ঢাকা : ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, শুক্রবার, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

মদক ব্যবসা না করেও মাদক মামলার প্রধান আসামী॥ গ্রেফতারের ভয়ে বাড়ি ছাড়া

malyমুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি: মুন্সিগঞ্জে পূর্ব সরদারপাড়ার ফজলুল করিমের বাড়ীর ভাড়াটিয়া না হয়েও ভাড়াটিয়া বানিয়ে মামলা প্রদান করায় মুন্সিগঞ্জ শহরবাসী হতাশ। গনকপাড়াস্থ জানু মিয়ার ছেলে সুমন (২৮) কে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে হয়রানী করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। ঘটনাটি ছিল ২২ অক্টোবরের। ঐ দিন ফজল মিয়ার বাড়িতে ৪বস্তা ফেনসিডিল ও ১বস্তা গাজা পাওয়ার খবর পাওয়া যায় কিন্তু পুলিশ সেই ৪ বস্তা ফেনসিডিলের স্থলে ১বস্তা ফেনসিডিল দেখিয়েছে আর ১বস্তা গাজার পরিবর্তে ১৬ কেজি গাজা দেখিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের অনেকেই জানিয়েছেন ৪ বস্তা ফেনসিডিল ও ১বস্তা গাজা উদ্ধার করে পুলিশ নিয়ে গেছে কিন্তু মামলায় ১৯০ পিস ফেনসিডিল আর ১৬ কেজি গাজা লিপিবদ্ধ করা হয়েছে কিভাবে? এতো মাল গেলো কোথায়? এমন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেনে স্থানীয় অনেক লোক।
ফেনসিডিল ও গাজা উদ্ধারের পর মামলা দেয়া হয় সুমন, ইকবাল ও শুভর নামে। সুমনকে প্রধান আসামী করা হয়েছে মামলার এজহারে। মামলার এজহারে উল্লেখ করা হয় সুমন ফজল মিয়ার ভাড়াটিয়া। বাড়ির মালিক ফজল মিয়ার কাছে জানতে চাইলে ফজল মিয়া জানান, সুমন নামের কেউ আমার বাড়ীর ভাড়াটিয়া ছিল না। যে ঘরে ফেনসিডিল ও গাজা পাওয়া গেছে সেই ঘর ভাড়া নিয়েছিল জামালপুরের রিক্সা চালকগণ যাদের নাম আমার জানা নেই। তবে জানু মিয়ার ছেলে সুমন আমার বাড়ির ভাড়াটিয়া ছিল না কোন সময়।
এ বিষয়ে সুমনের বড় ভাই মুনছুর জানান, চায়ের দোকান চালায় সুমন এবং আমার আরেক ভাই। বিদেশে ছিল ৫ বছর। বর্তমানে সেনিটারী ও পাইপের দোকানে কাজ করে। ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আমার ভাইয়ের নাম মামলায় জড়ানো হয়েছে।
তিনি আরো জানান, সুমন আমাদের নিজস্ব বাড়িতে বসবাস করে। আমাদের বাপ দাদার বাড়ি ছেড়ে কেন ভাড়া থাকতে যাব? গ্রেফতার এড়াতে ৩ মেয়ে স্ত্রীকে নিয়ে সুমন এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছে। নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে সুমন।
সুমনের মা জানান, সুমনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দেয়া হয়েছে। শত্রুতামূলক মামলায় সুমনকে প্রধান আসামী করা হয়েছে। সুমন কাজ করে মাদক ব্যবসা বা মাদকের সাথে জড়িত না।
পূর্ব সরদারপাড়া গ্রামের আলী আক্কাসের ছেলে সাহাব উদ্দিন জানান, রাসেলের ভাই সুমনকে এই মামলায় ষড়যন্ত্রমূলকভাবে প্রধান আসামী করা হয়েছে। সুমন মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত না। সে সেনিটারীর পাইপের দোকানে কাজ করে এটাই আমরা জানি। সে কবে থেকে মাদক ব্যবসা করে আমরা কেউ জানি না।
পূর্ব সরদার পাড়ার কফিল উদ্দিন মোল্লার ছেলে আলেফ (৫০) জানান, পূর্ব সরদার পাড়ায় ৪ বস্তা ফেনসিডিল ও ১ বস্তা গাজার মামলায় সুমনকে জড়ানো ঠিক হয় নাই। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এই মামলার আসামী করা হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

বান্দরবানে জাতীয় ভূমি জোনিং বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

বি.কে বিচিত্র। বান্দরবান প্রতিনিধি: বান্দরবানে জাতীয়  ভূমি জোনিং বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ৬ নভেম্বর …

Mountain View

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *