ঢাকা : ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, মঙ্গলবার, ৪:৩২ পূর্বাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site
প্রচ্ছদ > অন্যান্য > সাবেক অধিনায়ক আকরাম খানের ক্যারিয়ারের যত সাফল্য

সাবেক অধিনায়ক আকরাম খানের ক্যারিয়ারের যত সাফল্য

‎আকরাম খানকে বর্তমান প্রজন্মের ক্রিকেটপ্রেমীরা একজন বোর্ড পরিচালক ও নির্বাচক হিসেবে জানলেও ক্রিকেটের সাথে তার সংশ্লিষ্টতা শুরু ক্রিকেটার হিসেবেই। ১৯৮৮ সালে উইলস এশিয়া কাপ এর ৪র্থ ম্যাচে পাকিস্তানের সাথে অভিষেক। ম্যাচে পাকিস্তানের দেওয়া ২৮৫ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ৮ নাম্বারে ব্যাট করে ৩৫ বলে ২১ রান করে অপরাজিত থাকেন। বাংলাদেশ দল হেরে যায় ১৭৩ রানের বিশাল ব্যবধানে। সেই থেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সাথে পথচলা শুরু।

১৯৮৮ সালে ক্যারিয়ার শুরু করলেও ওয়ানডেত ব্যক্তিগত ১০তম ম্যাচ খেলেন তিনি অভিষেক এর ১০ বৎসর পর তথা ১৯৯৭ সালে। সে ম্যাচে পাকিস্তানের সাথে প্রথম ফিফটি তথা ৫৯ রান করেন তিনি।

১৯৯৯ সালে ক্যারিয়ার সেরা ৬৫ রান করেন তিনি কেনিয়ার বিরুদ্ধে। সর্বশেষ একদিনের ম্যাচ খেলেন ২০০৩ সালে আফ্রিকার সাথে। সে ম্যাচে মাত্র ৩ রান করেন তিনি। ক্যারিয়ারে ৪৪ ম্যাচ খেলে ৬৫ বেস্টে ৫টি ফিফটির সাহায্যে ৯৭৬ রান করেন তিনি।

২০০০ সালে বাংলাদেশ দলের ও নিজের প্রথম টেস্ট খেলেন তিনি ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে। ঐতিহাসিক সে ম্যাচে প্রথম ইনিংস এর ৩৫ এবং দ্বিতীয় ইনিংস এ ২ রান, মোট ৩৭ রান করেন তিনি।

২০০১ সালে জিম্বাবুয়ের সাথে ক্যারিয়ার সেরা ৪৪ রান করেন তিনি। ২০০৩ সালে আফ্রিকার সাথে ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট খেলেন তিনি সে ম্যাচে প্রথম ইনিংস এ ১৩, দ্বিতীয় ইনিংস এ ২৩ রান, মোট ৩৬ রান করেন তিনি। ক্যারিয়ারে মোট ৮টি টেস্ট ম্যাচ খেলে ৪৪ বেস্টে ২৫৯ রান করেন তিনি। তারপর আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাকে দেখা যায়নি।

প্রথম শ্রেণীর ক্যারিয়ারে ৪৩ টি ম্যাচ খেলে ১২৯ বেস্টে ২টি সেঞ্চুরী ও ১০টি ফিফটির সাহায্যে মোট ২১১৭ রান করেন তিনি। লিষ্ট এ ৯৫ ম্যাচ খেলে ৮২ বেস্টে ১২টি ফিফটির সাহায্যে ২১৯২ রান করেন তিনি। সব ধরনের ক্রিকেট মিলিয়ে তিনি বোলিং করে মাত্র ১টি উইকেট লাভ করেন।

সর্বশেষ ২০০৫ সালে চট্টগ্রাম ডিভিশনের হয়ে বরিশাল ডিভিশনের বিরুদ্ধে শেষ ঘরোয়া ম্যাচ খেলেন তিনি। তারপর থেকে মাঠের ক্রিকেটকে বিদায় জানান তিনি।

১৯৯৭ মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত আইসিসি চ্যাম্পিয়ন ট্রফিতে আকরাম খানের নেতৃত্বে কেনিয়াকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ। মূলত ক্রিকেটকে ঘিরে বাংলাদেশে তখন থেকেই উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

আকরাম খান মানেই বড় বড় ছয়, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা পর্যন্ত এমনটাই চলছিল। পরবর্তীতে তিনি বোর্ডের হয়ে দীর্ঘদিন প্রধান নির্বাচকের ভূমিকা পালন করেন এবং বর্তমানে বোর্ডের পরিচালক হিসেবে ক্রিকেটের প্রতি তার দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করছেন। ক্রিকেটার, নির্বাচক ও পরিচালক তিন মাধ্যমেই তিনি একজন সফল ব্যক্তিত্ব।

চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী খান পরিবারের সদস্য তিনি। তার ভাতিজা নাফিজ ইকবাল ও বর্তমানে তামিম ইকবাল জাতীয় দলের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করছেন।

ক্রিকেটার ও ক্রিকেট সংগঠক হিসেবে সফল আকরাম খান, ভবিষ্যতেও ক্রিকেটের উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন, এই প্রত্যাশা।

জুবায়ের আহমেদ

ক্রীড়া লেখক

এ সম্পর্কিত আরও

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *