ঢাকা : ২৮ এপ্রিল, ২০১৭, শুক্রবার, ৮:৩৪ পূর্বাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

সুন্দরবনের রামপালের কয়লা আমদানিতে উন্নত হচ্ছে মংলার ভেসেল ব্যবস্থাপনা

mongla-bobdor-sm2016042110185820161114084202

নির্মাণাধীন রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কয়লা আমদানিসহ নানা কারণে মংলা বন্দরের ভেসেল ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম আরও আধুনিক করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়।

ভারতের ন্যাশনাল থার্মাল কর্পোরেশনের সঙ্গে বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে রামপালে ১৩২০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপিত হচ্ছে। কয়লা পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে সেখানে। রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহারের জন্য অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা বা ইন্দোনেশিয়া থেকে প্রতি বছর ৪৫ লাখ মেট্রিক টন কয়লা আমদানি করা হবে।

প্রথমে সমুদ্রপথে কয়লা আসবে বঙ্গোপসাগরের আকরাম পয়েন্টে। এরপর ছোট ছোট জাহাজ বা ভেসেলে করে সুন্দরবনের মধ্য দিয়ে নদীপথে তা রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে আনা হবে।

নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কয়লার নিরাপদ পরিবহনে মংলা বন্দর অভিমুখী ও বহির্গামী জাহাজগুলোর নৌ-পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা আরও আধুনিক করা হবে।

এজন্য পাঁচটি রিমোট ভিউ স্টেশন, একটি নিয়ন্ত্রণ পর্যবেক্ষণ কক্ষ, চারটি ভবন, একটি ল্যাটিস টাওয়ার ও দু’টি ওয়ার্ক স্টেশন নির্মাণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া নয়টি লং রেঞ্জের ক্যামেরা, একটি হাই পাওয়ার্ড স্পিডবোট, একটি ডাবল কেবিন পিক-আপ, দু’টি রাডার, দুটি মাইক্রোওয়েভ ও পাঁচ ধরনের সফটওয়্যার কেনা হবে।

মংলা বন্দরের ১৩১ কিলোমিটার দীর্ঘ পশুর চ্যানেলটি সুন্দরবনের মধ্য দিয়ে বঙ্গোপসাগরে মিলিত হয়েছে। এই দীর্ঘ চ্যানেলের দু’টি অংশের মধ্যে আউটার বারের নাব্যতা খুবই কম এবং ইনার বারের অধিকাংশ এলাকা জুড়েই আছে সুন্দরবন। এ কারণেই বাণিজ্যিক জাহাজ ডুবোচরে আটকা পড়ে এবং নিরাপত্তা হুমকির সম্মুখীন হয়।

রামপালের জন্য মংলা বন্দরে আমদানি করা কয়লাবাহী জাহাজ যেন এ সমস্যায় না পড়ে, সেজন্য একটি আবহাওয়াকেন্দ্রও স্থাপন করা হবে।

২০১৭ সালের জুলাই থেকে ২০১৯ সালের জুন মেয়াদে প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয় এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) জিকরুর রেজা খানম বলেন, ‘রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য মংলা বন্দরের মাধ্যমে বছরে ৪৫ লাখ মেট্রিক টন কয়লা আমদানি করা হবে।

পদ্মাসেতু, খুলনা-মংলা রেল সংযোগ স্থাপন, খান জাহান আলী বিমানবন্দর, মংলায় বিশেষ অর্থনৈতিক জোনও ২০২০ সালের মধ্যেই চালু হবে। পদ্মাসেতু চালু হওয়ার পর ঢাকাভিত্তিক তৈরি পোশাক শিল্পের আমদানি-রফতানি কার্গো পরিবহনে বাড়বে। এসব কারণে বন্দরটির চাহিদা বাড়বে। এজন্য মংলা বন্দরগামী জাহাজ ও ভেসেল ব্যবস্থাপনা আরও উন্নত করবো’।

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

মানুষ যেন অহেতুক নির্যাতিত না হয়

দেশের সাধারণ নাগরিকরা যেন ‘অহেতুক নির্যাতনের’ শিকার না হয়, সেজন্য সজাগ থাকতে র‌্যাব সদস্যদের প্রতি …

আপনার-মন্তব্য

Loading...