ঢাকা : ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, শুক্রবার, ২:১০ পূর্বাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

কাস্ত্রোর মৃত্যুতে ওবামার শোক, ট্রাম্পের ঘৃণা

c8d46453046f029e31c9fbbbefac1c8ex600x400x46ফিদেল কাস্ত্রোর মৃত্যুতে শোকাচ্ছন্ন পুরো পৃথিবীর মুক্তিকামী মনোভাবের মানুষ। সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের এ কিংবদন্তী নেতার মৃত্যুতে কাঁদছেন হাভানাবাসী, কাঁদছেন কাস্ত্রো ভক্ত ফিদেলিস্তারা। শোক জানিয়েছেন বিশ্বে নেতারাও। তবে ফিদেলের মৃত্যুতে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বী যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ও হবু প্রশাসন।

বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এ মুহূর্তে কিউবা এবং বহির্বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা কিউবানদের মধ্যে ব্যাপক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া বয়ে চলেছে। বিশ্বব্যাপী ব্যক্তি কাস্ত্রোর যে প্রভাব রয়েছে, ইতিহাস তার বিচার করবে।’

ওবামা বলেন, ‘ফিদেল কাস্ত্রোর পরিবারের প্রতি শোক প্রকাশ করছি। কিউবার জনগণের প্রতি আমাদের শুভকামনা জানাচ্ছি। সামনের দিনগুলোতে আমাদের যেমন পেছনের দিকে তাকাতে হবে, তেমনি সামনেও এগিয়ে যেতে হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘গত ছয় দশক ধরে রাজনৈতিক মতভিন্নতার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কিউবার রাষ্ট্রীয় সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন ছিল। এখন আমরা অতীতকে পেছনে ফেলে, মতভিন্নতাকে পাশ কাটিয়ে নতুন করে সম্পর্ক রচনা করেছি। বন্ধুত্ব, সংস্কৃতি, বাণিজ্য, মানবতার মতো বিষয়গুলো নিয়েও পরস্পরের সঙ্গে আলোচনা করেছি।’

অন্যদিকে, ফিদেল কাস্ত্রোর মৃত্যুতে কিউবার ‘মুক্তি’ দেখছেন পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘ফিদেল কাস্ত্রোর জন্য যে ট্র্যাজেডি, মৃত্যু এবং বেদনা সহ্য করতে হয়েছে, তা আমরা মুছে ফেলতে পারবো না। তবে আমার প্রশাসন কিউবার জনগণের মুক্তি ও অগ্রগতি নিশ্চিতের জন্য কাজ করবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘কিউবা এখনো একটি কর্তৃত্ববাদী দ্বীপ রয়ে গেছে। আজ আমি প্রত্যাশা করছি, এ আতঙ্ক খুব বেশিদিন থাকবে না। এ ঘটনা কিউবানদের এমন এক ভবিষ্যতের দিকে নিয়ে যাবে, যা তাদের একান্ত প্রাপ্য।’

প্রসঙ্গত, ফিদেল কাস্ত্রোর নেতৃত্বে ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধমে কিউবায় সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হলে, দেশটি পুঁজিবাদী যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বিরোধে জড়িয়ে পড়ে। ষাটের দশকে স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালীন ক্ষেপণাস্ত্র সংকটের প্রেক্ষিতে এ বিরোধ চরমে পৌঁছায়। তখন থেকেই প্রতিবেশী দেশ দুটির মধ্যে কোনো ধরনের রাষ্ট্রীয় সম্পর্ক ছিল না। এমনকি বিগত দিনগুলোতে মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ ফিদেলকে হত্যায় ৬৩৮ বারের মতো চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে বারাক ওবামা মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা ভেঙে ঐতিহাসক সফরে কিউবা যান। এর মধ্য দিয়ে দেশ দুটির মধ্যে নতুন করে সম্পর্কের সূচনা হয়। দুই দেশেই পরস্পরের দূতাবাস খোলা হয়। কিউবার সঙ্গে নতুন করে বাণিজ্য, ভ্রমণ এবং আর্থিক নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়ে আলোচনা অগ্রগতি লাভ করেছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে এ আলোচনা বাস্তব রূপ পাবে কিনা, তা সময়ই বলে দেবে।
সূত্র: রয়টার্স ও বিবিসি

 

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

অস্ট্রেলিয়ায় ধর্ষণের শিকার হলো বালক!

অস্ট্রেলিয়ায় বালক ধর্ষণের এমন ঘটনায় চাঞ্চল্য খবর ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্ব মিডিয়ায়। ১০ মেয়ে মিলে প্রায় …

Mountain View

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *