ঢাকা : ১৭ আগস্ট, ২০১৭, বৃহস্পতিবার, ৫:৩১ অপরাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

ট্রাম্পের সমালোচনা করে টুইট, যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যাপক আটক

32b489fe5088880fc2efc154ff8db008x600x400x70আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ  যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনা করে টুইট করেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কেভিন অলরেড। আর এটাই কাল হয়েছে তার জন্য। বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) নিরাপত্তার জন্য এ কর্মকান্ডকে হুমকি বিবেচনা করে তাকে আটক করে ক্যাম্পাস পুলিশ।

কেভিন অধ্যাপনা করেন দেশটির নিউ জার্সির রুটজার বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগে। টুইটারে শ্বেতাঙ্গ যুক্তরাষ্ট্র গঠনে ট্রাম্পের যে পরিকল্পনা ও প্রচারণা তার সমালোচনা করেন কেভিন। এর পরপরই ক্যাম্পাস পুলিশ তাকে হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে বাসা থেকে আটক করে নিয়ে যায়। যদিও পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

কেভিন বলেন, ‘আমার দেওয়া টুইটার পোস্টকে বিপজ্জনক আখ্যা দিয়ে এক ছাত্র অভিযোগ দায়ের করে। এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমাকে আটক করা হয়। আমাকে জোরপূর্বক একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আমাকে বাধ্যতামূলকভাবে মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়েছে। পরে অবশ্য আমাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।’

এক টুইটার বার্তায় মার্কিন সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন অধ্যাপক কেভিন। তিনি উল্লেখ করেছিলেন, ‘সংবিধানের এ সংশোধনীর দোহাই দিয়ে দেশটির বন্দুক অধিকার কর্মীরা দাবি করেন যে, সংবিধান নাগরিকদের অস্ত্র বহনের অধিকার দিয়েছে। নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও এ ধরণের কথা বলেন। কিন্তু এটা ঠিক নয়।’

এ বিষয়ে কেভিন বলেন, ‘হ্যা, সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী নিয়ে আমার করা টুইট রাজনৈতিক ছিল। তবে এটা ছিল পুরোপুরি বাকস্বাধীনতার মধ্যে থেকেই। এখানে সরাসরি হুমকির মাত্রা ছিল শূন্য। এটা ছিল একটা তাত্ত্বিক প্রশ্নের মতো, অন্য কিছু নয়।’

রুটজার বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপাত্র ইজে মিরান্ডা এক বিবৃতিতে বলেন, ‘ক্যাম্পাসের পুলিশ বিভাগ এক ছাত্রের অভিযোগে সাড়া দিয়েছে। তারা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ  কোনো ধরণের মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকবে।’

প্রসঙ্গত, গত বছরও টুইটারে বিতর্কিত মন্তব্য করে সংবাদ শিরোনাম হয়েছিলেন অধ্যাপক কেভিন। সেসময় তার বিরুদ্ধে শ্বেতাঙ্গ বিরোধী মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছিল।

এ সম্পর্কিত আরও

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *