নির্বাচন মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে রাজাকারের প্রতিযোগিতার জায়গা নয় : ইনু

500x350_5b2f2dbdf505812c23c0800c6e66708f_thumb02144d24142bcabb601e708c1b2a3cfbস্টাফ রিপোর্টার : তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনগুলোতে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিসমূহের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়া উচিত।
জঙ্গিদের পৃষ্ঠপোষকদের মুখে গণতন্ত্র ও নির্বাচনের কথা জাতির সঙ্গে ঠাট্টা-মস্করা ছাড়া আর কিছুই না উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচন জঙ্গিদের হালাল করা বা মুক্তিযোদ্ধার সাথে রাজাকারের প্রতিযোগিতার জায়গা নয়।
তিনি আজ দুপুরে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সাপ্তাহিক পত্রিকা পরিষদ আয়োজিত ‘জঙ্গি প্রতিরোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
সাপ্তাহিক পত্রিকা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এস এম মোরশেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শাবান মাহমুদ।
জঙ্গী প্রতিরোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা শীর্ষক মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন পরিষদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এম এ মোতালিব হোসেন।
হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘বিএনপি নেত্রী জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষক না হলে অনেক আগেই জঙ্গি নির্মূল করা সম্ভব হতো। মনে রাখবেন, গণতন্ত্র যারা আগুন দিয়ে পোড়ায় তাদের কাছে গণতন্ত্র নিরাপদ নয়।’
বর্তমান সরকারকে গণমাধ্যম বান্ধব সরকার বলে অভিহিত করে ইনু বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ও গণমাধ্যম একপক্ষ আর জঙ্গিরা শত্রুপক্ষ। কারণ, জঙ্গিরা জনগণ, সরকার, সাংবাদিকসহ সকলকেই আক্রমণ করেছে।
সাপ্তাহিক পত্রিকা পরিষদের বিভিন্ন দাবির বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, দৈনিক বা সাপ্তাহিক বা মাসিক, যে পত্রিকাতেই বা গণমাধ্যমেই কাজ করুন না কেন, সরকারের চোখে সকলেই সাংবাদিক, পত্রিকা বা গণমাধ্যম ভেদে সাংবাদিকদের কোনো ভেদাভেদ নেই।
প্রধানমন্ত্রী নবম ওয়েজবোর্ড দেওয়ার পক্ষে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নবম ওয়েজবোর্ডে ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, সেখানে কর্মরতদের স্তর বিন্যাসের বিষয়টিতে তাদের মতামত প্রয়োজন।
আগামী বছর এর বাস্তবায়ন হবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন হাসানুল হক ইনু। এছাড়া, দুর্দশা বা বিপন্নতায় সরকারি সহযোগিতা পাবার জন্য তথ্যমন্ত্রী সকল সাংবাদিককে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য হবার জন্য আহ্বান জানান।

এ সম্পর্কিত আরও

Leave a Reply