ঢাকা : ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬, শনিবার, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
সর্বশেষ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

মাশরাফিদের সপ্তম হার

anaojanabd-600x330জয়ের জন্য দরকার ১৭১ রান। কুমিল্লার ব্যাটসম্যানদের পারফরম্যান্সের চিত্র দেখে তাদের পক্ষে বাজি ধরার লোক খুব কমই ছিল। তবে চ্যাম্পিয়নদের স্বপ্ন দেখাচ্ছিলেন খালিদ লতিফ ও আহমেদ শেহজাদ। দলীয় ৭২ রানে লতিফ আর ১০৬ রানে শেহজাদ আউট হয়ে গেলে জয়ের স্বপ্নটা স্বপ্নই থেকে গেল মাশরাফির।

আট ম্যাচে সাত হার নিয়ে যথারীতি পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। আর সমান সংখ্যক ম্যাচে সাকিবদের জয় পাঁচ ম্যাচে।

প্রথমে ব্যাটিং করে ৫ উইকেটে ১৭০ রান করে ঢাকা ডায়নামাইটস। জবাবে ৮ উইকেটে ১৩৮ রানে শেষ হয় কুমিল্লার ইনিংস। ৩২ রানের হারে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়ল মাশরাফির দল।

১৭১ রানের বড় লক্ষ্যে খেলতে নেমে ২৪ রানে শান্তর উইকেট হারায় খুলনা। ১৭ রান করে শহীদের বলে সাকিবের হাতে ধরা পড়েন তিনি।  নবম ওভারে আউট হন ইমরুল কায়েস। দলের রান তখন ৫৭।

অপর ওপেনার খালিদ লতিফ অবশ্য দারুণ খেলছিলেন তবে ৩৮ রান করে ব্রাভোর বলে সানজামুলকে ক্যাচ দেন পাক ব্যাটসম্যান। দলীয় ৯১ রানে লিটন দাসের উইকেট হারায় কুমিল্লা। ১৬ওম ওভারে শেহজাদ ও মাশরাফিকে হারিয়ে হার নিশ্চিত করে ফেলে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

সোহেল তানভীর অপরপ্রান্তে থাকলে ব্রাভো-সাকিবদের আঁটসাট বোলিংয়ে হাত খোলার সুযোগ পাননি তিনি। শেষ পর্যন্ত ১৩৮ রানেই শেষ হয় কুমিল্লার ইনিংস। ডোয়াইন ব্রাভো নেন তিন উইকেট।

এর আগে প্রথমে ফিল্ডিং করে স্পিনারদের দাপটে ঢাকার রানের চাকাটাতে লাগাম পড়িয়েছিল কুমিল্লা। তবে বাধ সাধেন সাকিব। মূলত তার ব্যাটে ভর করেই ১৭০ রানের বড় স্কোর গড়ে ঢাকা।

বাকি ম্যাচগুলোর মতো এই ম্যাচেও উদ্বোধনী জুটিতে রানের দেখা পায় ঢাকা। ২৪ বলে ৩৮ রানের জুটিতে মেহেদী মারুফের অবদান ২২। তিন চারের সাথে একটি ছয় মারেন এই ব্যাটসম্যান। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে মাহেলা-সাঙ্গাকারার ব্যাট থেকে আসে আরো ৪৫ রান।

দলীয় ৮৩ রানে রশীদ খানের বলে বোল্ড হবার আগে ২৮ বলে ৩৩ রান করেন সাঙ্গাকারা। বেশিক্ষণ থাকেননি জয়াবর্ধনেও। ২৭ বলে ৩১ রান করেন আফগান লেগ স্পিনারের বলে বোল্ড হন তিনিও। রানের গতি বাড়ানোর দায়িত্ব নেন সাকিব ও সৈকত।

৩০ বলে এই জুটি থেকে আসে ৪৬ রান। ১৮তম ওভারের শেষ বলে সোহেল তানভীরের বলে বোল্ড হন সৈকত। ১৮ বলে দুই চার ও এক ছয়ে ২৫ রান করেন তিনি। তবে সাকিব থামেননি। ২৬ বলে রান ৪১ রান করে ঢাকার স্কোরটাকে বড় করেছেন বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার।

অপরদিকে শেষ ওভারের ঝড় তুলেন প্রসন্নও। এক ছয় ও এক চারে চার বলে ১১ রান করেন লংকান অলরাউন্ডার।

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

20161202_100329

অসাধারণ ‘ডাবল’ অর্জনের সামনে তিন ইংলিশ

এমন একটি ‘ডাবল’ যেটি ক্রিকেট ইতিহাসের কোনো দেশের দুই ক্রিকেটার একই বছরে অর্জন করতে পারেননি। …

Mountain View

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *