ঢাকা : ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭, মঙ্গলবার, ২:১১ পূর্বাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

২৪ থেকে ২৬ নভেম্বর ঢাকা চলো কর্মসূচি থেকে বিরত থাকবে ওয়ার্কার্স পার্টি

95798e2e0fcc01b1fb1916aa4ff14f35x800x481x38তেল-গ্যাস খনিজ সম্পদ বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির আগামী ২৪ থেকে ২৬ নভেম্বর ‘চলো চলো ঢাকা চলো’ কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওয়ার্কার্স পার্টি।
আজ পার্টির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি দলগতভাবে ও তেল-গ্যাস খনিজ সম্পদ বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির শরীক হিসেবে সুন্দরবনের ক্ষতিসাধন করবে এমন প্রকল্প সম্পর্কে আপত্তি উত্থাপন করেছে। কিন্তু দুভার্গ্যক্রমে এ ধরনের একটি জাতীয় বিষয়ে কোন সমাধানের প্রশ্নে না গিয়ে বিএনপি-জামায়াত একে তাদের আন্দোলনের ইস্যুতে পরিণত করার সর্বাত্মক চেষ্টা করছে।
অপরদিকে তেল-গ্যাস খনিজ সম্পদ বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির কেউ কেউ রামপালে বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলে প্রয়োজনে ‘রাজনীতি পরিবর্তন করা হবে’ এমন উক্তি করেছেন। ভারতের সাথে যৌথ উদ্যোগে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে বিধায় জাতীয় কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত কেউ কেউ একে ভারতীয় আধিপত্যবাদের নগ্ন প্রকাশ বলে অভিহিত করছে। জাতীয় কমিটির মিছিল-সমাবেশে ভারতবিরোধী বক্তব্য ও স্লোগান দিতেও তারা দ্বিধা করছে না।

বরং জাতীয় কমিটির ২৪ থেকে ২৬ নভেম্বর ‘চলো চলো ঢাকা চলো’ কর্মসূচি উপলক্ষে প্রচারিত প্রচারপত্রে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প সর্বাংশে পরিহার করা, এমনকি রূপপুরে পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাতিল করার দাবি তুলেছে। কেবল তাই নয় ওই প্রচারপত্রে ‘উন্নয়নের নামে বাংলাদেশকে ভারত ও চীনের ডাস্টবিন বানানো চলবে না’, এ ধরনের বিদ্বেষমূলক স্লোগান প্রদান করেই ক্ষান্ত হয়নি, ‘সারা বিশ্বে সৌর, বায়ু, বর্জ্য বিদ্যুৎ কয়লা বিদ্যুতকে ছড়িয়ে গেছে এমন বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান করেছে যা আদৌ তথ্যভিত্তিক নয়।

সরকার দেশের সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকারের কথা বলছে এবং ২০২০ সালের মধ্যে সকল জনগণের কাছে বিদ্যুৎ সরবরাহের ঘোষণা দিয়েছে। সরকারের পিএসএমপি-২০১০ -এ বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে গ্যাস নির্ভরতা কমিয়ে অন্তত ৫০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন করার পরিকল্পনা ও প্রস্তাবনা রেখেছেÑ যা বাস্তবায়ন করতে হলে এ ধরনের কয়লা ভিত্তিক আরো বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করতে হবে। সেই ক্ষেত্রে যেটা বিবেচনার বিষয় হল এ সকল প্রকল্প পরিবেশ বান্ধব কিনা। সুন্দরবনের সন্নিকটে রামপালে বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে আপত্তির ক্ষেত্রে সুন্দরবনের ধ্বংস সাধন ও প্রকৃতি ও পরিবেশে কতখানি ক্ষতিসাধন করবে সেটাই প্রধান বিবেচ্য বিষয়।

কিন্তু ওয়ার্কার্স পার্টি ও আরো অন্যান্যদের আপত্তি উপেক্ষা করে তেল-গ্যাস-বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি এই আন্দোলনকে তাদের কারো কারো রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে ব্যবহার করতে এসব অনভিপ্রেত, অসার, যুক্তিহীন স্লোগান তুলে ধরেছে জাতীয় কমিটির প্রচারপত্রে। ‘উন্নয়নের নামে বাংলাদেশকে ভারত ও চীনের ডাস্টবিন বানানো চলবে না’ কোন রাজনৈতিক দলের স্লোগান হতে পারে, জাতীয় কমিটির নয়।

জাতীয় কমিটি প্রচারিত প্রচারপত্রের স্লোগানসমূহের ভিত্তিতে এই কর্মসূচি পালিত হলে সকল আন্দোলনে ব্যর্থ হওয়া বিএনপি-জামায়াতকে এই আন্দোলনকে তাদের রাজনৈতিক অভিলাষ চরিতার্থ করার সুযোগ সৃষ্টি করে দেবে। এই অবস্থায় সঙ্গত কারণে ওয়ার্কার্স পার্টি ২৪-২৬ নভেম্বর ‘চলো চলো ঢাকা চলো’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং এতদিন ধরে চলে আসা জাতীয় কমিটির আন্দোলনকে দলবাজী ও দলীয় রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার না করার অনুরোধ জানাচ্ছে। একই সঙ্গে ওয়ার্কার্স পার্টি সুন্দরবন রক্ষা ও রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থানান্তরের দাবিতে আগামী ৩ ডিসেম্বর সারাদেশে সমাবেশ ও মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করছে।

এ সম্পর্কিত আরও

Best free WordPress theme

Check Also

এমপি ছানোয়ার মামলা করবেন-চড়-ঘুষি মিথ্যা

‘আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের টাঙ্গাইলের এমপি মো. ছানোয়ারহোসেনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার …