ঢাকা : ২৩ মে, ২০১৭, মঙ্গলবার, ৯:১৩ পূর্বাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

আজকের এই দিনে প্রাণ হারিয়েছিলো প্রায় ১০ লাখ মানুষ

file-2নিউজ ডেস্ক: ভয়াল ১২ নভেম্বর। ১৯৭০ সালের এই দিনে উপকূলীয় এলাকায় ঘটে দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় আর জলোচ্ছ্বাস। ভয়াল সেই রাতে উপকূলীয় জেলা ভোলা, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুরসহ বিভিন্ন এলাকা জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হয়। উপকূলীয় জনপদ পরিণত হয় ধ্বংসস্তূপে ঘটে লাখ লাখ মানুষের প্রাণহানী।

এ যেন বিভীষিকাময় দুঃস্বপ্নের রাত। ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বরে উপকূলবাসীর জীবনে নেমে আসে এক মহাদুর্যোগ। প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় গোর্কি ও জলোচ্ছ্বাসে লন্ডভন্ড হয়ে যায় জনজীবন।

১২ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের জলোচ্ছ্বাস ও প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ের ফলে নিমিষেই তলিয়ে যায় নোয়াখালীর উপকূলীয় চরাঞ্চলের বাড়িঘর আর মাঠের সোনালী ফসল। স্রোতের তোড়ে ভেসে যায় কয়েক লাখ মানুষ ও গবাদি পশু। পুরো উপকূল পরিণত হয় বিরানভূমিতে।

এদিকে অতীত ওই অভিজ্ঞতার আলোকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় এখন গড়ে উঠেছে অনেক অবকাঠামো। সময় মতো পূর্বাভাস পেলে যেকোন ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রশাসন এখন অনেকটাই সক্ষম।

সেকালে তথ্যপ্রযুক্তির প্রসার না ঘটায় উপকূলের মানুষ ঝড়ের পূর্বাভাস পায়নি। ১০ থেকে ১৪ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের ৪৪ বছর পেরিয়ে গেলেও কান্না থামেনি লক্ষ্মীপুরের উপকূলীয় এলাকার স্বজনহারা লাখো মানুষের।

সত্তরের এই দিনে গোটা ভোলা জেলাকে তছতছ করে দিয়েছিল ঘুর্ণিঝড় গোর্কি। মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছিল ভোলার জনপদ।

সত্তরের ঘূর্ণিঝড় গোর্কিতে সরকারি হিসাবে প্রায় ৫ লাখ আর বেসরকারি হিসাবে প্রায় ১০ লাখ মানুষ প্রাণ হারায়।

 

এ সম্পর্কিত আরও

Best free WordPress theme

Check Also

সন্ধ্যা বেলায় কোন ধরনের কার্য গুলো নিষিদ্ধ ?

কয়েক দশক আগেও, হিন্দু পরিবার গুলোতে প্রবীণরা সন্ধ্যার নেতিবাচক প্রভাবের ব্যাপারে সচেতন ছিলেন। শাস্ত্র অনুযায়ী …

আপনার-মন্তব্য