Mountain View

বিশ্বের অর্ধেক মানুষ অনলাইনে আসছে এ বছরই

প্রকাশিতঃ নভেম্বর ২৯, ২০১৬ at ৭:৫৪ পূর্বাহ্ণ

20161129075248

 

 

২০১৬ সালের শেষ নাগাদ বিশ্বের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকই ইন্টারনেট সেবার আওতায় আসবে। ইন্টারনেট সেবার প্রসার; বিশেষ করে মোবাইল নেটওয়ার্কের পরিসর বৃদ্ধি ও সাশ্রয়ী মূল্যের সেবার কারণে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর এ অর্জন সম্ভব হবে। তবে এই বিপুলসংখ্যক ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সিংহভাগই হবে উন্নত দেশের নাগরিক। জাতিসংঘের ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের (আইটিইউ) এক প্রতিবেদনে সম্প্রতি এ কথা বলা হয়েছে।

এতে বলা হয়, বাজেট সাশ্রয়ী ট্যাবলেট ও স্মার্টফোনের মতো ইন্টারনেট-সংশ্লিষ্ট ডিভাইসের কারণে অনলাইন জনসংখ্যা বাড়ছে দ্রুত। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি, এক্ষেত্রে উন্নত বিশ্বের দেশগুলোয় ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বাড়লেও উন্নয়নশীল ও স্বল্প উন্নত দেশগুলোয় প্রত্যাশা অনুযায়ী ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বাড়ছে না। অর্থাৎ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বিবেচনায় উন্নত দেশগুলোর তুলনায় বহুলাংশে পিছিয়ে রয়েছে উন্নয়নশীল ও স্বল্প উন্নত দেশগুলো।

আইটিইউর প্রতিবেদন অনুযায়ী, উন্নত দেশগুলোয় মোট জনসংখ্যার ৮০ শতাংশ এরই মধ্যে ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। সে তুলনায় উন্নয়নশীল দেশগুলোয় মোট জনসংখ্যার মাত্র ৪০ শতাংশ এবং স্বল্প উন্নত দেশগুলোর মাত্র ১৫ শতাংশ ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছে।

বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় ইন্টারনেট ব্যবহারে সবচেয়ে পিছিয়ে আছে আফ্রিকা মহাদেশের দেশগুলো। এ অঞ্চলের দরিদ্র ও অত্যন্ত নাজুক দেশগুলোর প্রতি ১০ জনের মধ্যে মাত্র একজন ইন্টারনেট সেবা ব্যবহার করছে।

জাতিসংঘের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিসংশ্লিষ্ট বিশেষ সংস্থা আইটিইউর তথ্য অনুযায়ী, আফ্রিকায় ইন্টারনেট সেবার বাইরে থাকা মানুষের বড় একটি অংশ নারী ও বয়স্ক। এছাড়া স্বল্প শিক্ষিত, দরিদ্র ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসকারীদের মধ্যে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগসুবিধা নেই। বর্তমানে বৈশ্বিক জনসংখ্যার ৪৭ শতাংশ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে।

জাতিসংঘ ২০২০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক জনসংখ্যার ৬০ শতাংশকে অনলাইনের আওতায় নেয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা থেকে এখনও অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে সংস্থাটি। বিশ্বব্যাপী এখনও প্রায় ৩৯০ কোটি মানুষ ইন্টারনেট সেবার বাইরে অবস্থান করছে; যা বৈশ্বিক জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি। আইটিইউ প্রত্যাশা করছে, চলতি বছরের শেষ নাগাদ ৩৫০ কোটি মানুষের ইন্টারনেট সেবায় প্রবেশাধিকার থাকবে।

এ সম্পর্কিত আরও