ মে খারিজ করে দেয় সর্বোচ্চ আদালত। এর ফলে হাই কোর্টর রায়ই বহাল থাকে। তবে ৫৪ ধারা ও ১৬৭ ধারা প্রয়োগের ক্ষেত্রে একটি নীতিমালা দেওয়া হবে বলে আপিল বিভাগের রায়ে জানানো হয়।

ওই রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ হওয়ার পর অতিরিক্ত আ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা সাংবাদিকদের বলেন “হাই কোর্টের রায়টি মোডিফাই করে আপিল বিভাগ কিছু নির্দেশনা দিয়েছে।”

এর মধ‌্যে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পাশাপাশি বিচারপতি, ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রতি কিছু নির্দেশনা রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আসামিদের সঙ্গে কেমন ব্যবহার করা যাবে- সে নির্দেশনাও এসেছে।

“গাডলাইনে প্রথমেই বলা হয়েছে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থায় যারা আছেন, তারা যেন অতি উচ্চ মানের দায়-দায়িত্ব পালন করেন। সে বিষয়ে যথাযথ সক্ষমতা তাদের দেখাতে হবে।

“যাকে গ্রেপ্তার করা হবে তাদের ক্ষেত্রে যেন মানবাধিকার ক্ষুণ্ন না হয়। যে আসামিকে ধরা হবে তাকে যেন নির্যাতন বা হেয় প্রতিপন্ন করা না হয়।”

তবে দেশে যদি যুদ্ধ থাকে বা যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করে, জাতীয় নিরাপত্তা যদি বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয় অথবা রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা থাকে, সেসব পরিস্থিতিকে এই রায়ে ‘ব্যতিক্রম’ হিসেবে ধরা হয়েছে বলে মুরাদ রেজা জানান।

রাষ্ট্রপক্ষ এ রায়ের রিভিউ চাইবে কি না জানতে চাইলে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, “রায় পুরোপুরি পর্যালোচনা, যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে রিভিউয়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

এ সম্পর্কিত আরও

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *