ঢাকা : ১৮ জানুয়ারি, ২০১৭, বুধবার, ১১:৫২ পূর্বাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

শিশুর নাকে পানি ঝরার সমস্যায় কী করবেন?

image-1645

শিশুর নাক দিয়ে যখন প্রায়ই পানি ঝরে তখন বিষয়টি নিয়ে বাবা-মা চিন্তিত না হয়ে আর পারেন না। নাকের এই পানিকে সরাসরি পানি না বলে শ্লেষ্মা বলাই ভালো। সাধারণত চার থেকে আট বছর বয়সের শিশুদের মধ্যে নাক দিয়ে শ্লেষ্মা ঝরার সমস্যা দেখা যায়। এই বয়সে ঘন ঘন ঊর্ধ্বশ্বাসনালির প্রদাহে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি শিশুদের নাক দিয়ে এই শ্লেষ্মা ঝরার কারণ বলে মনে করা হয়।

সাধারণভাবে অ্যালার্জি সমস্যায় আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে নাক দিয়ে শ্লেষ্মা ঝরার সমস্যা লক্ষ করা যায়। তবে দরিদ্র পরিবারের অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের মধ্যেও এ ধরনের সমস্যা বেশি দেখা যায়। কারণ, এ ধরনের শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে। এ ছাড়া শিশুদের আশপাশে ধূমপান করার জন্য অর্থাৎ পরোক্ষ ধূমপানের কারণেও অনেক শিশু নাকের শ্লেষ্মা ঝরার সমস্যায় ভুগে থাকে।

নাক দিয়ে প্রায়ই শ্লেষ্মা ঝরার অন্যতম কারণগুলো হচ্ছে-

  • ভাইরাসজনিত নাকের ইনফেকশন
  • অ্যালার্জিজনিত নাকের ও সাইনাসের প্রদাহ
  • সাইনোসাইটিস
  • শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকা
  • নাকের আঘাত, নাকের মধ্যবর্তী বাঁকা দেয়াল, নাসারন্ধ্রের পিছনের ছিদ্র সংকীর্ণ কিংবা বন্ধ থাকা, এডিনয়েড বেড়ে যাওয়া, টনসিলের সমস্যা
  • নাকের গহ্বরে কোনো বস্তু আটকে থাকা
  • নাকের ঝিল্লির সিলিয়ার অস্বাভাবিক গতিময়তা, অস্বাভাবিক শ্লেষ্মা, ঝিল্লিস্থ গ্রন্থির অস্বাভাবিকতা ইত্যাদি

অনবরত কিংবা প্রায়ই নাকের শ্লেষ্মা ঝরা একটি সমস্যা হলেও নাকের ঝিল্লির এই নিঃসরণের রয়েছে প্রতিরোধক ক্ষমতা। নাকের কার্যক্ষমতা বজায় রাখতে এবং বাহ্যিক প্রতিকূল পরিবেশ থেকে নাককে রক্ষা করতে ভূমিকা রাখে এই শ্লেষ্মা। সাধারণত এই শ্লেষ্মা দেখতে পানিরমতো কিংবা সাদাটে হয়ে থাকে। শ্লেষ্মার রঙের কোনো পরিবর্তন হলে বুঝতে হবে নাকে কোনো সংক্রমণ হয়েছে। সাধারণভাবে হলুদ এবং সবুজাভ শ্লেষ্মাকে সংক্রমিত শ্লেষ্মা হিসেবে গণ্য করা হলেও অনেক সময় অধিক সংখ্যক ইয়োসিনোফিল নামক শ্বেতকণিকার উপস্থিতিতেও রঙ হলুদাভ কিংবা হালকা সবুজাভ হতে পারে। কিন্তু ঘন ঘন নাকের ইনফেকশন এবং সাথে সবুজ রঙের শ্লেষ্মা নাকে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণকেই নির্দেশ করে।

এছাড়া বারবার ইনফেকশনের কারণে নাক দিয়ে রক্ত ঝরতে পারে, নাক ব্যথা করতে পারে, হাঁচি হতে পারে, নাকে দুর্গন্ধ  হতে পারে।

এ ধরনের সমস্যা মাসের পর মাস চলতে থাকলে একজন নাক কান গলা রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে বের করতে হবে সমস্যার কারণ। রোগ নির্ণয় হলে নির্ণীত কারণ অনুযায়ী চিকিৎসা করালেই সমস্যার সমাধান খুঁজে পাওয়া সম্ভব হবে।

এ সম্পর্কিত আরও

Best free WordPress theme

কম খরচে আপনার বিজ্ঞাপণ দিন। প্রতিদিন ১ লাখ ভিজিটর। মাত্র ২০০০* টাকা থেকে শুরু। কল 016873284356

Check Also

মরিচে স্বাস্থ্য উপকারিতা

সারা ভারতেই রোজকার খাবারে মরিচের নিয়মিত ব্যবহার রয়েছে। জানেন কি, খাবারের স্বাদ বাড়ানো ছাড়াও আরও …