Mountain View

‘নতুন বছরেই ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে ভয়াবহ যুদ্ধ বেঁধে যাবে’

প্রকাশিতঃ নভেম্বর ২৭, ২০১৬ at ৭:২৪ অপরাহ্ণ

c8d46453046f029e31c9fbbbefac1c8ex600x400x46পাকিস্তানের সঙ্গে ক্রমশ উত্তেজনা বাড়ছে প্রতিবেশি ভারতের। এই অবস্থায় মার্চ বা এপ্রিল মাসে ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের আশংকা রয়েছে বলে মনে করেন পাকিস্তানের তদন্তকারী সাংবাদিক নাভিদ আহমেদ।

ইরানের ইংরেজি নিউজ চ্যানেল প্রেস টিভিতে পাক-ভারত উত্তেজনা নিয়ে বিতর্কের  সময় তিনি বলেন, ভারত ‘কোল্ড স্টার্ট ডকট্রিন’ বা ‘ধীরে শুরুর নীতি’ নিয়ে এগিয়ে চলেছে। কাশ্মীর সীমান্তে নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছের লক্ষ্যবস্তুগুলোকে চূড়ান্ত হামলার আগে ‘নরম করার’ চেষ্টা করছে ভারত। মার্চ বা এপ্রিল মাসে পাক-ভারত পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ শুরুর আশংকা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে কাশ্মীর থেকেই এই যুদ্ধ শুরু হবে।

নাভিদ আহমেদ আরও বলেন, ভারতীয় সামরিক বাহিনী যে সব মহড়া চালাচ্ছে এবং গোটা ভারতজুড়ে যে মনোভাব তৈরি হয়েছে, এর প্রেক্ষাপটে মনে হচ্ছে পাকিস্তানের সঙ্গে উত্তেজনাকে তুঙ্গে নিয়ে যেতে এবং তৃতীয়বারের জন্যে যুদ্ধ বাধতে চলেছে পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের। এমনকি, এইদিক থেকে নজর ঘোরাতেই নোট বাতিল করা হয়েছে বলেও মনে করেন এই বিশ্লষেক।

 একই সঙ্গে তাঁর মত, চিনের দিকে পাকিস্তানের
ঝুঁকে পড়া এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক করিডর প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ ভারতের দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে মোটেও খাপ খায় না! এছাড়া, ভারতের সঙ্গে শান্তি আলোচনা শুরুর জন্য পাকিস্তানের প্রস্তুতির বিষয়েও কথা বলেন নাভিদ আহমেদ। তিনি বলেন, শান্তি আলোচনা দ্বিপাক্ষিক প্রক্রিয়া।

তিনি জোরালো ভাষায় বলেন, দুই সরকারের মধ্যে আস্থা এবং পর্যাপ্ত পুঁজি বিনিয়োগ ছাড়া পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন হবে না। ভারত অনেকবারই শান্তি প্রক্রিয়া বাতিল করতে চেয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

আলোচনায় অংশ নেওয়া অপর সাংবাদিক এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক সোবহান সাক্সেনা বলেন, কাশ্মীর সংকট নিরসনে পাকিস্তান ও ভারতের একযোগে কাজ করা উচিত। কিন্তু দুই পক্ষের যুদ্ধংদেহী মনোভাব বিরাজমান সংকট নিরসনে কোনও সহায়তা করবে না। পাকিস্তান ও ভারত দু দেশের হাতে পরমাণু অস্ত্র রয়েছে ফলে দুই দেশেরই সংযম ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি।

পূর্ণাঙ্গ  যুদ্ধ যদি শুরু হয় তাহলে দু দেশ এবং গোটা অঞ্চলের ওপর নিয়ে ধ্বংসযজ্ঞ বয়ে যাবে তা সহজেই অনুমান করা যায় বলে উল্লেখ করেন সোবহান সাক্সেনা। তিনি বলেন, পরমাণু যুদ্ধ সম্ভব নয় এবং এই নিয়ে কথা বলা উচিতও হবে না।

পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সব সমস্যার জন্য ভারতকে দায়ী করা থেকে বিরত থাকার জন্য ইসলামাবাদ সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সমস্যা নিজেদেরই সমাধান করা উচিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, সন্ত্রাসবাদ এবং উগ্রবাদের বিরুদ্ধে নেওয়া নীতির ফলই পাকিস্তান ভোগ করছে। -কলকাতা২৪।
২৭ নভেম্বর, ২০১৬/এমটিনিউজ২৪/সৈকত/এমএম
আগুন নেভানোর জন্য রাশিয়া, তুরস্ক, গ্রিস, ফ্রান্স, স্পেন ও কানাডা থেকে বিমান পাঠানো হয়েছে। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হাইফা শহরের লোকজন ঘরে ফিরতে শুরু করেছে। তারা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করছে। বৃহস্পতিবার এ শহর থেকে হাজার হাজার মানুষ পালিয়ে গিয়েছিল।
ইহুদিবাদি ইসরাইলের দাবানল নেভাতে মুসলিম দেশ তুরস্কসহ ৮টি দেশের অগ্নিনির্বাপক বিমান চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ফিলিস্তিনে ও আরাকানে অগ্নিসংযোগকারী এবং নিরীহ মানুষ হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে এক বালতি পানি কিংবা একটা গুলি নিয়েও হাজির হয় না কেউ!
উল্লেখ্য, ইসরাইলের দাবানল নেভাতে তুরস্ক সরকার ৩টি বিমান পাঠিয়েছে। এছাড়া, আমেরিকা, রাশিয়া, ফ্রান্স, স্পেন, কানাডা, সাইপ্রাস ও গ্রিস পানিবাহী উভচর বিমান পাঠিয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও

Mountain View