Mountain View

তাহলে কি আবারও কলঙ্কিত হতে চলেছে বিপিএল?

প্রকাশিতঃ নভেম্বর ২৮, ২০১৬ at ৯:৩২ অপরাহ্ণ

capture22222222

আবারও কলঙ্কের মুখে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ! বিপিএলের চতুর্থ আসর শুরুর দিকেই ম্যাচ ফিক্সিংয়ের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। ম্যাচ পাতানোর জন্য রংপুর রাইডার্সের এক ক্রিকেটার ফোনে প্রস্তাব পেয়েছিলেন বলেও গুঞ্জন উঠেছিল। কিন্তু রংপুর রাইডার্সের দুর্দান্ত পারফরমেন্সের কারণেই হয়তো টুর্নামেন্টের মাঝখানে বিষয়টি চাপা পড়ে যায়। তবে এবার আবারও প্রকাশ্যে এলো ম্যাচ ফিক্সিংয়ের কাহিনী!

এ গুঞ্জনের মূলে আছেন রংপুর রাইডার্সের ক্রিকেটার জুপিটার ঘোষ। টুর্নামেন্ট মাঠে গড়ানোর আগেই নাকি এই ক্রিকেটারকে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন রংপুরের টিম ম্যানেজমেন্টের এক সদস্য। তার অভিযোগ থেকে জানা যায়, প্রথম ম্যাচের আগে রংপুরের এক কর্মকর্তা নাকি জুপিটারকে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব দেন। প্রস্তাব না মানলে তাকে দল থেকে বাদ দেওয়া হবে বলেও হুমকি দেন। এরপরই ৫ নভেম্বর সকালে বহিস্কার করা হয় জুপিটারকে।

জুপিটারের এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে রংপুর রাইডার্স তার বিরুদ্ধে পাল্টা শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ এনেছে। দলটির কর্মকর্তাদের অভিযোগ, প্রত্যেক ক্রিকেটারকে রাতে রুমে ফেরার নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। জুপিটার সেই নিয়ম ভঙ্গ করেছেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে হোটেল রুমে বান্ধবীসহ বের হতেও দেখা গেছে বলে দাবি দলটির ম্যানেজার সানোয়ার হোসেনের। এসব কারণে তাকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। এর পেছনে ফিক্সিংয়ের গল্প সম্পূর্ণ বানোয়াট।

ফ্র্যাঞ্চাইচির অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেননি জুপিটার। তবে ‘রাত করে হোটেলে ফেরা’ আর ‘৫-১০ মিনিটের জন্য বান্ধবী কে হোটেলে নিয়ে আসা’ র কারণে তাক দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে সেটা মানতে নারাজ। বিষয়টি নিয়ে বিসিবির দূর্নীতি দমন বিভাগ (আকসু) র কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করার কথা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন জুপিটার।

এদিকে ঘটনার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত জুপিটার এবং রংপুর রাইডার্সের ম্যানেজার সানোয়ার হোসেনের প্রতি মাঠে আসায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে গভর্নিং কাউন্সিল।সাবেক ক্রিকেটার সানোয়ার দ্বিতীয় বিপিএলে ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে জড়ানো ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরসের ম্যানেজার ছিলেন।

এ সম্পর্কিত আরও