ঢাকা : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭, শনিবার, ১:০৯ অপরাহ্ণ
সর্বশেষ
‘পিলখানায় জড়িত পলাতকদের আনার প্রক্রিয়া চলছে’ প্রতিবেশীদের জন্য নাকি যন্ত্রণাদায়ক তাই ১৮ বছর ধরে পাপড়ি ও অনন্যাকে শিকলে বেঁধে রাখা হয়েছে মোদির আমন্ত্রণ জানিয়ে ফিরলেন জয়শঙ্কর সীমান্তে প্রথম নারী বিজিবির সদস্য মোতায়েন আসুন ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা করি- বাংলিশ পরিহার করে গাংনীতে জামাইয়ের ছুরিকাঘাতে শ্বশুর পরিবারের চার জন আহত ॥ জামাই গ্রেফতার চুলাপ্রতি গ্যাসের দাম বাড়লো ৩০০ টাকা পুলিশের মহানুভবতা, মানবতা আজও ভূলুণ্ঠিত হয়নি! সেরাজেম মেরিট স্কলারশিপ এ্যাওয়ার্ড পেলেন ঢাবির ১১ শিক্ষার্থী দেশের ৬৮টি কারাগারে ‘৭৫৭৬৮ জন কারাবন্দী ফোনে কথা বলবে ’স্বজনদের সঙ্গে
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

রাজশাহী বরিশালের কাছে হেরে নিজেরাই বিপদে

mushsi

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ৩৬তম ম্যাচে জয় তুলে নিয়েছে মুশফিকুর রহিমের বরিশাল বুলস। ড্যারেন স্যামি, সাব্বির রহমান, মেহেদি মিরাজদের রাজশাহী কিংসকে ১৭ রানে হারিয়েছে বরিশাল।

বরিশাল বুলসের বিপক্ষে ম্যাচটা রাজশাহী কিংসের জন্য ছিল মহা গুরুত্বপূর্ণ। সেই ম্যাচ ১৭ রানে হেরে গিয়ে বিপদে পড়ে গেল তারা। টানা ৬ হারের পর বিপিএলে জয়ে ফিরল মুশফিকুর রহীমের বরিশাল। কিন্তু তাদের শেষ চারে থেকে প্লে অফে খেলার সম্ভাবনা প্রায় শূণ্যের কোঠায়। তবে তাদের কাছে হেরে রাজশাহীর প্লে অফে খেলার সম্ভাবনা এখন শঙ্কায় রূপ নিল। ১১ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ১০ থাকলো। রংপুর রাইডার্সের ১০ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট। দুই ম্যাচ বাকি। চতুর্থ স্থানের জন্য রংপুরের সাথে লড়াইয়ে পিছিয়ে পড়ল রাজশাহী।

নির্ধারিত ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে ১৬১ রান তোলে বরিশাল। অর্ধশতক হাঁকান ইংলিশ ব্যাটসম্যান ডেভিড মালান। জবাবে, নির্ধারিত ওভার ব্যাট করে ৭ উইকেট হারিয়ে রাজশাহীর ইনিংস থামে ১৪৪ রানে।

টস জিতে মুশফিকদের ব্যাটিংয়ে পাঠান রাজশাহী অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি। বরিশালের হয়ে ব্যাটিং শুরু করেন ডেভিড মালান এবং জীবন মেন্ডিস। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে মেহেদি হাসান মিরাজ ফেরান বরিশালের ওপেনার জীবন মেন্ডিসকে। ফরহাদ রেজার তালুবন্দি হওয়ার আগে মেন্ডিস ৮ বলে ৬ রান করেন। দলীয় ৭ রানের মাথায় প্রথম উইকেট হারায় বরিশাল।

এরপর জুটি গড়েন ডেভিড মালান এবং ফজলে মাহমুদ। দুর্দান্ত গতিতে টেনে নিয়ে চলেন বরিশালকে। ৭১ বলে স্কোরবোর্ডের আরও ১০০ রান যোগ করেন তারা। ইনিংসের ১৪তম ওভারে বিদায় নেন ডেভিড মালান। রানআউট হওয়ার আগে তিনি মিরপুরে ছোটো ঝড় তোলেন। তার ৩৩ বলের ইনিংসে ছিল ৬টি চার আর তিনটি বিশাল ছক্কার মার। দলীয় ১০৭ রানের মাথায় দ্বিতীয় উইকেট হারায় বরিশাল। একই ওভারের শেষ বলে ফরহাদ রেজা ফেরান ফজলে মাহমুদকে। ৪৩ বলে চারটি চার আর দুটি ছক্কায় ফজলে মাহমুদ করেন ৪৩ রান।

ইনিংসের ১৯তম ওভারে বিদায় নেন মুশফিক। দলীয় ১৪৩ রানের মাথায় চতুর্থ উইকেটের পতন ঘটে বরিশালের। মোহাম্মদ সামির বলে তুলে মারতে গিয়ে আউট হন ৮ রান করা মুশফিক। পেরেরার ব্যাট থেকে আসে অপরাজিত ২৯ রান। তার ২২ বলের ইনিংসে ছিল চারটি চার আর শাহরিয়ার নাফিস ৬ বলে দুই ছক্কায় ১৬ রান করে অপরাজিত থাকেন।

মিরপুরের শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা পৌনে ৬টায় ম্যাচটি শুরু হয়। গত ১৩ নভেম্বর দু’দলের প্রথম সাক্ষাতে চার রানের জয় পেয়েছিল বরিশাল। ১৯৩ রানের লক্ষ্যে সাব্বির রহমানের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে (৬১ বলে ১২২) ছয় উইকেটে ১৮৮ করতে সমর্থ হয় রাজশাহী।

বরিশাল বুলসের ছুঁড়ে দেওয়া ১৬২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে দুই ওপেনার দলকে দুর্দান্ত শুরু এনে দিলেও ইনিংসের তৃতীয় ওভারে ওপেনিংয়ে নামা নুরুল হাসান সোহান বিদায় নেন। দলীয় ২৭ রানে মনির হোসেনের বলে এলবিডব্লুর ফাঁদে পড়েন ১২ রান করা সোহান। দ্রুত বিদায় নেন সাব্বির রহমানও। দলীয় ৩৬ রানের মাথায় রায়াদ এমরিতের বলে ডেভিড মালানের দুর্দান্ত ক্যাচে ফেরেন ৮ রান করা সাব্বির। দলীয় ৫৩ রানের মাথায় বিদায় নেন ওপেনার মুমিনুল হক। অষ্টম ওভারে এনামুল হকের বলে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন ১৬ বলে একটি চার আর একটি ছক্কায় ১৬ রান করা এই ওপেনার।

এরপর বিদায় নেন রকিবুল হাসান। ইনিংসের ১১তম ওভারে থিসারা পেরেরার বলে উইকেটের পেছনে মুশফিকের গ্লাভসবন্দি হন রকিবুল। বিদায়ের আগে তার ব্যাট থেকে আসে মাত্র ৯ রান। দলীয় ৬৮ রানে চার উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে রাজশাহী।

এরপর জুটি গড়েন জেমস ফ্রাঙ্কলিন এবং সামিত প্যাটেল। এই জুটি থেকে আসে ৪৪ রান। ইনিংসের ১৭তম ওভারে কামরুল ইসলাম রাব্বি ফেরান ফ্রাঙ্কলিনকে। পেরেরার তালুবন্দি হওয়ার আগে তিনি ১৮ বলে ১৮ রান করেন। দলীয় ১১২ রানের মাথায় পঞ্চম উইকেট হারায় রাজশাহী।

ইনিংসের ১৯তম ওভারে ফেরেন সামিত প্যাটেল। রায়াদ এমরিতের বলে শাহরিয়ার নাফিসের তালুবন্দি হওয়ার আগে তিনি করেন ইনিংস সর্বোচ্চ ৬২ রান। তার ৫১ বলের ইনিংসটি সাজানো ছিল ৭টি চার আর একটি ছক্কায়। একই ওভারে বিদায় নেন ফরহাদ রেজা (৪)। এনামুলের তালুবন্দি হন তিনি।

শেষ ওভারে জয়ের জন্য রাজশাহীর দরকার ছিল ২৮ রান। দলপতি ড্যারেন স্যামি আর মেহেদি মিরাজ মিলে ১০ রানের বেশি তুলতে পারেনি। স্যামি ৭ বলে ১০ রান করেন। মিরাজ রানের খাতা খুলতে পারেননি।

এ সম্পর্কিত আরও

Best free WordPress theme

Check Also

ক্রিকইনফো’র পুরস্কার জিতে যা বললেন মিরাজ

জনপ্রিয় ক্রিকেট ওয়েবসাইট ইএসপিএন ক্রিকইনফো’র বর্ষসেরা ক্রিকেটারদের তালিকা আজ (শুক্রবার) প্রকাশ করা হয়েছে।  ২০১৬ সালের …