Mountain View

তলিয়ে গেছে শেরপুর-জামালপুর সড়ক,যানবাহন চলাচল বন্ধ

প্রকাশিতঃ আগস্ট ১৭, ২০১৭ at ৬:৩৫ অপরাহ্ণ

নিউজ ডেস্ক- শেরপুরের পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বাড়তে শুরু করেছে। বুধবার ভোর থেকে জেলার ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বাড়ার কারণে নদের বেড়িবাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে সদর উপজেলার চরপক্ষীমারি, কামারেরচর ও চরমোচারিয়া ইউনিয়নের অন্তত ২৫টি গ্রামে পানি প্রবেশ করেছে।  ফলে এসব এলাকার চলতি রোপা আমন ও সবজি ক্ষেত তলিয়ে যাচ্ছে। এসব গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বৃদ্ধির কারণে শেরপুর-জামালপুর সংযোগ সড়কের চরপক্ষীমারি ইউনিয়নের পোড়ার দোকান নামক স্থান কজওয়ের (সিমেন্ট ও পাথর দিয়ে ঢালাই রাস্তা) ওপর দিয়ে প্রবল বেগে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে শেরপুরের পুরাতন ব্রহ্মপুত্রসহ অন্যান্য নদ-নদীর পানি প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় শেরপুর-জামালপুর সংযোগ সড়কে বাস-ট্রাকসহ অন্যান্য ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে সওজ।

জামালপুর হয়ে ঢাকা-টাঙ্গাইল এবং উত্তরবঙ্গ প্রবেশের এ সড়কটিতে যানবাহন চলাচল বন্ধ ঘোষণা করায় দুর্ভোগে পড়েছে ওই রুটে চলাচলকারী যাত্রীরা। এসব যাত্রীরা ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় চলাচল করছে। চর পক্ষীমারি ইউনিয়ন থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দুরত্বের জামালপুর জেলা শহর নৌকা দিয়ে পাড়ি দিচ্ছেন যাত্রীরা। এরপর যার যার গন্তব্যে চলাচল করছে জেলার যাত্রী সাধারণ।

কৃষকরা জানায়, তাদের ফসল ও সবজি ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্তের পাশাপাশি দুচিন্তায় আছে গবাদি পশু নিয়ে। বন্যাদুর্গত এলাকার হাজার হাজার গবাদি পশু’র আশ্রয়ের সংকট নয়, সংকট তৈরি হয়েছে খাদ্যেরও।

বানভাসিদের অনেকেই বাড়ি-ঘর ছেড়ে আত্মীয়ের বাড়ি, কেউ বাঁধের উপর কিংবা স্থানীয় উচু কোনো এলাকায় আশ্রয় নিয়েছে। তবে সেসব স্থানে এখনও কোনো ত্রাণ পৌঁছায়নি বলে অভিযোগ করেন বানভাসিরা।

বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসক ড. মল্লিক আনোয়ার হোসেন, সদর উপজেলার ইউএনও মো. হাবিবুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট এলাকার জনপ্রতিনিধিরা বন্যা দুর্গত এলাকা পরিদর্শন করেছে।

এ সম্পর্কিত আরও

Mountain View