Mountain View

মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিচ্ছে বাংলাদেশ : পররাষ্ট্র মন্ত্রী

প্রকাশিতঃ নভেম্বর ২৪, ২০১৬ at ৮:২২ অপরাহ্ণ

e403cc396632cb8bab023dff76f5e58dx800x481x37মিয়ানমার চলমান রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের শিকার হয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকায় মানবিক কারণে আশ্রয় দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। আজ বিকালে মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এতথ্য জানান।

আজ (বৃহস্পতিবার) বিকালে রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের ব্রিফ করেছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী । রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় আয়োজিত ব্রিফিংএ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ব্রাজিল, চীন, জাপান, কোরিয়া, জাতিসংঘ, ভারত, সৌদি আরবসহ বেশ কিছু দেশের রাষ্ট্রদূতরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

ব্রিফিং শেষে পররাষ্ট্র মন্ত্রী মাহমুদ আলী সাংবাদিকদের বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে আলাপ আলোচনার ভিত্তিতে সমাধান বের করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বাংলাদেশকে

দৃঢ়ভাবে সমর্থন দিয়েছে। তারা আলোচনার ওপরই জোর দিয়েছেন। আর বাংলাদেশ এই সমস্যা সমাধানে মিয়ানমারে গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই আলোচনা চালিয়ে আসছে। প্রধানমন্ত্রী আলোচনার জন্য সেখানে বিশেষ দূত পাঠিয়েছেন। বিভিন্ন ফোরামে এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

এদিকে মিয়ানমারে চলমান রোহিঙ্গা মুসলিম সঙ্কট যেভাবে মোকাবিলা করছে অং সান সুচির সরকার তাতে পশ্চিমা দেশগুলোতে ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে উদ্বেগ। প্রশ্ন মুখে পড়েছে অং সান সুচি সরকারের সক্ষমতা। এ জন্য জাতিসংঘে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত সামান্থা পাওয়ার গোপনে অন্যান্য কূটনীতিকদের সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা করেছেন। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

সেই আলোচনায় তিনি সতর্কতা উচ্চারণ করেছেন। বলেছেন, মিয়ানমার নিজে এ সমস্যা মোকাবিলা করতে পারবে না। পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র, বৃটেন, মালয়েশিয়া, মিশরসহ বেশ কয়েকটি দেশ।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সেই বৈঠকে নিয়ে সূচি অভিযোগ তুলে বলেন, তার দেশের সঙ্গে ‘আনফেয়ার’ আচরণ করা হচ্ছে। এ সময় সুচিকে বেশ হতাশ দেখা গেছে। ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র, বৃটেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ডেনমার্কের কূটনীতিকরা।

তাদের কাছে সূচি অভিযোগ করেন, বাস্তব তথ্য বাদ দিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় একপেশে সংঘাতের দিকে দৃষ্টি দিয়েছে। নিউ ইয়র্কের বৈঠকে জানিয়ে দেয়া হয়েছিল যে, নির্যাতনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সেখানে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দেয়ার সুবিধার প্রতি ও অভিযোগ তদন্তের বিষয়ে মিয়ানমার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ বিষয়েই কূটনীতিকরা মিয়ানমারের ওপর এখন চাপ বাড়াচ্ছেন।

এ সম্পর্কিত আরও