Mountain View

শেষ হল কিরণমালা! সমাজে যে ৫টি ‘অবদান’ রাখল এই মহাসিরিয়াল…

প্রকাশিতঃ নভেম্বর ২১, ২০১৬ at ৫:৫৯ অপরাহ্ণ

95798e2e0fcc01b1fb1916aa4ff14f35x800x481x38ফ্যান্টাসি ব্যাপারটাই এমন যে তা সব বয়সের মানুষকেই টানে। কিন্তু তা বলে ফ্যান্টাসির মাথামুণ্ডু তো থাকতে হয়। হ্যারি পটারও ফ্যান্টাসি, টোয়ালাইট সিরিজও ফ্যান্টাসি। দ্বিতীয়টি বরং আবার বাস্তবঘেঁষা। কিন্তু এইসব বিদেশী ফ্যান্টাসি সিরিজকে কম টেক্কা দেয়নি বাংলার জনপ্রিয় লোককাহিনির আদ্যন্ত পিণ্ডি চটকানো, গল্পের গরুকে গ্যালাক্সিতে পাঠানো বাংলার ‘কিরণমালা’। উন্মাদের মতো মেকআপ, অভিনয়ের অ-হীন হুঙ্কার নয়তো গলগল কান্নাকাটি আর পিছনে অ্যামেচার কুৎসিত গ্রাফিক্সের ব্যাকড্রপ— ‘কিরণমালা’ চলেছে টানা ২ বছর ৩ মাস। আর এই সময়কালে সমাজে প্রচুর ‘অবদান’ রেখে গিয়েছে এই ধারাবাহিক। তার মধ্যে ফিরে দেখা প্রধান ৫টি—

১. এই ধারাবাহিকের প্রথম এবং সবচেয়ে বড় অবদান এই যে শিশু-কিশোর-ইয়ং অ্যাডাল্টদের মন থেকে বাংলার জনপ্রিয় মূল লোককাহিনিটি চিরতরে মুছে দেওয়া। রানি কটকটি-বোমচিকা গ্রহ, কিরণমালার ছানাপোনা এইসব যে মূল গল্পের ধারেকাছেও ছিল না, সে কথা আজকের বইবিমুখ জেনারেশন কোনওদিন জানতে পারবে কি না সন্দেহ।

২. যুক্তিবু্দ্ধিসম্পন্ন-ভাল সিনেমা দেখা-সাহিত্য পড়া একশ্রেণির দর্শকও ‘কিরণমালা’ দেখতে বসতেন প্রাণ খুলে, পেট ফাটা হাসি হাসতে। সাম্প্রতিক সময়ে হাসি বড় দুর্লভ জিনিস। এই ধারাবাহিক বছরের পর বছর বহু মানুষকে হাসিয়েছে। এর চেয়ে বড় অবদান কী হতে পারে?

৩. গত বছর বাংলাদেশে ‘কিরণমালা’ সালোয়ার-কামিজ ঢালাও বিক্রি হয়েছে ইদের বাজারে। ‘মিনা’ বা ‘টিনা’ নাম দিয়ে কালেকশন লঞ্চ করলে বিক্রিবাটা কতটা কী হতো বলা যায় না। কিন্তু যেহেতু ট্যাগ রয়েছে ‘কিরণমালা’, তাই বিক্রি ভাল হয়েছে বলে ঘটনাটির উল্লেখ করে ঢাকার একাধিক সংবাদমাধ্যম। তাই বলতেই হয় যে, শুধুই মনোরঞ্জন নয়, বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও একটি উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে এই ধারাবাহিক।

এ সম্পর্কিত আরও

Mountain View