ঢাকাঃ মঙ্গলবার , ২৪ অক্টোবর ২০১৭ ৬:৩৮ পূর্বাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site
প্রচ্ছদ / ধর্ম ও জীবন / ইসলামে বিধবা নারীদের নিয়ে কি বলা হয়েছে

ইসলামে বিধবা নারীদের নিয়ে কি বলা হয়েছে

প্রকাশিত :

20161202_100329ইসলামের নারীর মর্যাদার পাশাপাশি বিধবার সম্মান ও অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। ইসলামের দৃষ্টিতে একজন বিধবা কখনোই সমাজ-সংসারের বোঝা নয়। ইসলামের শুরু থেকেই বিধবাকে ইসলাম মর্যাদা আসনে বসিয়েছে। হজরত রাসুলুল্লাহ সা. এর স্ত্রীদের মধ্যে আয়েশা (রা.) ছাড়া অন্য সব স্ত্রী ছিলেন বিধবা কিংবা তালাকপ্রাপ্তা। রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁর থেকে প্রায় অর্ধেক বয়স বেশি ৪০ বছর বয়স্কা বিধবা নারী হজরত খাদিজাকে (রা.) সর্বপ্রথম বিয়ে করেন। খাদিজা (রা.)-এর ইন্তেকালের পর ক্রমান্বয়ে দশজন নারীকে বিয়ে করেন, যাদের আটজনই ছিলেন বিধবা। তিনি ইসলামের প্রচার-প্রসার, মানবিক কারণ, বিশেষ করে তৎকালীন আরবের কুসংস্কার উচ্ছেদ করে বিধবাদের অধিকার ও সম্মান প্রতিষ্ঠার জন্য এসব বিয়ে করেছিলেন।

কোরআনুল কারীমে বিধবা নারীদের বিয়ে সম্পর্কে বলা হয়েছে, ‘আর তোমাদের মধ্যে যারা মৃত্যুবরণ করবে এবং তাদের নিজেদের স্ত্রীদের রেখে যাবে, সে স্ত্রীদের কর্তব্য হলো নিজেরা চার মাস দশ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা (ইদ্দত পালন) করবে। তারপর যখন ইদ্দত পূর্ণ করে নেবে, তখন নিজের ব্যাপারে নীতিসঙ্গত ব্যবস্থা নিলে কোনো পাপ নেই। আর তোমাদের যাবতীয় কাজের ব্যাপারেই আল্লাহর অবগতি রয়েছে’ সূরা বাকারা : ২৩৪। বিধবার অধিকারের বিষয়ে পবিত্র কোরআনপাকে আল্লাহপাক ইরশাদ করেছেন, ‘হে ঈমানদারগণ, নারীদের জোরপূর্বক উত্তরাধিকারের পণ্য হিসেবে গ্রহণ করা তোমাদের জন্য বৈধ নয় এবং তোমরা তাদের যা প্রদান করেছ তার কোনো অংশ তাদের কাছ থেকে নিয়ে নেয়ার জন্য তাদের আটকে রেখো না; যতক্ষণ পর্যন্ত না তারা ব্যভিচারে লিপ্ত হয় তাদের সঙ্গে সদ্ভাবে জীবনযাপন কর, এমনকি তোমরা যদি তাদের পছন্দ নাও কর, এমনো তো হতে পারে যা তোমরা অপছন্দ কর, তাতেই আল্লাহ অনেক কল্যাণ রেখেছেন’। (সূরা নিসা : ১৯)।

বিধবা নারীদের মর্যাদা সম্পর্কে অনেক হাদিস বর্ণিত হয়েছে। হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত। রাসূল সা. বলেছেন, আমিই ঐ ব্যক্তি যার জন্য সর্ব প্রথম জান্নাতের দরজা খোলা হবে। কিন্তু এক মহিলা এসে আমার আগে জান্নাতে যেতে চাইবে। আমি তাকে জিজ্ঞাসা করবো যে, তোমার কি হল? তুমি কে? তখন সে বলবে, আমি ঐ মহিলা যে স্বীয় এতিম বাচ্চার লালন পালনের জন্য নিজেকে আটকে রেখেছে [বিবাহ করা থেকে]। (মুসনাদে আবী ইয়ালা, হাদীস নং-৬৬৫১)। যেসব বিধবা বিয়ের যোগ্য বয়সের নয়, আবার তাদের কোন সন্তানও নেই। সেসব বিধবাদের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়াকে অনেক বড় পূণ্যের কাজ বলে রাসূল সা. ঘোষণা দিয়েছেন। যেমন- হযরত আবূ হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত। রাসূল সা. ইরশাদ করেছেন, বিধবা এবং মিসকিনের সহযোগিতাকারী আল্লাহর রাস্তায় জিহাদকারীর ন্যায়, বা সর্বদা রাতে নামাযরত ও দিনের বেলা রোযাদার ব্যক্তির মত। (সহীহ বুখারী)

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

৩ বছরে সোনা ও রুপা দিয়ে নিজ হাতে কুরআন লিখলেন এক নারী

প্রায় ৩ বছর সময় নিয়ে ১৬৪ ফুটের স্বচ্ছ কালো সিল্কের ওপর সোনা ও রুপা দিয়ে …

Leave a Reply