ঢাকা : ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬, সোমবার, ৪:৩২ অপরাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

প্রশ্নপত্র ফাঁসের চেয়ে প্রচার-প্রকাশ বেশি রোমাঞ্চকর: প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী

sikkha-mon‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে রোমাঞ্চকর প্রচার-প্রকাশ’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান। তবে প্রচার-প্রকাশ যতই রোমাঞ্চকর হোক প্রতারক চক্রের এবার কোনও সুযোগ নেই বলেও জানান তিনি।

রবিবার (২০ নভেম্বর) বেলা ১১টায় পরীক্ষা শুরুর পর রাজধানীর লালবাগের অগ্রণী স্কুলে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী। অগ্রণী স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের পরীক্ষা কেন্দ্রে এবার মোট নয়টি স্কুলের ১২৩৬ জন ছাত্র-ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে ছাত্র ২২৭ এবং ছাত্রী ১০০৯ জন।
এ সময় মন্ত্রী বলেন, ‘রোমাঞ্চকর প্রকাশের কারণে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতরা আরও উৎসাহিত হচ্ছে। তবে এবার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সুযোগ নেই প্রতারক চক্রের। এমন পদ্ধতিতে এবার প্রশ্নপত্র তৈরি করা হয়েছে, যা প্রতারক চক্রের জানার কোনও সুযোগ নেই।’

তবে প্রশ্নপত্র নির্বাচনের পুরো পদ্ধতিটি বলা যাবে না উল্লেখ করে মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘অনেকগুলো সেট তৈরি করে তারপর একটি সেট প্রশ্নপত্র তৈরি করা হচ্ছে।’
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘শুধু প্রাথমিকে নয়, যে কোনও পরীক্ষার ক্ষেত্রেই প্রশ্নপত্র ফাঁসকারী প্রতারক চক্র যারা অপকর্ম করছে তাদের সরকার কঠোরভাবেই প্রতিহত করছে। সরকারের নীতি তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা।’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘প্রশ্ন আগের রাতে ফাঁস হয়েছে, এখন আর এসব গল্প নেই বললেই চলে। মানুষ বিশ্বাস করে রাস্তার ওষুধও কেনে। কোনও ডাক্তার লাগে না। আমাদের দেশে এটা আছে, এদেশ এখনও গুজবের দেশ।’
‘প্রাথমিকে ঝরে পড়া, হতেই পারে’
২০১০ সালের পর প্রাথমিকে সারাদেশে শিক্ষার্থী বেড়েছে। এবার পঞ্চম শ্রেণিতে পরীক্ষা দিচ্ছে ৩২  লাখের বেশি শিক্ষার্থী, অথচ এই ব্যাচেই প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছিল ৪২ লাখ। এ অবস্থায় প্রায় ১০ লাখ শিক্ষার্থী নেই। এ ব্ষিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী বলেন, কখনও কখনও এমনটা হতেই পারে। অন্যান্য স্কুলে যেতে পারে। অন্য দেশেও চলে যেতে পারে। মাইগ্রেশনের কারণেও এমনটা হতে পারে। কারণ গ্রাম থেকে মানুষ শহরে যাচ্ছে। হিসেবেও গড়মিলও থাকতে পারে। এটা কোনো বড় বিষয় নয়।

পরীক্ষা হচ্ছে দেশের পাশাপাশি বিদেশেও

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, এ বছর মোট ৭ হাজার ১৯৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মধ্যে ৭ হাজার ১৮৩টি কেন্দ্র দেশে এবং দেশের বাইরে রয়েছে আরও ১১টি কেন্দ্র।
আরও জানানো হয়েছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা থাকবে। মন্ত্রণালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কক্ষের টেলিফোন নম্বর: ৯৫১৫৯৭৭ এবং অধিদফতরের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কক্ষের টেলিফোন নম্বর: ০২-৫৫০৭৪৯৩৯, ০১৯৭৯০৮৮৭১৯, ০১৭১২৪১৩১০০, ইমেইল: ddestabdpe@gmail.com

সমাপনী পরীক্ষা সংক্রান্ত সব তথ্য এ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানা যাবে।

পরীক্ষার সময়সূচি: 

প্রাথমিক সমাপনী: ২০ নভেম্বর রবিবার ইংরেজি, ২১ নভেম্বর সোমবার বাংলা, ২২ নভেম্বর মঙ্গলবার বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, ২৩ নভেম্বর বুধবার প্রাথমিক বিজ্ঞান, ২৪ নভেম্বর বৃহস্পতিবার ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা ও ২৭ নভেম্বর রবিবার গণিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

ইবতেদায়ি সমাপনী: ২০ নভেম্বর ইংরেজি, ২১ নভেম্বর বাংলা, ২২ নভেম্বর বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, ২৩ নভেম্বর আরবি, ২৪ নভেম্বর কোরান ও তাজবিদ এবং আকাঈদ ও ফিকহ এবং ২৭ নভেম্বর গণিত পরীক্ষা হবে।

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

23cac260e0e06efa81849ba8495e00cfx236x157x8

নিশানা শুধু জঙ্গিরা নয়, তাদের মদতদাতারাও : মোদি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রুখে না দাঁড়ালে সন্ত্রাসবাদী এবং তাদের ‘প্রভুরা’ আরও শক্তিশালী হবে। …

Mountain View

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *