ঢাকা : ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, বুধবার, ২:১১ পূর্বাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site
প্রচ্ছদ > ক্যাম্পাস > ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর বাস, উল্টাপথ প্রসঙ্গ : মুদ্রার অন্য পিঠের গল্প

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর বাস, উল্টাপথ প্রসঙ্গ : মুদ্রার অন্য পিঠের গল্প

রাকিব মাহমুদ, বিডি টোয়েন্টিফোর টাইমস  

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর বাস, উল্টাপথ প্রসঙ্গ : মুদ্রার অন্য পিঠের গল্প, শুনুন ভুক্তভোগীর জবানীতে: ( চৈতালি ; মিরপুর রুট ) আমরা যারা বাসে যাতায়াত করি, তাদের সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা হচ্ছে! হবার-ই কথা, কিন্তু  ভিতরের কষ্টের গল্পটা অনেকের অজানা। আমরা খুব কষ্টে আছি । ভিসি স্যার আর প্রক্টোর স্যারকে বলে আমাদের দুইটা ট্রিপ বাড়াতে বলেন প্লিজ। সকালে আটটা ট্রিপ দেয় আমাদের, এতে হয়না। আমরা এখানে সেখানে ঘুরেও কোন লাভ হয়না। ভাই, সকাল ৬.৪০ এ মিরপুর থেকে বাস ছেড়ে ৮.৩০ এও ঠিকমতো পৌছাতে পারিনা আমরা। বাসে সীট ৭০ জনের আর আমরা আমরা আসি ১৪০/১৫০ জন করে।প্রায় সব রুট, সব ট্রিপেই এমন করুণ অবস্থা! ৭.৩০/৮.৩০ এর বাস ক্যাম্পাসে আসতে লাগে ২.৩০/৩ ঘন্টা। শীত কালে ভুলেও কোন দিন বাস রঙ এ যায়না ।

গরমের দিনে এমন কোন দিন নাই যে মিনিমাম পাঁচ/সাতজন বমি না করে নিচের মেয়েরা। আর গেটে যেভাবে বাদুড় ঝোলা ঝুলে যাই আমরা। এইজন্যই অসহ্য গরমে একটু যাওয়া লাগে, সেটা কেবল আপ ট্রিপ এ, ডাউন ট্রিপে আমরা ঠিকপথেই যাই। আমাদের মতো এভাবে বাসে যাওয়া কোন সুস্থ্য মানষের পক্ষে সম্ভব না! ৪/৭/৮ নং লোকাল বাসেও এত ভীড় থাকেনা। বাস পাঁচ মিনিট জ্যামে বসে থাকলে আমাদের অবস্থা খুব খারাপ হয়ে যায়। সহ্য করতে না পেরে তাই উল্টো না যাইয়া পারিনা ভাই। ভিসি স্যারকে একটু বলেন ভাই প্লিজ। আমাদের বাস বাড়ালে এই সমস্যা একেবারেই থাকবে না। পোলাপান একটু শান্তিতে যেতে-আসতে পারতো। একটা বাসেও ফ্যান নাই। কোনটায় থাকলেও চলেনা। আর গাড়ি তো পথে নষ্ট হয় ডেইলি। প্রিন্স ভাই, আবিদ ভাই যদি কোন দিন জিজ্ঞেস করতো, আমরা তাদের বলতে পারতাম এই ব্যাপারগুলা নিয়া। ডাকসু তো নাই, আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা আমাদের সমস্যাগুলো তাইলে কাকে বলবো? নতুন বাস দেয় না, পুরান বাসগুলা চেঞ্জ করে দেয়না ভিতরে ভ্যাপসা একটা গরম। লোকাল এর থেকে খারাপ! এই সমস্যা নিয়া আমরা বার বার যোগাযোগ করলেও তারা বলে বরাদ্দ নাকি নাই! আপনারা ভালো জানবেন।

প্রতিবছর যে শুনি ৩৫০-৪০০ কোটি বাজেটের কথা, সেগুলো থেকে আমাদের জন্য কি কয়েক লাখও বরাদ্দ নাই? আর সব শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে যে পরিবহণ বাবদ চাঁদা নেয়া হয়, সে টাকার কিছু অংশ কি আমাদের সমস্যা সমাধানে ব্যয় করা যায় না? আমরা অনেকসময় এই বাসে চড়ার তিক্ততা এড়াতে ক্লাসে যাই না। জাস্ট অসহ্য লাগে ভাই। আপনারা প্লিজ একটু উদ্যোগ নেন। আর হ্যাঁ, রঙ-এ আর যাবোইনা। অনেক দিন থেকেই রঙ-এ যায়না চৈতালী। আর যাবোওনা ভাই, কথা দিলাম। অনেক আগে থেকেই এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। রোজার পরে আপনাকে দেখাবো কিছু পিক তুলে। আর একদিন কথা বলিয়ে দেবো বাসের শিক্ষার্থীদের সাথে, তাহলে প্রকৃত পরিস্থিতি বুঝবেন। প্রতি বছর এই মিরপুর রুটে প্রচুর ছাত্রছাত্রী বাড়ে। বাস কিন্তু সেই আটটা-ই। চার বছর আগে যেমন দেখেছি! তবুও আমাদের জন্য প্রিয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়ে থাকলে, আমরা দু:খিত-ক্ষমাপ্রার্থী।”

এ সম্পর্কিত আরও

আপনার মন্তব্য

  1. ..জনৈক ছাত্র এই উল্টোপথে গাড়ি চলার হাজারটা মানবিক কারণ তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন…তার লেখা পড়ে আর তার বোধবুদ্ধি দেখে আমি অবাক হলাম…চোর দূর্ণীতিবাজ খুনি সহ সহ সকল অন্যায়কারীর কোন না কোন পয়েন্ট অব ভিউ থাকেই থাকে..তাই বলে কি আমরা সেই অন্যায়টাকে মেনে নিবো…?? এ কেমন কথা..অন্যায়তো অন্যায়ই…
    কি আর বলবো ছাত্রদের সুমতি হোক…নগরবাসীকে তারা আর না হাসাক সেই কামনা করছি…..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *