ঢাকা : ২৬ এপ্রিল, ২০১৭, বুধবার, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

তিন মাসে ২ হাজার কোটি টাকা খেলাপি ঋণ বাড়লো

rin-khalapi

চলতি অর্থবছরের সেপ্টেম্বর মাস শেষে ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ৬৫ হাজার ৭৩১ কোটি টাকা। যা মোট বিতরণ করা ঋণের ১০ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

যা আগের প্রান্তিক জুন শেষে ছিল ৬৩ হাজার ৩৬৫ কোটি টাকা। এ হিসাবে শেষ তিন মাসেই বেড়েছে ২ হাজার ৩৬৬ কোটি টাকা। যার সবটাই বেড়েছে বেসরকারি ও বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, বিশেষ সুবিধায় নিয়মিত করা ঋণ আবারও খেলাপি হয়ে পড়ছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং রীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য নীতিমালার আলোকে ব্যাংকগুলোকে নতুন পদ্ধতিতে ঋণ শ্রেণিকরণ করায়ও বাড়ছে খেলাপি ঋণ।

তবে প্রতি প্রান্তিকে হাজার হাজার কোটি টাকার খেলাপি ঋণ বৃদ্ধিকে এ খাতের জন্য বিপদ সংকেত হিসেবে দেখছেন অর্থনীতিদরা। তারা বলছেন, বাছবিচার ছাড়া ঋণ অনুমোদন, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার সর্বোত্তম পরিপালন না করা এবং ঋণ আদায় কার্যক্রম জোরদার না করার কারণেই খেলাপি ঋণ বাড়ছে। এতে ব্যাংকের তহবিল ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে।

কারণ খেলাপি ঋণের বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হচ্ছে। অন্যদিকে, তহবিল ব্যয় বাড়ায় ঋণের সুদও প্রত্যাশিত হারে কমছে না। এতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে ব্যবসা বাণিজ্য।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, খেলাপি ঋণ বেশি হলে ব্যাংকের ঋণ দেওয়ার ক্ষমতা কমে যায়। ফলে সুদের হারও বাড়ে। বাংলাদেশে আমানতের সুদের হার কমিয়ে এসব সমন্বয় করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, খেলাপিদের বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ার ফলে ভালো গ্রাহকদের কাছে খারাপ সংকেত যাচ্ছে। আর অবলোপন করা হচ্ছে জনগণের আমানতের অর্থ দিয়ে। এর প্রভাব পড়েছে গ্রাহকদের ওপর। এতে ভালো গ্রাহক, সৃজনশীল উদ্যোক্তারা ঋণ পেতে সমস্যায় ভোগেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর শেষে বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৬৮৯ কোটি টাকা। আগের প্রান্তিক জুন শেষে যার পরিমাণ ছিল ২৫ হাজার ৩১৫ কোটি টাকা।

ফলে গেল তিন মাসে এ খাতের ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ বেড়েছে ২ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা। এ সময়ে বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২৬৯ কোটি টাকা। আগের প্রান্তিক জুন শেষে যার পরিমাণ ছিল ২ হাজার ১৫৬ কোটি টাকা। ফলে গেল তিন মাসে এ খাতের ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১১৩ কোটি টাকা।

এ সময়ে বিশেষায়িত খাতের ব্যাংকগুলোর খেলাপিঋণ অপরিবর্তিত রয়েছে। যার পরিমাণ ছিল ৫ হাজার ৭৭কোটি টাকা। তবে এ সময়ে রাষ্ট্রায়ত্ত ছয় ব্যাংকের খেলাপিঋণ কমে দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৯৫৬ কোটি টাকা। আগের প্রান্তিক জুন শেষে যার পরিমাণ ছিল ৩০ হাজার ৭৭ কোটি টাকা।

এ সম্পর্কিত আরও

Best free WordPress theme

Mountain View

Check Also

মিরপুরে ৮ ঘণ্টা পর সচল হলো গ্যাস সরবরাহ

তিতাসের বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে আসেনি গ্যাস। বরং ঘোষণাকৃত সময়ের ৮ ঘণ্টা পর মিরপুরে গ্যাস …

Loading...