Mountain View

এয়াটেল গ্রাহকদের রবিতে কম টাকায় কথা বলায় আপত্তি বিটিআরসি’র

প্রকাশিতঃ নভেম্বর ৩০, ২০১৬ at ৭:২৪ পূর্বাহ্ণ

566e29647ac13bfb4d9b6985ab7c7152x650x366x21-jpeg3480x

এয়াটেল গ্রাহকদের রবিতে কম টাকায় কথা বলায় আপত্তি জানিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি।

মোবাইল ফোন অপারেটর এয়ারটেল রবি’র সঙ্গে একীভূত হওয়ার পর ১৮ নভেম্বর থেকে এয়ারেটেল গ্রাহকরা রবিতে কল কলার ক্ষেত্রে যে অননেট সুবিধা পাচ্ছেন তাতে আপত্তি জানিয়ে বিটিআরসি ব্যাখ্যা চেয়ে পাঠায়। এই অবস্থায় বিপাকে পড়েছেন রবির নতুন ব্র্যান্ড এয়ারটেলের ৮০ লাখ গ্রাহক।

জানা গেছে, বিটিআরসি’র ব্যাখ্যার জবাব দিয়েছে রবি। ব্যাখ্যায় উল্টো রবি বিটিআরসিকে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেছে, তাহলে কি বাজারে এয়ারটেল আলাদা প্রতিষ্ঠান হিসাবে এখনো অবস্থান করছে? এই প্রশ্নের কোন সদুত্তরও দিতে পারেননি বিটিআরসির একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিটিআরসির একজন শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, তারা রবির ব্যাখ্যার জবাব পেয়েছেন। এ বিষয়ে আইন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানান।

আইন অনুসারে, আদালতে মার্জার ফাইল তৈরির পর পরই এয়ারটেল আর টিকে থাকে না। এটি একীভূত হয়ে গেছে। তার ওপর আদালত রবি-এয়ারটেল মার্জার অনুমোদন করেছে। এরপরও কীভাবে একটি প্রতিষ্ঠানের ভেতরেই কলের ক্ষেত্রে ইন্টারকানেশন এক্সচেঞ্জকে অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে, যা গ্রাহক থেকেই নেয়া হবে, সেটিও কমিশনের সামনে তুলে ধরা হয়েছে।

রবি’র হিসাবে, এয়ারটেল থেকে রবিতে যুক্ত হওয়া প্রায় ৮০ লাখ গ্রাহকের অতিরিক্ত টাকা দিয়ে কল করার জন্য প্ররোচিত করার কোনো আইনি ভিত্তি নেই।

বিটিআরসির চিঠিতে বলা হয়েছে, একীভূত লাইসেন্সের আদেশ জারি হওয়ার আগ পর্যন্ত দুটি আলাদা অপারেটর থাকবে। কিন্তু কিসের ভিত্তিতে থাকবে, কমিশন তা বলেনি।

বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য টেলিকম আইন অনুসারে একীভূতকরণের বিষয়টি বিটিআরসির দেখার কথা নয়। তবুও নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসাবে তাকে বিষয়টি দেখভাল করতে হয়। কিন্তু এ ধরণের আদেশ কীভাবে এলো?

জানতে চাইলে কোম্পানি আইন বিশেষজ্ঞ ব্যারিস্টার ফাতেমা আনোয়ার বলেন, কোম্পানি আইন অনুসারে এখন আর এয়ারটেল আলাদা কোম্পানি নেই। এটি রবিতে একীভূত হয়ে গেছে এবং গত ১৬ নভেম্বর এর লিগ্যাল ডে ওয়ানও শেষ হয়েছে।

কোম্পানি মেমোরেন্ডাম অফ আর্টিকেল হিসাবে রবি যেহেতু বিটিআরসি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়, সেহেতু তাকে সেখান থেকে ফরমালিটি শেষ করতে হচ্ছে। কোম্পানি আইন অনুসারে, দুটি কোম্পানির মার্জার অনুমোদন করবে কোর্ট। কোর্ট তা করে দিয়েছে। এখানে নতুন করে কোনো প্রশ্ন তোলার সুযোগও নেই বলে মনে করেন ব্যারিস্টার ফাতেমা।

এ সম্পর্কিত আরও