Mountain View

শরীয়তপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে কে হচ্ছেন আ’লীগের প্রার্থী ? এ নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনার ঝঁড়

প্রকাশিতঃ নভেম্বর ২৪, ২০১৬ at ৬:৪৬ অপরাহ্ণ

15139557_1751931148405930_1251231947_nশরীয়তপুর প্রতিনিধি ॥ আগামী ২৮ ডিসেম্বর জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। শরীয়তপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের সম্ভাব্য ৫ জন প্রার্থী মনোনয়ন পাওয়ার আশায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন। প্রথমবারের মত নুতন পদ্ধতিতে হতে যাওয়া জেলা পরিষদের নির্বাচনে কে হচ্ছেন এবারের প্রশাসক সেদিকে তাকিয়ে আছেন শরীয়তপুরবাসি।

বিএনপি ও জাতীয় পার্টি জেলা পরিষদ নির্বাচন বর্জন করলেও আওয়ামীলীগের সম্ভাব্য প্রার্থীরা নির্বাচনকে সামনে রেখে তৎপর রয়েছে। খুব শীঘ্রই হয়তো বা মনোনয়ন বা দলীয় প্রার্থী হিসেবে একজনকে গ্রীন সিগন্যাল দেয়া হতে পারে। কে হচ্ছেন আওয়ামীলীগের প্রার্থী। এ নিয়ে আলোচনার ঝড় বইছে সরকার দলীয় বিভিন্ন পযায়ের নেতাকর্মীদের মাঝে। তবে অন্য কোন দলের নিবাচন নিয়ে তেমন কোন সাড়া নেই।
শরীয়তপুরের ভোটার ও সম্ভাব্য প্রার্থীদের সূত্রে জানা গেছে, সরকার গত ২০ নভেম্বর জেলা পরিষদের নির্বাচনী তফসিল ঘোষনা করেছে।

এরপূর্বে ১৮ নভেম্বর সরকার দলীয় আগ্রহী চেয়ারম্যান প্রার্থীদের কাছ থেকে আবেদনপত্র জমা নিয়েছেন। প্রথমবারের মত নুতন পদ্ধতিতে হতে যাওয়া জেলা পরিষদের নির্বাচনে কে হচ্ছেন এবারের প্রশাসক সেদিকে তাকিয়ে আছেন শরীয়তপুরের লোকজন। বিএনপি ও জাতীয় পার্টি জেলা পরিষদ নির্বাচন বর্জন করলেও আওয়ামীলীগের সম্ভাব্য প্রার্থীরা নির্বাচনকে সামনে রেখে তৎপর রয়েছে। শরীয়তপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য ৫ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আগ্রহী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন চেয়ে আবেদন পত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন, বর্তমান জেলা পরিষদ প্রশাসক সাবেক এমপি মাষ্টার মজিবুর রহমান, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি পদ্মাসেতু বাস্তবায়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছাবেদুর রহমান খোকা সিকদার, জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি শরীয়তপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র আবদুর রব মুন্সি, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক অনল কুমার দে, সাবেক যুগ্নসচিব আনিছুর রহমান পাহাড়। এরা সকলেই এখন মনোনয়ন লড়াইতে ঢাকায় অবস্থান করছেন।

সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছে বর্তমান জেলা পরিষদের প্রশাসক মাষ্টার মজিবুর রহমান। তিনি ১৯৯৬ সালে শরীযতপৃুর-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। এর পূর্বে ১৯৮৫ সালে জাজিরা উপজেলা চেয়ারম্যান ১৯৭৩ সালে জাজিরার বড়গোপালপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৬৫ থেকে ৬৯ পর্যন্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পড়াশুনা অবস্থায় ছাত্রলীগের একজন কর্মী হিসেবে কাজ শুরু করেন। তিনি ১৯৭২ সালে জাজিরা থানা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক একই সাথে থানা যুবলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৭ সালে তিনি জাজিরা থানা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৮৫ সাল থেকে তিনি জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য আছেন। গত জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়ে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এ ছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে যুগ্নসচিব আনিছুর রহমান পাহাড়।

তিনি এখনো জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য হননি। জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি আবদুর রব মুন্সি তিনি আঙ্গারিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি থাকা কালীন সময়ে বিদ্যালয়ের জমি বিক্রির টাকা আতসাতের দায়ে দুর্নীতির মামলায় জেল খেটেছেন। ঐ মামলা এখনো বিচারাধীন থাকার কারনে তাকে গত পৌর নির্বাচনে ও মনোনয়ন দেয়া হয়নি। জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি পদ্মাসেতু বাস্তবায়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছাবেদুর রহমান খোকা সিকদার।

মাষ্টার মজিবুর রহমান বলেন, আমি দীর্ঘদিন যাতব আওয়ামীলীগ পক্ষে আন্দোলন সংগ্রাম করে দলীয় সকল কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়ি ছিলাম। আমাকে প্রশাসক দেয়ার পর সুনামের সহিত কাজ করেছি। আমি ১০০ ভাগ আশাবাদি দল আমাকে মনোনয়ন দিবে।

জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ছাবেদুর রহমান খোকা সিকদার বলেন, দলের দুর্দিনে কাজ করেছি। দলের কাছে মনোনয়ন চেয়েছি দল মনোনয়ন দিলে নির্বাচন করবো। তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে মনোনয়ন দিলে আমি মনোনয়ন পাবো বলে আশা করি।

এ সম্পর্কিত আরও