ঢাকা : ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬, শনিবার, ৩:৫১ অপরাহ্ণ
সর্বশেষ
রামগঞ্জে ১১টাকার জন্য স্কুলছাত্রকে খুঁটিতে বেঁধে নির্যাতন রোহিঙ্গাদের সহায়তা দেয়ার অনুমতি চাচ্ছে জাতিসঙ্ঘ : সাড়া দিচ্ছে না সরকার এবার রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ৩ কোটি ১০ লাখ ডলার হ্যাকড বাচা-মরার লড়াইয়ে টস জিতে ব্যাটিংয়ে রংপুর রাইডার্স শীর্ষস্থান সহ শীর্ষ দশের বাংলাদেশেরই সাত কারখানা প্রতিবন্ধীদের সাথে নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে : প্রধানমন্ত্রী দেশের ভেতরে রোহিঙ্গার সমস্যার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দুষলেন সু চি ৫৫০ ছবি নিয়ে আজ থেকে স্বল্পদৈর্ঘ্য ও মুক্ত চলচ্চিত্র উৎসব রোহিঙ্গাবোঝাই চারটি নৌকা ফেরত পাঠিয়েছে বিজিবি মনে হচ্ছিল এটা আইপিএল ম্যাচ: ব্রাভো
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

সাকিবের এক ওভারে মাশরাফির চার ছক্কা তাও জিততে পারল না কুমিল্লা

sanga-mar

নিজেদের সতীর্থদের ব্যর্থতায় আরও একবার পরাজয় দেখতে হলো মাশরাফি বিন মর্তুজার কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে। সাকিব আল হাসানের ঢাকা ডায়নামাইটসের বিপক্ষে এবারের পরাজয়টি ৩৩ রানের।

নিজেদের চার ম্যাচের চারটিতেই হারলো গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। হারলো গত সব আসরে চ্যাম্পিয়নের স্বাদ পাওয়া মাশরাফি।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে ঢাকা পর্বের প্রথম ধাপের এটিই ছিল শেষ ম্যাচ। সন্ধ্যা সাতটায় মাঠে নামে কুমিল্লা-ঢাকা। চলমান বিপিএলের ১৩তম ম্যাচে মাঠে নামে দুই দল। টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন কুমিল্লা দলপতি মাশরাফি।

টস হেরে ব্যাট করা ঢাকা ডায়নামাইটস নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে তোলে ১৯৪ রান। মাশরাফির কুমিল্লাকে এবারের আসরে প্রথমবারের মতো জিততে হলে এই স্কোর টপকে যেতে হতো। এটিই ছিল এবারের আসরের দলীয় সর্বোচ্চ স্কোর। কুমিল্লার ইনিংস থামে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৬১ রানে।

ঢাকার হয়ে ব্যাটিং উদ্বোধন করতে নামেন মেহেদি মারুফ এবং কুমার সাঙ্গাকারা। কুমিল্লার হয়ে বোলিং আক্রমণ শুরু করেন দলপতি মাশরাফি। তার প্রথম ওভারে ৫ রান তুলে ইনিংস শুরু করেন ঢাকার দুই ওপেনার। উইকেটে থেকে ব্যাটে ঝড় তোলার আভাস দিয়ে বিদায় নেন লঙ্কান গ্রেট কুমার সাঙ্গাকারা (২০)। আল আমিনের করা ইনিংসের চতুর্থ ওভারে স্ট্যাম্পিংয়ের ফাঁদে পড়ে বিদায় নিতে হয় ১২ বলে দুটি চার আর একটি ছক্কায় ইনিংস সাজানো সাঙ্গাকারাকে। দলীয় ৩৩ রানের মাথায় ঢাকা তাদের প্রথম উইকেট হারায়।

৬৩ বলে দলীয় শতক পূর্ণ করে এক উইকেট হারানো ঢাকা। নাসির-মেহেদির দারুণ জুটিতে ঢাকার রানের চাকা ঘুরতে থাকে। ইনিংসের ১৩তম ওভারে বিদায় নেন নাসির। রায়ান টেন ডয়েসকাটের বলে আহমেদ শেহজাদের তালুবন্দি হওয়ার আগে নাসির করেন ৪৩ রান। ৩৫ বলে ৫টি চারের সাহায্যে এই ইনিংসটি সাজান তিনি। দলীয় ১১৭ রানের মাথায় দ্বিতীয় উইকেটের পতন ঘটে ঢাকার। তবে, তার আগে নাসির-মারুফ মিলে স্কোরবোর্ডের আরও ৮৪ রান যোগ করেন।

এরপর জুটি গড়ার চেষ্টা করেন রবি বোপারা-মেহেদি মারুফ। তবে, উইকেটে থিতু হতে পারেননি বোপারা। ১০ বলে ৮ রান করে ইনিংসের ১৬তম ওভারে রশিদ খানের বলে বোল্ড হন বোপারা। একই ওভারে মেহেদি মারুফকে ফিরিয়ে দেন এই বোলার। ব্যক্তিগত ৬০ রানে ফেরেন মারুফ। ব্যাটে ঝড় তোলা এই ব্যাটসম্যান ৩৮ বলে চারটি চারের সঙ্গে তিনটি ছক্কা হাঁকিয়েছেন। দলীয় ১৪১ রানের মাথায় চতুর্থ উইকেটের পতন ঘটে।

এরপর সাকিব-ডোয়াইন স্মিথ মিলে আরও ৩৬ রান (১৬ বলে) যোগ করেন। ইনিংসের ১৯তম ওভারে রশিদ খানের তৃতীয় শিকারে সাজঘরে ফেরেন সাকিব। আল আমিনের তালুবন্দি হওয়ার আগে সাকিব করেন ১৩ বলে ২৪ রান। তার ইনিংসে ছিল একটি চার আর দুটি ছক্কার মার।

ডোয়াইন স্মিথ ১০ বলে ১৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। কুমিল্লার হয়ে ৪ ওভারে ২৮ রান দিয়ে তিনটি উইকেট তুলে নেন রশিদ খান।

১৯৫ রানের টার্গেটে কুমিল্লার হয়ে ব্যাটিং শুরু করেন ইমরুল কায়েস এবং জসিমউদ্দিন। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে নাসির হোসেনের বলে আলাউদ্দিনের তালবুন্দি হয়ে ফেরেন ইমরুল। দলীয় ৩০ রানের মাথায় কুমিল্লা প্রথম উইকেট হারায়। ১১ বলে ১৯ রান করেন ইমরুল। পরের ওভারে সেকুজে প্রসন্ন ফেরান আরেক ওপেনার জসিমউদ্দিনকে। ১০ রান করে মোসাদ্দেকের তালুবন্দি হন তিনি।

মোসাদ্দেকের বলে পরপর দুটি ছক্কা হাঁকিয়ে কুমিল্লাকে স্বপ্ন দেখাতে থাকেন পাকিস্তানি আহমেদ শেহজাদ। তবে, ষষ্ঠ ওভারের শেষ বলে মোসাদ্দেক ফিরিয়ে দেন শেহজাদকে। বলের লাইন মিস করায় স্ট্যাম্পিংয়ের ফাঁদে পড়েন ৯ বলে দুই ছক্কায় ১৫ রান করা শেহজাদ। নবম ওভারের শেষ বলে ফেরেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ১৬ রান করা শান্তকে বোল্ড করে ফেরান সাঞ্জামুল ইসলাম। ইনিংসের দশম ওভারে সেকুজে প্রসন্ন বোল্ড করেন রায়ান টেন ডয়েসকাটকে (৭)। দলীয় ৭০ রানের মাথায় টপঅর্ডারের পাঁচ ব্যাটসম্যান বিদায় নেন।

১১তম ওভারে জোড়া আঘাত হানেন মোহাম্মদ শহীদ। রশিদ খানকে (২) প্রসন্নর হাতে ধরা দিতে বাধ্য করেন তিনি। এক বল পরেই আল আমিনকে (০) স্ট্যাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলেন তিনি। দলীয় ৭৪ রানে সপ্তম উইকেট হারায় কুমিল্লা।

এরপর জুটি গড়ে পরাজয়ের ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করেন দলপতি মাশরাফি আর পাকিস্তানি পেসার সোহেল তানভীর। এই জুটি থেকে আসে ৩৭ রান। ইনিংসের ১৬তম ওভারে বিদায় নেন তানভীর। তবে, বোপারার বলে স্ট্যাম্পিংয়ের ফাঁদে পড়ে বিদায়ের আগে তানভীর করেন ১৬ বলে ২০ রান।

মাশরাফির ব্যাট থেকে আসে ইনিংস সর্বোচ্চ ৪৭ রান। সাকিবের করা ১৯তম ওভারে চারটি ছক্কা হাঁকান তিনি। তার ৩৫ বলের ইনিংসে ছিল ৫টি ছক্কা আর ২টি চারের মার। শেষ ওভারে মোহাম্মদ শহীদের বলে বোল্ড হন তিনি। ৮ বলে ১৮ রান করে অপরাজিত থাকেন মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন।

পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থেকে চট্টগ্রাম পর্ব শুরু করতে হচ্ছে মাশরাফির কুমিল্লাকে। চার ম্যাচ খেলা ঢাকা তিনটিতে জয় আর একটিতে হার নিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬ পয়েন্ট। খুলনা-বরিশালের সংগ্রহও ৬ পয়েন্ট। তবে, রানরেটে এগিয়ে শীর্ষে ঢাকা, দুইয়ে বরিশাল আর তিনে খুলনা।

দিনের প্রথম ম্যাচে মাঠের লড়াইয়ে নেমেছিল মুশফিকুর রহিমের বরিশাল বুলস এবং তামিম ইকবালের চিটাগং ভাইকিংস। মুশফিক-নাফিসরা ৭ উইকেটে হারিয়েছে তামিমের চিটাগংকে।

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

images

তাইওয়ানের নেতার সঙ্গে কথা বললেন ট্রাম্প

দুই দেশের আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার পর ১৯৭৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের গৃহীত ‘এক চীন’ নীতি লঙ্ঘন …

Mountain View

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *